স্মার্ট বলের জাদুতে বেঁচে গেল তিউনিসিয়া

সংগৃহীত ছবি
কাতার বিশ্বকাপের সেই বহুল আলোচিত জাপান-স্পেন ম্যাচের স্মৃতি যেন আরও একবার ফিরে এল ২০২৬ বিশ্বকাপে, তিউনিসিয়া বনাম জাপান ম্যাচে। তবে এবার আর কোনো মাঠের বিতর্ক নয়, সেকেন্ডের ভগ্নাংশের মধ্যে তিউনিসিয়ার ভাগ্য নির্ধারণ করে দিল বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বলের ভেতরে বসানো বিশেষ চিপ প্রযুক্তি।
আজ রবিবার গ্রুপ ‘এফ’-এর দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে জাপান-তিউনিসিয়া। তখন প্রথমার্ধের মাত্র ৯ মিনিটের খেলা চলছে। জাপানি স্ট্রাইকার উয়েদা বক্সের ভেতর থেকে এক বুলেটগতির নিচু শট নেন। তিউনিসিয়ার গোলরক্ষক ডাহমেন ঝাপিয়ে পড়ে বলটি গ্লাভসবন্দি করেন। তখন আপাতদৃষ্টিতে মনে হচ্ছিল তিনি গোললাইনের ভেতরে গিয়ে বল ধরেছেন।
টেলিভিশন রিপ্লেতেও দেখা যায়, বলটির অবস্থান ছিল একদম লাইনের ওপর। আর মাত্র এক মিলিমিটার এদিক-ওদিক হলেই এটি নিশ্চিত গোল হতে পারত। খালি চোখে খালিদ ডাহমেনের এই সেভকে ‘গোল’ বলে মনে হওয়াটাই ছিল স্বাভাবিক। কিন্তু প্রযুক্তি নিশ্চিত করেছে যে, বলের পুরো পরিধি গোললাইন সম্পূর্ণ অতিক্রম করেনি। ফলে রেফারিও গোলের বাঁশি বাজাননি। এবারের বিশ্বকাপে ব্যবহৃত বলের ভেতরে থাকা চিপটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে গোললাইনের নিখুঁত হিসাব রাখে। এর আগে সুইডেন বনাম তিউনিসিয়া ম্যাচেও একটি গোলের বৈধতা নিশ্চিত করেছিল এই প্রযুক্তি। এবারের সূক্ষ্মতম সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ম্যাচ-পরবর্তী বড় ধরনের বিতর্ক এড়ানো গেল।
ম্যাচটিতে জাপান অবশ্য ৩ মিনিটেই দাইচি কামাদার দারুণ এক গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। এরপর ৩২ মিনিটে তারা ব্যবধান দ্বিগুণ করে। এই ম্যাচে জয় তুলে নিতে পারলে জাপানের সংগ্রহ দাঁড়াবে ৪ পয়েন্ট। সেক্ষেত্রে তারা গ্রুপ ‘এফ’-এর শীর্ষস্থান ভাগাভাগি করবে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে, যারা দিনের আগের ম্যাচে সুইডেনকে ৫-১ গোলে বিধ্বস্ত করেছে।






