তেলের দাম ১২০ ডলার ছাড়াল
যুদ্ধ সাময়িকভাবে থামলেও ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এখনো হয়নি কোনো স্থায়ী শান্তি চুক্তি। এরমধ্যে তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর সংস্থা ওপেক থেকে বের হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে গুরুত্বপূর্ণ সদস্য সংযুক্ত আরব আমিরাত। যা এ অঞ্চলে উত্তেজনাকে করেছে দ্বিগুণ। বিশ্বের জ্বালানি তেলের বাজারে পড়েছে এর প্রভাব।
বৃহস্পতিবার সকালে এ প্রতিবেদন লেখার সময়, বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১২০ ডলার ছাড়িয়েছে। তিন শতাংশ মূলবৃদ্ধির পর অপরিশোধিত তেলের দাম গিয়ে পৌঁছেছে ১২১.৬৪ ডলারে।
অন্যদিকে বেড়েছে ডব্লিউটিআই তেলের দামও। দুই শতাংশ বেড়ে এই তেলের মূল্য হয়েছে ১০৯ ডলার।
ফেব্রুয়ারিতে ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এরপর বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের প্রাণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয় তেহরান। তখন থেকেই বাড়তে থাকে তেলের দাম। মাঝেমধ্যে তেলের দাম সামান্য কমলেও গত কয়েকদিন আবারও দাম বেড়েই চলেছে।
- ৪১ মিনিট আগে(১৬:৫৬)

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতা খামেনি।
যুক্তরাষ্ট্রবিহীন ভবিষ্যত দেখবে উপসাগরীয় দেশগুলো
যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। হরমুজ প্রণালি বিগত শতাব্দীতে বহু শয়তানের লালসা জাগিয়ে তুলেছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। এ সময় তিনি ১৬২২ সালে পর্তুগিজ সৈন্যদের বিতাড়নসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার কথা উল্লেখ করেন।
ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানিরা নিজেদের চোখে ইরানি বাহিনীর দৃঢ়তা, সতর্কতা এবং সাহসী সংগ্রামের সুন্দর বহিঃপ্রকাশ প্রত্যক্ষ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন মোজতবা।
সর্বোচ্চ নেতা দাবি করেন, ‘পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ হবে যুক্তরাষ্ট্রবিহীন একটি ভবিষ্যৎ। যা এই অঞ্চলের মানুষের অগ্রগতি, স্বাচ্ছন্দ্য এবং সমৃদ্ধির সেবায় নিয়োজিত থাকবে।’রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের প্রচার করা এক বিবৃতিতে মোজতবা খামেনি বলেছেন, এ অঞ্চলে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অভিযান ও আগ্রাসনের দুই মাস পর এবং ওয়াশিংটনের নিজস্ব পরিকল্পনায় তাদের লজ্জাজনক ব্যর্থতার পর পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হচ্ছে।’
ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা আইআরএনএ এই বার্তাটি প্রকাশ করেছে। উল্লেখ্য, ১৬২২ সালে হরমুজ প্রণালি থেকে পর্তুগিজ বাহিনীকে বিতাড়নের স্মরণে প্রতি বছর ইরানে ‘জাতীয় পারস্য উপসাগর দিবস’ পালিত হয়, সেই উপলক্ষেই এই বার্তাটি দেওয়া হয়েছে। - ৩ ঘণ্টা আগে(১৪:৩৯)

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান
হরমুজ প্রণালিতে অনিরাপত্তার জন্য দায়ী যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল : ইরান
বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম পথ হরমুজ প্রণালিতে অনিরাপত্তার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
জাতীয় পারস্য উপসাগর দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে এক বার্তায় এ অভিযোগ করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট।
ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, জলপথটি মহান ইরানি জাতির প্রতিরোধের প্রতীক।
পেজেশকিয়ানের মতে, এই জলপথের যেকোনো নিরাপত্তাহীনতার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং জায়নবাদী শাসনব্যবস্থা দায়ী।সূত্র: আলজাজিরা
- ৬ ঘণ্টা আগে(১১:৫৮)

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বুধবার ভবন ও বাড়িঘর ভেঙে ফেলার সময় ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। ছবি: সংগৃহীত
দক্ষিণ লেবাননে পানি সরবরাহ কেন্দ্রে ইসরায়েলের হামলা
যুদ্ধবিরতির মধ্যেও লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। দেশটির সেনারা এবার হামলা চালিয়েছে দক্ষিণ লেবাননের পানি সরবরাহ কেন্দ্রে।
এ তথ্য জানিয়েছে লেবাননের ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ)।
লেবাননের এ সংবাদমাধ্যম জানায়, দক্ষিণ লেবাননের বাতুলিয়েহ শহরের একটি পানি সরবরাহ কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।
প্রতিবেদনে বলা হয়, শহরে থাকা বাসিন্দারা পানির জন্য নির্ভরশীল ছিলেন ওই স্টেশনটির ওপর।
সংবাদমাধ্যমটি জানায়, আল-বায়াদে একটি পর্যটন কেন্দ্রও উড়িয়ে দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।
সূত্র: আলজাজিরা - ৭ ঘণ্টা আগে(১১:০৭)

বর্তমানে জার্মানি মার্কিন সেনাদের অন্যতম প্রধান বৈদেশিক ঘাঁটি। ছবি : সংগৃহীত
জার্মানি থেকে সেনা কমানোর চিন্তা ট্রাম্পের
দীর্ঘদিনের মিত্র দেশ জার্মানি থেকে মার্কিন সেনা কমিয়ে ফেলার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন।
ইরান যুদ্ধ নিয়ে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জের সঙ্গে মতপার্থক্যের জেরে দুই দেশের সম্পর্কের সাম্প্রতিক টানাপোড়েনের মাঝেই এমন ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, জার্মানি থেকে সেনা কমানোর বিষয়টি নিয়ে বর্তমানে পর্যালোচনা করছে তার প্রশাসন।
ট্রাম্প বলেছেন, আগামী অল্প কিছু দিনের মধ্যেই এ বিষয়ে নেওয়া হবে সিদ্ধান্ত।
মূলত ইরান ইস্যুতে জার্মান চ্যান্সেলরের সাম্প্রতিক মন্তব্যে অসন্তুষ্ট ওয়াশিংটন। ফ্রিডরিখ মার্জ বলেছিলেন, ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র দেশটির নেতৃত্বের কাছে লজ্জিত হচ্ছে। যা ভালোভাবে নেয়নি ট্রাম্প প্রশাসন।
এছাড়া ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান সংকটে জার্মানি ও ন্যাটো মিত্রদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সামরিক সহযোগিতা না পাওয়া নিয়েও ক্ষোভ রয়েছে ট্রাম্পের।
বর্তমানে জার্মানি মার্কিন সেনাদের অন্যতম প্রধান বৈদেশিক ঘাঁটি। সেখানে মোতায়েন রয়েছে প্রায় ৩৩ হাজার ৯০০ মার্কিন সেনা।
সূত্র: বিবিসি
- ৭ ঘণ্টা আগে(১০:৪৩)
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় প্রতিবন্ধকতাগুলো কী কী?
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে থমকে আছে আলোচনা। দেশ দুটি নিজেদের দাবিতে অটল থাকায় সৃষ্টি হয়েছে এ অবস্থার। এতে বেকায়দায় পড়েছে হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরশীল বিভিন্ন দেশ।
দুই দেশের মধ্যে বিরোধের কয়েকটি মূল বিষয় নিচে দেওয়া হলো :
• ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি : যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করে দিক পুরোপুরি। কিন্তু তেহরান বলছে, এ ধরনের যেকোনো নিষেধাজ্ঞা অবশ্যই হতে হবে সীমিত সময়ের জন্য।
• ইরানের ইউরেনিয়ামের মজুদ : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র নিয়ন্ত্রণ নিতে চায় ইরানের ৪০০ কেজি (৮৮০ পাউন্ড) উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদের। এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান।
• হরমুজ প্রণালী : ইরান জোর দিয়ে বলছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে অবরোধ তুলে না নেওয়া পর্যন্ত তারা এই জলপথে জাহাজ চলাচলের ওপর বজায় রাখবে নিষেধাজ্ঞা। কিন্তু ট্রাম্প বলেছেন, একটি চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে এই অবরোধ।
• জব্দ সম্পদ অবমুক্ত : যে কোনো স্থায়ী চুক্তির অংশ হিসেবে ইরানি কর্মকর্তারা চান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার। পাশাপাশি তাদের দাবি, অবমুক্ত করতে হবে ২০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের সম্পদ।
• যুদ্ধকালীন ক্ষতিপূরণ : যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতির জন্য ইরান দাবি করছে প্রায় ২৭০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ।
• ইরানের আঞ্চলিক প্রভাব : যুক্তরাষ্ট্র চায় লেবাননের হিজবুল্লাহ এবং গাজার হামাসসহ তার আঞ্চলিক মিত্রদের প্রতি তেহরানের সমর্থন সীমিত করতে। একইসঙ্গে ওয়াশিংটনের চাওয়া, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ করার।
সূত্র: আলজাজিরা - ৭ ঘণ্টা আগে(১০:১৫)
সবার নজর হরমুজ প্রণালিতে
যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের কারণে হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থা অনুভূত হচ্ছে বিশ্বজুড়ে। এটি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে বাড়িয়ে তুলেছে উদ্বেগ।
এক নজরে দেখে নিন এ প্রণালির সর্বশেষ পরিস্থিতি :
• প্রায় দুই হাজার জাহাজ এবং ২০ হাজার নাবিক প্রণালিটি পার হওয়ার অপেক্ষায় আটকা পড়েছেন উপসাগরে।
• সামুদ্রিক বিমা কোম্পানিগুলো এই পথটিকে অত্যন্ত বিপজ্জনক উল্লেখ করে গত মার্চে বাতিল করে দিয়েছে ট্যাংকারগুলোর জন্য ‘যুদ্ধ ঝুঁকি’ সংক্রান্ত বিমা পলিসি।
• এরপর যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে যে, জলপথটি থেকে নৌ-মাইন অপসারণ করতে সময় লাগতে পারে অন্তত ছয় মাস। যদিও কিছু জাহাজ হয়তো চলাচল করতে পারবে, কিন্তু বিমা সুরক্ষা না থাকায় কার্যত বন্ধ হয়ে যাচ্ছে জাহাজ চলাচল।
• আশঙ্কা করা হচ্ছে, মাইন অপসারণের পরও বেশি থাকবে বিমা খরচ। একটি স্থায়ী চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত সম্ভাবনা রয়েছে প্রিমিয়াম বেশি থাকার। - ৮ ঘণ্টা আগে(১০:০০)

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। ছবি: সংগৃহীত
ইরানের ৫০০ মিলিয়ন ডলারের ক্রিপ্টো সম্পদ জব্দ করেছে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক যুদ্ধও জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর পরিপ্রেক্ষিতে ওয়াশিংটন জব্দ করেছে তেহরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলারের ক্রিপ্টো সম্পদ।
এ তথ্য জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের অপারেশন ইকোনমিক ফিউরি তেহরান সরকারকে ফেলেছে ভয়াবহ সংকটে।’
ফক্স নিউজকে ট্রাম্প প্রশাসনের এই মন্ত্রী বলেছেন, আমরা সব জায়গায় জব্দ করছি ইরান সংশ্লিষ্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্ট।
ইরানের ভার্চুয়াল সম্পদ জব্দের কারণও ব্যাখ্যা করেছেন মার্কিন মন্ত্রী। তার ভাষ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বছরের মার্চে তাকে বলেছিলেন ইরানের ওপর বাড়াতে অর্থনৈতিক চাপ। তিন সপ্তাহ আগে আবারও ট্রাম্প তাকে বলেছেন একই কাজ করতে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র এখন বিভিন্ন দেশের সরকার ও কোম্পানিকে চাপ দিচ্ছে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য।



