ইরান-রাশিয়ার তেল কিনলেই শুল্ক
- ভারত ও চীনের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্কের আশঙ্কা, মার্কিন সিনেটে নতুন বিল

ছবি: রয়টার্স
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে দেশ দুটিতে বিরাজ করছে সংঘাত, অস্থিরতা। চলমান এ উত্তেজনার মধ্যেই রাশিয়ার জ্বালানি খাত থেকে অর্জিত আয়ে কুড়াল মারল যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল শনিবার দেশটির বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞার একটি প্যাকেজ পাস করেছে মার্কিন সিনেট। তালিকায় রয়েছে ইরানও। সিনেটে ওঠার আগে ১৯ জুলাই একই নিষেধাজ্ঞার তালিকায় ইরানের নামও রাখার আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্প। রয়টার্স।
এতে করে রাশিয়া থেকে তেল বা প্রাকৃতিক গ্যাস কেনা বিশ্বের শীর্ষ পাঁচটি দেশের ওপর শতভাগ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা অর্জন করবে ট্রাম্প প্রশাসন। সিনেটে পাস হওয়া এ পদক্ষেপে ভারত, চীনসহ রাশিয়ার তেল-গ্যাসের প্রধান ক্রেতা দেশগুলোর ওপর সৃষ্টি হলো ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের আশঙ্কা। সিনেটের রিপাবলিকান সদস্য লিন্ডসে গ্রাহাম (ইউক্রেন যুদ্ধের বড় সমর্থক) মস্কোবিরোধী এই নতুন নিষেধাজ্ঞায় জোরালো ওকালতি করেছিলেন। তবে সেটি পাস হওয়ার আগেই তিনি (১১ জুলাই) মৃত্যুবরণ করেন। তার স্মরণেই এই বিলের নামকরণ করা হয়, ‘লিন্ডসে ও. গ্রাহাম রাশিয়া-ইরান নিষেধাজ্ঞা আরোপ আইন, ২০২৬।’ সিনেটে পাস হয় ৮৬-১১ ভোটে বিলটি। কেন্টাকির র্যান্ড পল একমাত্র রিপাবলিকান, যিনি ১০ জন ডেমোক্র্যাটের সঙ্গে এই আইনের বিরোধিতা করেন। গ্রাহামের মৃত্যুর পর সিনেটে তার স্থান নিয়েছেন তার বোন, ডারলিন গ্রাহাম নোর্ডোন। নতুন এই বিলটি পাসের পর তিনি বলেছেন, ‘রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঠিক দুর্বল জায়গায় আঘাত করবে।’
গ্রাহামের পাশাপাশি এই বিল পাসের জন্য জোর চেষ্টা করেন যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাট রিচার্ড ব্লুমেনথাল। গ্রাহামের সঙ্গে মিলে এক বছরেরও বেশি সময় এই বিলটি পাসের চেষ্টা করেছেন তিনি। সিনেটে বিল পাসের পর তিনি বলেছেন, ইউক্রেনের জনগণ ‘একা নয়।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘আজ আমরা ইউক্রেনের জনগণকে বলছি, আপনারা একা নন। আর আজ আমরা ভ্লাদিমির পুতিনকে বলছি, আপনি ইউক্রেন জয় করতে পারবেন না।’




