এবার চীন সফরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

সংগৃহীত ছবি
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ শনিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত বেইজিং সফর করবেন বলে জানিয়েছে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে সফরে ইরান যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা হবে কি না, তা উল্লেখ করা হয়নি।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় শুরু হওয়া মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে পাকিস্তান ও চীন মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে দুই দেশই।
৮ এপ্রিল থেকে কার্যকর যুদ্ধবিরতি চুক্তির ফলে বন্ধ রয়েছে সংঘাত। তবে বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, কূটনৈতিক সমাধানের সময় ফুরিয়ে আসছে দ্রুত।
বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেছেন, ‘চীন ও পাকিস্তানের নেতারা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং পারস্পরিক উদ্বেগের বিভিন্ন বিষয়ে গভীর মতবিনিময় করবেন।’
গুও আরও বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুত শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে পাকিস্তানের সঙ্গে কাজ করবে চীন।
তিনি বলেছেন, ‘শান্তি প্রতিষ্ঠা ও যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তান যে ন্যায্য ও ভারসাম্যপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে, তাকে সমর্থন করে চীন।’
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতায় পাকিস্তান এখন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় উঠে এসেছে। গত মাসে আলোচনার আয়োজনও করেছিল ইসলামাবাদ।
ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার তেহরান সফরে যাবেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির।
তুলনামূলক নীরব ভূমিকা পালন করলেও উপসাগরীয় অঞ্চলের সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফোনালাপ ও বৈঠকের মাধ্যমে কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে চীন।
গত সপ্তাহে বেইজিংয়ে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর ট্রাম্প ফক্স নিউজকে বলেছেন, হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছেন চীনা প্রেসিডেন্ট।
এই মাসে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে ফোনালাপে ইসলামাবাদকে মধ্যপ্রাচ্যে ‘মধ্যস্থতা প্রচেষ্টা জোরদার’ করার আহ্বান জানান চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই।
গত দুই সপ্তাহে বেইজিং সফর করেছেন ট্রাম্প এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও।






