ডুলির গোলের অঙ্কে যুব দলের দুই স্ট্রাইকার

সংগৃহীত ছবি
সাফের প্রাথমিক দলে ডাক পাওয়া ২৮ ফুটবলারের মধ্যে কাল ২৩ জন যোগ দিয়েছেন আবাসিক ক্যাম্পে। ক্যাম্প শুরুর দিনেই অনূর্ধ্ব-২০ দলের রোনান রোনান সুলিভান ও মাহি খানকে নিয়ে জার্মান-আমেরিকান কোচ থমাস ডুলি বলেছেন, ‘আমাদের কোনো ভালো নাম্বার নাইন নেই। এ পজিশনে আমরা যাদের চেষ্টা করিয়েছি, সেন্ট্রাল ফরোয়ার্ড হিসেবে যে বিশেষ গুণগুলো থাকা দরকার, সেগুলো তাদের মধ্যে দেখিনি। নাম্বার নাইনের কাজ হলো বক্সে গোলরক্ষক কিংবা ডিফেন্ডারের সামনে গিয়ে প্রথম বলটি ছোঁয়া। ঠিক তখন তাকে এমন একজন বিশালদেহী ডিফেন্ডারের বিপক্ষে খেলতে হবে, যে তাকে আটকানোর জন্য হাঁটু, হাত, কনুই— সব ব্যবহার করবে। তাই তাকে এমন হতে হবে, যে শরীরে আঘাত পেতে ভয় না পায়। এ পজিশনে ঘাটতি মেটাতেই তাদের আনা হয়েছে, যা আমাদের জরুরিভিত্তিতে প্রয়োজন ছিল।’
একই সময় স্ট্রাইকার সৌরভ দেওয়ানকে নিয়ে প্রশ্নে খানিকটা বিরক্তই হলেন কোচ, ‘সে কি এখন আমাদের হয়ে সাফে খেলতে পারবে? না পারবে না। যেসব খেলোয়াড় আমাদের স্কোয়াডে আছে তাদের নিয়ে কথা বলতে চাই। বাইরে এমন অনেক খেলোয়াড়ই আছে, যারা এই মুহূর্তে আমাদের ভাবনায় নেই।’
দলে যাদের তিনি রেখেছেন তাদের ওপর শতভাগ আস্থা রাখছেন কোচ, ‘প্রত্যেক খেলোয়াড় যদি তার সেরাটা মাঠে দিতে পারে, তবে আমি বিশ্বাস করি, আমরা সাফ জিততে পারব। আমি সত্যিই মন থেকে বিশ্বাস করি। কারণ ছেলেদের ওপর আমার আস্থা আছে। জাতীয় দলের হয়ে খেলার সময়ও তারা যেন সেই স্বাভাবিক খেলাটাই খেলে। তারা যদি নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারে এবং জাতীয় দলের জন্য কঠোর পরিশ্রম করে, তবে সাফল্য সম্ভব।’



