এক সময় সম্পর্কের সমীকরণটি ছিল অনেকটাই সরল, লাতিন আমেরিকা থেকে সয়াবিন, তামা, লিথিয়াম কিংবা তেল যাবে চীনে; পাল্টা আসবে চীনা পণ্য, ঋণ আর সেতু-বন্দর তৈরির অর্থ। দুই দশক পরে সেই ছবিটা আর এত সরল নয়। বন্দর থেকে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, পঞ্চম প্রজন্মের টেলিযোগাযোগ থেকে বৈদ্যুতিক গাড়ি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থেকে পুলিশ প্রশিক্ষণ–লাতিন আমেরিকায় চীনের উপস্থিতি এখন বাণিজ্যের সীমানা ছাড়িয়ে ক্রমশ রাজনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্কের রূপ নিচ্ছে। আর নিজেদের দীর্ঘদিনের প্রভাববলয় বলে বিবেচিত এই অঞ্চলে বেইজিংয়ের এমন বিস্তার স্বাভাবি...