প্রথম আন্তর্জাতিক গোল
বিশ্বকাপে না খেলার দুঃখ ভুললেন মাস্তানতুয়োনো

বুরকিনা ফাসোর বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ৭-০ গোলের দাপুটে জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। এই ম্যাচে সেলেসাও জার্সিতে নিজের প্রথম গোলটি পেয়েছেন ১৯ বছর বয়সী তরুণ ফরোয়ার্ড ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনো। তবে অভিষেকে গোল পাওয়ার আনন্দের পাশাপাশি দর্শকদের অতিরিক্ত প্রত্যাশা ও চাপ নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন এই উঠতি তারকা।
ম্যাচ শেষে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে মাস্তানতুয়োনো জানান, ‘আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে জড়াতে পেরে আমি ভীষণ খুশি। এটা আমার কাছে ভীষণ বিশেষ কিছু। আপনারা জানেন, আমি বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা পাইনি এবং সেটা সত্যিই কষ্টের ছিল। কারণ সবাই সেখানে খেলার স্বপ্ন দেখে। স্বাভাবিকভাবেই আমি হতাশ হয়েছিলাম এবং ভেবেছিলাম যে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে জড়াতে হলে আমাকে আরও কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। অবশেষে আমি গোল করতে পেরেছি এবং আমি খুবই আনন্দিত।’ মাত্র ১৬ বছর বয়সে রিভার প্লেটের হয়ে মাঠে নামার পর থেকেই তার ওপর ভক্ত-সমর্থকদের বিশাল প্রত্যাশার চাপ তৈরি হয়েছে। এই প্রসঙ্গে মাস্তানতুয়োনো বলেন, ‘সত্যি বলতে, মানুষ আমার কাছে অনেক কিছু আশা করে এবং আমি তা বুঝতে পারি। আমি জানি আমার কাছ থেকে কী কী আশা করা হয়। যখন থেকে আমি এই মাঠে পা রেখেছি, তখন থেকেই স্বাভাবিকভাবে অনেক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।’
ভক্তদের এই প্রত্যাশার চাপ নিয়ে মাস্তানতুয়োনো যোগ করেন, ‘এটা আমাকে আনন্দ দেয় এবং আমি সবসময় এর মুখোমুখি হওয়ার চেষ্টা করি। তবে আমি মানুষের ধারণার জন্য খেলি না, খেলি নিজের ও দলের জন্য। আর্জেন্টিনার মানুষের প্রত্যাশা খুব বেশি। আমরা জানি যে অতীতে অনেক কিছু ঘটেছে। অনেক সময় তারা আমার ওপর চটে যায়। তবুও আমি এটি উপভোগ করার চেষ্টা করি। অভিজ্ঞ সব খেলোয়াড়দের সাথে জাতীয় দলে থাকতে পেরে এবং তাদের পরামর্শ পাওয়াটা আমি দারুণ উপভোগ করি।’
চলতি দলবদলে ফিওরেন্তিনায় ধারে যোগ দেওয়া এই তরুণ ফরোয়ার্ড নিকো পাজের বদলি হিসেবে মাঠে নেমেই রাতের ষষ্ঠ গোলটি আদায় করে নেন। কাকতালীয়ভাবে রিভার প্লেটের জার্সিতে বোকা জুনিয়র্সের বিপক্ষে সুপার ক্লাসিকোতে তিনি যে গোলটি করেছিলেন, ঠিক একই গোলপোস্টে শট নিয়ে দেশের হয়েও গোলের খাতা খুললেন মাস্তানতুয়োনো।




