‘হামার বাড়ি গতবার নিয়া সাতবার ভাঙছি, যে একনা জমি ছিল তাও এলা নদীর পেটত। ধার-দেনা করি মাইষের জাগাত বাড়ি করছি। এলাতাও যদি নদী নিয়া যায় হামরা কোনটে যামো। হামরা চাই এটে সরকার বাঁধ বান্ধি দেউক।’ কথাগুলো বলছিলেন কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের রামগতি এলাকার ষাটোর্ধ্ব বাসিন্দা রাহেদা খাতুন। তিস্তার করাল গ্রাসে তিনি ভিটেমাটি হারিয়েছেন এখন পর্যন্ত সাতবার। তার কপালে গভীর চিন্তার ভাঁজ। নদীপাড়ে বসে তিনি প্রতিবেদকের কাছে জানতে চাইলেন— কবে সরকার সেখানে স্থায়ী বাঁধ দেবে? রাহেদার ভাষ্য, ‘শুনছি...