দ. কোরিয়ায় বাংলাদেশি ইপিএস কর্মীদের দীর্ঘমেয়াদি ভিসার সুযোগ
- ভাষার সনদ ছাড়াই এবছরের মধ্যে করা যাবে ই-৭-৪ ভিসার জন্য আবেদন
- পরবর্তীতে ভাষার সনদ জমা দিয়ে নেয়া যাবে পরিবার

ধ. কোরিয়ায় বসবাসরত অধিকাংশ কর্মী ’ব্লু কলার’ চাকরি করে থাকেন।
দক্ষিণ কোরিয়ায় বসবাস করে প্রায় ৩০ হাজার বাংলাদেশি। এদের অধিকাংশই ই-৯ ভিসাধারী ইপিএস কর্মী। এরা সাধারণত বিভিন্ন 'ব্লু কলার জব' এর সাথে যুক্ত। দক্ষিণ কোরিয়া সরকার দিচ্ছে ভাষার শর্ত ছাড়া কর্মীদের ই-৯ ভিসাকে ই-৭-৪ ভিসায় পরিবর্তনের বিশেষ সুযোগ।
এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের মানবসম্পদ উন্নয়ন সংস্থা এইচআরডিকে। সিউলস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস এই বিজ্ঞপ্তির প্রতি বাংলাদেশি অভিবাসী কর্মীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কোরিয়ান ভাষার পরীক্ষা ছাড়াই ই-৭-৪ ভিসার জন্য আবেদন করা যাবে। ভাষা পয়েন্ট ছাড়া আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে ‘কে-পয়েন্ট ই-৭-৪’ স্কোরিং সিস্টেমে অন্তত ১৫০ পয়েন্ট থাকতে হবে। তবে পরবর্তী ভিসা নবায়নের পূর্বে ভাষা পরীক্ষার স্কোর জমা দিতে হবে। এছাড়া ভাষা যোগ্যতার সনদ জমা দেওয়ার পরই পরিবারকে দক্ষিণ কোরিয়ায় নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা যাবে।
ই-৭-৪ ভিসা আবেদনের প্রধান শর্তাবলী হলো—বিগত ১০ বছরের মধ্যে কোরিয়ায় অন্তত ৪ বছর (রাজধানী অঞ্চলের বাইরে ৩ বছর বা জনসংখ্যা হ্রাসপ্রাপ্ত এলাকায় ২ বছর) বসবাসের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বর্তমানে কর্মরত প্রতিষ্ঠানে অন্তত ১ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা ও নিয়োগকর্তার সুপারিশপত্র প্রয়োজন হবে। এছাড়া বার্ষিক বেতন সর্বনিম্ন ২৬ মিলিয়ন ওন দিয়ে অন্তত ২ বছরের ই-৭-৪ চুক্তিপত্র থাকতে হবে। সাধারণ নিয়মে ‘কে-পয়েন্ট ই-৭-৪’ পয়েন্ট সিস্টেমে ৩০০ পয়েন্টের মধ্যে অন্তত ২০০ পয়েন্ট অর্জনের শর্ত রাখা হয়েছে।
ই-৭-৪ ভিসার মাধ্যমে প্রবাসীরা কোরিয়া ত্যাগ না করেই দীর্ঘমেয়াদে বসবাস ও পরিবার নিয়ে আসার সুযোগ পাবেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য ইমিগ্রেশন কন্টাক্ট সেন্টার (১৩৪৫) অথবা এইচআরডি কোরিয়া কাউন্সেলিং সেন্টারে (১৫৭৭-০০৭১) যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য ই-৯ ভিসা দেয়া হয় অদক্ষ/নবিশ কর্মীদের সর্বোচ্চ চার বছর ১০ মাসের জন্য। অপর
দিকে ই-৭-৪ ভিসার আওতায় পড়ে দক্ষ কর্মী। এই ভিসার মেয়াদকালও বেশি।






