Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বিদেশ

ইরান ইস্যুতে ন্যাটো মিত্রদের সমালোচনায় ট্রাম্প

আল-জাজিরা
agamir somoy
প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৫:১০
ইরান ইস্যুতে ন্যাটো মিত্রদের সমালোচনায় ট্রাম্প

জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইরানের পারমাণবিক হুমকি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পাশে ন্যাটো সদস্য দেশগুলোকে না দাঁড়ানোর জন্য সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের পাল্টাপাল্টি অবস্থান হরমুজ প্রণালি পরিস্থিতিকে ঘিরে তৈরি করেছে নতুন উত্তেজনা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, ন্যাটোর পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয় করা হলেও ইরানের পারমাণবিক হুমকি মোকাবিলায় যুক্ত হতে আগ্রহ দেখাননি ইতালি ও দেশটির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি। তিনি বলেন, ‘কয়েক দশক ধরে আমরা তাদের রক্ষা করছি, কিন্তু পরীক্ষার সময় তারা আমাদের পাশে নেই। এটি ভালো নয়।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের অভিযোগ, পশ্চিমা দেশগুলোকে রক্ষা করা হলেও প্রয়োজনের সময় যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়ায়নি তারা।

ন্যাটো চুক্তির পঞ্চম অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো সদস্য রাষ্ট্র সশস্ত্র আক্রমণের শিকার হলে অন্য সদস্যরা তার প্রতিরক্ষায় এগিয়ে আসতে বাধ্য।

এদিকে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান সতর্ক করে বলেছেন, সম্প্রতি স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের প্রযুক্তিগত জটিলতা দ্রুত সমাধান করা সহজ হবে না। তিনি বলেন, আলোচনায় মাঝে মাঝে অচলাবস্থার সৃষ্টি হতে পারে এবং সে পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। একই সঙ্গে তার আশঙ্কা, সুযোগ পেলে আলোচনাপ্রক্রিয়া ভেস্তে দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে ইসরায়েল।

অন্যদিকে হরমুজ সংকটের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতিকেই দায়ী করেছেন জার্মানির প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস। তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালির সমস্যার মূল কারণ ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত, যদিও ইউরোপের স্বার্থ হচ্ছে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা।

তিনি আরও বলেন, জ্বালানি সরবরাহ এবং অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জন্য হরমুজ প্রণালির নিরাপদ চলাচল ইউরোপের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের দাবি, ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক উদ্যোগ ব্যর্থ হলে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প। প্রয়োজনে এই জলপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে কর আদায় করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের ইরানবিরোধী কঠোর বক্তব্য মূলত অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমর্থন ধরে রাখার কৌশল। জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক পল মাসগ্রেভ বলেন, ট্রাম্পের এসব বক্তব্য তার সমর্থক গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে দেওয়া। তবে এতে কূটনৈতিক আলোচনায় দুর্বল হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক কল্পনায় একটি প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে ইরান। ট্রাম্পের এই অবস্থান তাকে রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী করলেও আন্তর্জাতিক আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রকে ফেলতে পারে বিতর্কিত অবস্থানে। ফলে কূটনৈতিকভাবে কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে ইরান।

যুক্তরাষ্ট্রইরানইতালিন্যাটো
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise