বন্ধ হতে পারে সাইপ্রাস-গ্রিস ফেরি সার্ভিস

সংগৃহীত ছবি
ভর্তুকি নবায়ন না হলে সাইপ্রাস ও গ্রিসের মধ্যে চলাচলকারী ফেরি সার্ভিস চালু রাখা সম্ভব হবে না বলে জানিয়েছেন চুক্তিভিত্তিক পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান স্ক্যানড্রো হোল্ডিং লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা চারালাম্বোস মানোলি।
শুক্রবার এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, দীর্ঘমেয়াদে ফেরি সার্ভিসটিকে আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করার লক্ষ্য এখনো অর্জন করা সম্ভব হয়নি।
২০২২ সালে ইউরোপীয় কমিশনের অনুমোদনের পর তিন বছরের সরকারি ভর্তুকির ভিত্তিতে এ রুট চালু হয়। পরে সেই ভর্তুকির মেয়াদ আরও তিন বছরের জন্য বাড়ানো হয়।
মানোলির মতে, যাত্রীসংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে না বাড়লে ২০২৭ সালই এই ফেরি সার্ভিসের শেষ বছর হতে পারে।
তিনি বলেছেন, গ্রিসের মতো সাইপ্রাসে এক দ্বীপ থেকে অন্য দ্বীপে নিয়মিত ফেরিতে যাতায়াতের সংস্কৃতি নেই। তাই যাত্রী চাহিদাও তুলনামূলক কম।
বর্তমানে মে মাসের শেষ থেকে সেপ্টেম্বরের শুরু পর্যন্ত প্রায় তিন মাস ফেরিটি চলাচল করে। জুনে প্রতি যাত্রায় গড়ে প্রায় ১০০ জন এবং জুলাইয়ে ২০০ থেকে ২৫০ জন যাত্রী পাওয়া যায়। ফেরিটি পূর্ণ ধারণক্ষমতায় চলাচল করে কেবল আগস্ট মাসে।
মানোলি জানিয়েছেন, শনিবার লিমাসোল থেকে এএফ মেরিনা ফেরিটি যাত্রা করবে৩৮০ জন যাত্রী নিয়ে। চলতি মৌসুমে এটিই সর্বোচ্চ যাত্রীসংখ্যা।
তিনি আরও বলেছেন, বছরে মাত্র তিন মাস একটি রুট চালিয়ে এটিকে লাভজনক করা সম্ভব নয়। বাকি নয় মাস জাহাজটি অন্য কোথাও ব্যবহারের পরিকল্পনা করতে হয়। তবে কার্গো পরিবহনের সুযোগ না থাকায় দীর্ঘমেয়াদে এটি টেকসই হচ্ছে না।
তবে সরকার ভবিষ্যতে ভর্তুকি অব্যাহত রাখলেও নতুন কিছু চ্যালেঞ্জ বিবেচনায় নিতে হবে বলে উল্লেখ করেন মানোলি।




