আর্জেন্টিনা ম্যাচে নিজেদের নিয়মই ভাঙল ফিফা

সংগৃহীত ছবি
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচকে সামনে রেখে নিজেদেরই বাণিজ্যিক নীতিতে পরিবর্তন আনতে বাধ্য হয়েছে ফিফা। সাধারণত টুর্নামেন্টে ফিফার অনুমোদনহীন কোনো বাণিজ্যিক ব্র্যান্ডের লোগো প্রদর্শনের অনুমতি দেওয়া হয় না, যাতে অফিসিয়াল স্পন্সরদের স্বার্থ সুরক্ষিত থাকে। বিশেষ করে ফিফার অফিসিয়াল মোবিলিটি পার্টনার হুন্দাই ও কিয়ার সঙ্গে চুক্তির বিষয়টি এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আটলান্টার স্টেডিয়ামের ছাদে থাকা বিখ্যাত ‘মার্সিডিজ-বেঞ্জ’ লোগো ঢেকে রাখা সম্ভব না হওয়ায় এই নীতিতে বিশেষ ছাড় দিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
আটলান্টার স্টেডিয়ামের নকশা ও প্রকৌশলগত জটিলতার কারণে এবার নিয়মে ছাড় দিতে বাধ্য হয়েছে ফিফা। স্টেডিয়ামটির ছাদ আটটি বিশাল চলমান অংশ বা ‘পাপড়ি’ দিয়ে তৈরি। প্রতিটির ওজন প্রায় ৫০০ টন এবং দৈর্ঘ্য প্রায় ২২০ ফুট। এত বড় কাঠামোর ওপর থাকা ‘মার্সিডিজ-বেঞ্জ’ লোগো ঢেকে ফেলতে গেলে বড় ধরনের প্রকৌশলগত ঝুঁকি তৈরি হতে পারত।
স্টেডিয়ামের অপারেশনস বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যাডাম ফুলারটন আগেই বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছেন, ‘লোগো শুধু ছাদেই নয়, স্টেডিয়ামের বাইরের বিভিন্ন অংশেও রয়েছে। এগুলো ছোট নয়, বরং নকশাগতভাবেই বিশাল আকারের।‘
ফিফার ‘ক্লিন স্টেডিয়াম’ নীতিমালা অনুযায়ী, টুর্নামেন্ট চলাকালে স্টেডিয়ামের ভেতরে ও আশপাশে অনুমোদনহীন সব ধরনের বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন বা পরিচিতি সরিয়ে ফেলতে বা ঢেকে রাখতে হয়। এমনকি আকাশপথ থেকেও দৃশ্যমান ব্র্যান্ডিংয়ের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য, যদি না ফিফা লিখিতভাবে বিশেষ অনুমতি দেয়।
আটলান্টার ক্ষেত্রে স্থায়ী অবকাঠামোগত নকশার কারণে সেই নিয়ম বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। তাই নিরাপত্তা ও প্রকৌশলগত বাস্তবতা বিবেচনায় নীতি পরিবর্তন করেছে ফিফা।




