পুতিনবিরোধী রাজনীতিবিদকে ১১ বছরের কারাদণ্ড

কাঠগড়ায় রাশিয়ার বিরোধী নেতা লেভ শ্লোসবার্গ। ছবি : রয়টার্স
শিয়ার বিরোধী নেতা লেভ শ্লোসবার্গকে ১১ বছর এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দেশটির উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের পস্কভ শহরের আদালত স্থানীয় সময় সোমবার এই রায় ঘোষণা করেছেন।
সামাজিকমাধ্যমে দেশটির সশস্ত্র বাহিনীকে ‘অসম্মান’ এবং ‘মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর’ অভিযোগে তাকে পেনাল কলোনিতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পস্কভ শহরের আদালতের এই রায়ের তীব্র নিন্দা জানিয়ে লেভ শ্লোসবার্গ বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আদালতের একমাত্র কাজ ‘একজন মানুষকে তার রাজনৈতিক, সামাজিক ও নাগরিক অবস্থানের জন্য শাস্তি দেওয়া।’
স্থানীয় নোভায়া গাজেতা পত্রিকায় প্রকাশিত ট্রান্সক্রিপ্টের বরাতে জানা গেছে, শ্লোসবার্গ তার সমাপনী বক্তৃতায় সব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি আদালতের রায়কে ‘তদন্তের নামে নাটক’ বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, আদালতের উদ্দেশ্য ছিল ‘স্পষ্টভাবে অবৈধ রায় বাস্তবায়ন করা’।
রাশিয়ার উদারপন্থী রাজনৈতিক দল ইয়াবলোকোর উপ-প্রধানের দায়িত্বে আছেন তিনি। দলটি জানিয়েছে, তারা এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবে।
এই রায় ঘোষণার মাত্র কয়েক মিনিট আগে ইয়াবলোকোর আরেকটি আপিল খারিজ করে দিয়েছে রাশিয়ার সুপ্রিম কোর্ট। আপিলটি সেপ্টেম্বরের সংসদীয় নির্বাচনে দলটিকে অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে ছিল।
আদালত শ্লোসবার্গকে ‘রাশিয়ান ফেডারেশনের সশস্ত্র বাহিনীর ব্যবহারকে অসম্মান করার উদ্দেশ্যে জনসাধারণের সামনে কাজ করার’ অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করেছে।
অভিযোগকারী পক্ষ সামাজিক মাধ্যমে তার মন্তব্যের জন্য ফৌজদারি অভিযোগ এনে ১২ বছর এক মাসের কারাদণ্ড চেয়েছিল।
আদালতে দেওয়া বক্তব্যে পুতিন বিরোধী এই রাজনীতিবিদ রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি এবং ‘রাজনৈতিক সংলাপ’ শুরু করার আহ্বানও পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
সূত্র: বিবিসি







