গরিলার নাচ, ঘাসে ঢাকা গ্যানেটের মুখ, ব্যাঙের কুস্তি...

‘ব্যাপটিজম অব অ্যান আনউইলিং কনভার্ট’ শিরোনামের ছবির জন্য গ্রেসন বেল নিকন জুনিয়র ফটোগ্রাফার অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন। একই সঙ্গে সরীসৃপ, উভচর ও পোকামাকড় বিভাগেও তিনি পুরস্কার পেয়েছেন।
হাস্যকর পশুপাখির ছবি নিয়ে প্রতি বছর আয়োজন করা হয় ‘নিকন কমেডি ওয়াইল্ডলাইফ অ্যাওয়ার্ডস’। একঝাঁক উড়ন্ত ঘাসে মুখ ঢাকা পড়ে যাওয়া এক গ্যানেট পাখির ছবি জিতে নিয়েছে এবারের ‘পিপলস চয়েস’ পুরস্কার। ৪১টি বাছাই করা ছবির মধ্যে এই ছবিটি দখল করেছে দর্শকদের ভোটের বড় একটি অংশ।
ফটোগ্রাফার অ্যালিসন টাক ক্যামেরায় বন্দী করেন ইংল্যান্ডের ইয়র্কশায়ারের এক ঝড়ো দিনের এই দৃশ্য। বাসা বানানোর মৌসুমে ঘাস মুখে নিয়ে উড়তে গিয়ে বেচারা পাখিটি পড়ে যায় বাতাসের তোড়ে। ছবির শিরোনাম হিসেবে অ্যালিসন টাক বেছে নিয়েছেন ‘এখন আমার বাসা কোন দিকে?’।
সমুদ্রের তীরের বাতাস প্রবলভাবে বইছিল সেই দিনটিতে। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ফটোগ্রাফাররা নৌকা নিয়ে সাগরে নামতে পারছিলেন না মোটেও। তবে বাতাস শেষমেশ কাজ করে ছবির পক্ষেই। বাতাসের ধাক্কায় গ্যানেট পাখিগুলো পাহাড়ের খুব কাছে চলে আসায় খুব কাছ থেকে ছবি তোলার সুযোগ পান অ্যালিসন।
পুরস্কার জেতার পর অ্যালিসন টাক ব্যক্ত করেন নিজের উচ্ছ্বাস। উচ্চ প্রশংসিত ছবির তালিকায় নাম দেখে তিনি হয়েছিলেন দারুণ উত্তেজিত। দর্শকদের ভালোবাসায় এমন একটি পুরস্কার পাওয়াকে তিনি মনে করছেন বিশাল বড় এক প্রাপ্তি। যারা তাকে ভোট দিয়েছেন, তাদের সবার প্রতি তিনি জানিয়েছেন কৃতজ্ঞতা।
এই প্রতিযোগিতার লড়াইয়ে শামিল ছিল আরও অনেক মজার ছবি। তালিকায় ছিল উসকোখুশকো চুলের এক কাঠবিড়ালি আর কান দিয়ে লুকোচুরি খেলা এক শ্রীলঙ্কান হাতি। শিকারি বাজপাখির তাড়া খেয়ে এক ধনেশ পাখির পালানোর দৃশ্যটিও কেড়েছে সবার নজর। পশুপাখিদের এমন সব কাণ্ডকারখানা সবসময়ই আনন্দ দেয় প্রকৃতিপ্রেমীদের।







