Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
মানুষের কল্যাণেই ঈদের আনন্দ বাবুর
রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় ইউরোপ

‘স্বাধীনতা শেখাতে’ ৫ লাখ ডলার!

আমেরিকার বিরুদ্ধে ব্রিটিশ রাজনীতিতে নাক গলানোর অভিযোগ

  • ব্রিটিশ জনপরিসর ও গণমাধ্যমে ‘পরিমাপযোগ্য প্রভাব’ চাওয়ায় উঠছে হস্তক্ষেপের অভিযোগ
  • ট্রাম্পের 'ম্যাগা টাকা' নিয়ে তোলপাড়
ইরফান রহমান, লন্ডন থেকে
agamir somoy
প্রকাশ: ০৮ আগস্ট ২০২৬, ২৩:০৭
আমেরিকার বিরুদ্ধে ব্রিটিশ রাজনীতিতে নাক গলানোর অভিযোগ

বাক্‌স্বাধীনতা শেখানো হবে। বোঝানো হবে আইনের শাসন, সম্পত্তির অধিকার, জুরি বিচারের গুরুত্ব। থাকবে ‘সীমিত সরকার’ এবং জনগণের সম্মতিতে কর আরোপের মতো বিষয়ও। এর জন্য ব্রিটেনে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ ডলারের একটি অনুদান কর্মসূচি খুলেছে লন্ডনের মার্কিন দূতাবাস।

কাগজে-কলমে উদ্দেশ্য ‘জনশিক্ষা’ ও নাগরিক সম্পৃক্ততা। কিন্তু সরকারি নথিতে যখন বলা হচ্ছে, প্রকল্পের প্রভাব ব্রিটিশ জনপরিসর, সংবাদমাধ্যমের আলোচনা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ নিয়ে নাগরিক অংশগ্রহণে পরিমাপযোগ্য হতে হবে, তখনই উঠেছে অন্য প্রশ্ন, বন্ধু দেশের গণতন্ত্রে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে কি ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন?

শনিবার ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ানে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই অনুদানকে ঘিরে ব্রিটেনে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক বিতর্ক সামনে এসেছে। লিবারেল ডেমোক্র্যাট সংসদ সদস্য লিসা স্মার্ট সরাসরি একে ব্রিটিশ গণতন্ত্রে নাক গলানোর চেষ্টা বলে অভিযোগ করেছেন। তার কটাক্ষ, ব্রিটেনের স্বাধীনতা ও বাক্‌স্বাধীনতার নিজস্ব ঐতিহ্য রয়েছে; ট্রাম্পের ‘ম্যাগা টাকা’ দিয়ে তা শেখানোর প্রয়োজন নেই। ‘ম্যাগা’ হলো ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক স্লোগান ‘মেক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন’-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। যার অর্থ, 'আমেরিকাকে আবার শক্তিশালী ও গৌরবময় করে তোলা'৷ ব্রিটেনে এই অনুদান নিয়ে সমালোচনার সময় বিরোধীরা ‘ম্যাগা অর্থ’ বলতে ট্রাম্প প্রশাসনের সেই রাজনৈতিক দর্শনের সঙ্গে যুক্ত মার্কিন অর্থায়নকেই বোঝাচ্ছেন।

নামেই বার্তা: ‘আইনের অধীনে স্বাধীনতা’

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মসূচিটির নাম ‘লিবার্টি আন্ডার ল: দ্য শেয়ার্ড অ্যাংলো-আমেরিকান ট্র্যাডিশন’–বাংলায়, ‘আইনের অধীনে স্বাধীনতা: অভিন্ন অ্যাংলো-আমেরিকান ঐতিহ্য’।

মার্কিন সরকারের আনুষ্ঠানিক অনুদান নথি অনুযায়ী, কর্মসূচিটি গত ২০ জুলাই প্রকাশ করা হয়েছে। আবেদনের শেষ দিন ২১ আগস্ট। মোট তহবিল পাঁচ লাখ ডলার এবং তিনটি পর্যন্ত প্রকল্পে অর্থ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। একটি প্রকল্পে ন্যূনতম এক লাখ থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ ডলার পর্যন্ত অনুদানের সুযোগ রাখা হয়েছে।

আবেদন করতে পারবে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয় ও জোট। ব্রিটিশ দাতব্য প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং অলাভজনক সংগঠনও আবেদন করতে পারবে, তবে তাদের অন্তত একটি মার্কিন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারত্ব থাকতে হবে।

কোন ‘মূল্যবোধ’ শেখাতে চায় ওয়াশিংটন

সরকারি নথিতে বলা হয়েছে, এমন উচ্চপর্যায়ের ও ব্যাপক দৃশ্যমানতার প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, যা ব্রিটেনে অ্যাংলো-আমেরিকান প্রচলিত আইনব্যবস্থার ইতিহাস ও মূল্যবোধ সম্পর্কে মানুষের ধারণা বাড়াবে।

বাক্‌স্বাধীনতা, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া, জুরি বিচার, সীমিত সরকার, আইনের শাসন, ব্যক্তিগত সম্পত্তির অধিকার, জনগণের সম্মতিতে কর এবং ‘সুশৃঙ্খল স্বাধীনতা’–এসব ধারণাকে বর্তমান নাগরিক জীবনের সঙ্গে যুক্ত করতে চায় মার্কিন দূতাবাস।

আগামী বছর ব্রিটেনের রানিমিডে আমেরিকান বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্মিত ম্যাগনা কার্টা স্মৃতিসৌধের ৭০ বছর পূর্ণ হবে। সেই বার্ষিকীও কর্মসূচিটির একটি উপলক্ষ। সম্ভাব্য আয়োজনে বড় সম্মেলন, বিভিন্ন শহরে অনুষ্ঠান, প্রদর্শনী, অনলাইন বিষয়বস্তু ও দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষাসামগ্রী তৈরির কথা রয়েছে। বিশেষ করে তরুণ ও অনলাইন শ্রোতাদের কাছে পৌঁছানোর উপর জোর দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু বিতর্কের কেন্দ্রে এসেছে অনুদানের ভাষা। গার্ডিয়ানের দেখা নথিতে যুক্তরাষ্ট্র-ব্রিটেন সম্পর্কের ভিত্তি হিসেবে কথিত ‘অভিন্ন সভ্যতাগত মূল্যবোধ’ নিয়ে একটি ‘জাতীয় আলোচনা’ গড়ে তোলার লক্ষ্য রাখা হয়েছে। আবার অর্থ পাওয়া প্রকল্পের সফলতা মাপার মানদণ্ড হিসেবেও ব্রিটিশ জনপরিসর, সংবাদমাধ্যমের আলোচনা ও নাগরিক সম্পৃক্ততায় তার প্রভাব দেখতে চাওয়া হয়েছে।

ট্রাম্পপন্থী ম্যাগা আন্দোলনও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাক্‌স্বাধীনতা, ছোট বা সীমিত সরকার এবং তথাকথিত পশ্চিমা সভ্যতাগত মূল্যবোধকে নিজেদের রাজনৈতিক ভাষ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ করেছে। এই মিলই সমালোচকদের সন্দেহ আরও বাড়িয়েছে।

লিবারেল ডেমোক্র্যাটদের ক্যাবিনেট অফিসবিষয়ক মুখপাত্র লিসা স্মার্ট বলেছেন, ম্যাগনা কার্টার মূল লক্ষ্যই ছিল শাসকের ক্ষমতায় সীমা টানা এবং সবাইকে আইনের অধীন করা। তার অভিযোগ, ট্রাম্প নিজেই বারবার সেই নীতির প্রতি অবজ্ঞা দেখিয়েছেন। তাই ‘ম্যাগা অর্থ’ দিয়ে ব্রিটিশ গণতন্ত্রে হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই।

অস্বস্তি মার্কিন কূটনীতিকদের মধ্যেও

শুধু ব্রিটিশ রাজনীতিক নন, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ও সাবেক পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তাদের একাংশও কর্মসূচিটির ভাষা নিয়ে অস্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

এক কর্মকর্তা গার্ডিয়ানকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ব্রিটেনের ‘বিশেষ সম্পর্ক’ তুলে ধরতে জনকূটনীতির প্রকল্পে অর্থ দেওয়া অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু ‘আমেরিকা ফার্স্ট’-এর একটি সংকীর্ণ রাজনৈতিক ব্যাখ্যার সঙ্গে মেলে, এমন বিষয়ে সরাসরি অর্থায়ন অত্যন্ত ব্যতিক্রমী।

ওই কর্মকর্তার অভিযোগ, ব্রিটেনের ভেতর থেকেই এমন ভাষ্য তৈরি করার চেষ্টা হচ্ছে, যা পরে ‘ম্যাগা’ রাজনৈতিক প্রচারণাকে সমর্থন করতে পারে। তবে অনুদানের সরকারি নথিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, কোনো দলীয় রাজনৈতিক কার্যক্রম বা তদবিরে এই অর্থ ব্যবহার করা যাবে না।

দূতাবাস বলছে, ‘হস্তক্ষেপ নয়’

লন্ডনের মার্কিন দূতাবাস অবশ্য অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে. দূতাবাসের বক্তব্য, এই অর্থায়নের উদ্দেশ্য যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক আরও শক্ত করা এবং দুই দেশের সাংবিধানিক নীতি, আইনের শাসন ও গণতান্ত্রিক আদর্শ সম্পর্কে মানুষের উপলব্ধি বাড়ানো।

হস্তক্ষেপের অভিযোগের জবাবে দূতাবাস আবার পাল্টা রাজনৈতিক খোঁচাও দিয়েছে। তাদের বক্তব্য, বর্তমান প্রশাসন জো বাইডেন আমলের ‘জলবায়ু ন্যায়বিচার’, সমকামী অধিকারকেন্দ্রিক কার্যক্রম এবং জাতিভিত্তিক নিয়োগের মতো যেসব জনকূটনৈতিক প্রকল্পকে ‘বিভাজনমূলক’ মনে করে, সেগুলোর অর্থায়ন বন্ধ করেছে। দূতাবাসের দাবি, সে সময় এসব কর্মসূচি নিয়ে বর্তমান সমালোচকদের কাছ থেকে একই ধরনের আপত্তি শোনা যায়নি।

ইসরায়েল ও চীন নিয়েও ‘সমর্থন’ চায় আরেক কর্মসূচি

বিতর্ক শুধু এই পাঁচ লাখ ডলারের প্রকল্পে সীমাবদ্ধ নয়। লন্ডনের মার্কিন দূতাবাসের আরেকটি বার্ষিক জনকূটনীতি কর্মসূচির নথিতেও সাবেক মার্কিন কর্মকর্তাদের নজর কেড়েছে কিছু ভাষা। ওই কর্মসূচির মোট তহবিল দুই লাখ ৩০ হাজার ডলার; সর্বোচ্চ এক লাখ ডলার পর্যন্ত অনুদান দেওয়া হবে। সেখানে শিক্ষামূলক ও জনসচেতনতামূলক প্রকল্পকে এমন লক্ষ্য নিয়ে আবেদন করতে বলা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সমৃদ্ধি ও ব্রিটেনের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা শক্ত করা, চীনের প্রতিযোগিতা মোকাবিলা এবং মার্কিন নীতির প্রতি ব্রিটিশ সমর্থন বাড়ানো। এমনকি ‘ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকারের প্রতি সমর্থন নিশ্চিত করা’-ও লক্ষ্যগুলোর একটি।

এক সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্র কর্মকর্তা বলেছেন, অতীতে এ ধরনের নথির ভাষা সাধারণত হতো–মার্কিন নীতি সম্পর্কে মানুষের ‘বোঝাপড়া বাড়ানো’। কিন্তু বর্তমান ভাষা তাঁর কাছে অনেক বেশি সরাসরি যেন মানুষকে মার্কিন নীতির সঙ্গে একমত করানোই লক্ষ্য। বিশেষ করে তৃতীয় একটি দেশে ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন বাড়াতে জনকূটনৈতিক অর্থ ব্যবহারকে তিনি অস্বাভাবিক বলেছেন।

নতুন বিতর্কের পেছনে আরও একটি ঘটনা রয়েছে। জুলাইয়ে গার্ডিয়ান প্রকাশ করেছিল, ট্রাম্প প্রশাসন ব্রিটেনের দুই পরিচিত রক্ষণশীল ব্যক্তিত্ব জ্যাকব রিস-মগ ও টবি ইয়ং প্রতিষ্ঠিত সংগঠনগুলোকে মোট ১ কোটি ২০ লাখ ডলার অনুদান দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে।

সরকারি নথির বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, রিস-মগের সহপ্রতিষ্ঠিত ‘৮৭৮’ নামের চিন্তাকেন্দ্রকে ৭০ লাখ ডলার এবং টবি ইয়ংয়ের ফ্রি স্পিচ ইউনিয়নের আন্তর্জাতিক শাখাকে ৫০ লাখ ডলার দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব অনুদান প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র ছাড়াই সরাসরি দেওয়ার পরিকল্পনা হওয়ায় সাবেক মার্কিন কর্মকর্তাদের একাংশ তখনও বিদেশি রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারের প্রশ্ন তুলেছিলেন।

সেই অনুদান এবং বর্তমান পাঁচ লাখ ডলারের জনশিক্ষা প্রকল্প আলাদা। কিন্তু দুটির রাজনৈতিক ভাষায় ‘বাক্‌স্বাধীনতা’, পশ্চিমা মূল্যবোধ এবং ট্রাম্প প্রশাসনের পছন্দের নীতিগত বিষয়গুলো সামনে আসায় ব্রিটেনে সন্দেহ আরও গভীর হয়েছে।

জনকূটনীতি, না রাজনৈতিক সীমারেখা পার হওয়া?

বিদেশি দূতাবাস সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শিক্ষা, গবেষণা বা দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে অর্থ দেবে–কূটনীতিতে সেটি নতুন নয়। কিন্তু এবারের বিতর্কের প্রশ্নটা অন্য জায়গায়।

কোনো বিদেশি সরকার যদি শুধু নিজের নীতি ‘ব্যাখ্যা’ না করে, বরং অন্য দেশের জনআলোচনা, সংবাদমাধ্যম ও নাগরিক মতামতে পরিমাপযোগ্য প্রভাব তৈরিকে অনুদানের সাফল্য হিসেবে ধরে, তবে জনকূটনীতি আর রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের সীমারেখাটি কোথায়?

লন্ডনের মার্কিন দূতাবাস বলছে, লক্ষ্য দুই দেশের অভিন্ন গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যকে শক্ত করা। সমালোচকদের পাল্টা প্রশ্ন, ব্রিটেনকে স্বাধীনতা শেখানো হচ্ছে, না স্বাধীনতার ভাষায় ব্রিটিশ রাজনীতিকেই বদলানোর চেষ্টা?

    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেল মাদ্রাসাছাত্রের

    কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেল মাদ্রাসাছাত্রের

    ০৯ আগস্ট ২০২৬, ০০:০৫

    ইতালি-স্পেন কূটনৈতিক সংঘাত, শেনজেন স্থগিত

    ইতালি-স্পেন কূটনৈতিক সংঘাত, শেনজেন স্থগিত

    ০৯ আগস্ট ২০২৬, ০০:০৮

    বিটিএসের গ্র্যামি বর্জন: মূলধারায় স্বীকৃতি চায় বিটিএস

    বিটিএসের গ্র্যামি বর্জন: মূলধারায় স্বীকৃতি চায় বিটিএস

    ০৯ আগস্ট ২০২৬, ০০:১৪

    ‘হ্যাডম দেখানো’র সংস্কৃতি কোথায় গিয়ে থামবে?

    ‘হ্যাডম দেখানো’র সংস্কৃতি কোথায় গিয়ে থামবে?

    ০৯ আগস্ট ২০২৬, ০০:২২

    জাহাঙ্গীর গেটে কাভার্ডভ্যানের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

    জাহাঙ্গীর গেটে কাভার্ডভ্যানের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

    ০৯ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩১

    বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগেও নিউইয়র্কের শিক্ষায় ধস

    বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগেও নিউইয়র্কের শিক্ষায় ধস

    ০৯ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৭

    আলাউদ্দিন আলী স্মরণে

    আলাউদ্দিন আলী স্মরণে

    ০৯ আগস্ট ২০২৬, ০০:৫২

    ‘ফোন  নামিয়ে  রাখুন’

    ‘ফোন নামিয়ে রাখুন’

    ০৯ আগস্ট ২০২৬, ০০:৫৬

    advertiseadvertise