Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বিশ্বকাপ

ঋতুপর্ণার আক্ষেপ

রোনালদো আর্জেন্টাইন হলে সবচেয়ে ভালো হতো

ক্রীড়া প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ২০:৫১
রোনালদো আর্জেন্টাইন হলে সবচেয়ে ভালো হতো

সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশের নারী ফুটবলের পোস্টারগার্ল ঋতুপর্ণা চাকমা এখন আছেন মিয়ানমারে। বিশ্বকাপের মহা-আয়োজনের মাঝে লিগ খেলার পাশাপাশি অজানা মিয়ানমারকে জানার চেষ্টা করবেন আর অবশ্যই চোখ থাকবে প্রিয় আর্জেন্টিনা ও প্রিয় তারকা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোয়। আগামীর সময়ের সুদীপ্ত আনন্দ’র সঙ্গে ঋতুর দীর্ঘ আড্ডায় উঠে এসেছে সদ্য খেলা নারী সাফ, প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পাওয়া সহযোগিতা আর অবশ্যই বিশ্বকাপ—

প্রশ্ন: অনেক দিনের স্বপ্ন ছিল মাকে বাড়ি উপহার দেবেন। সেই স্বপ্ন তো পূরণের পথে। প্রধানমন্ত্রী আপনার পাশে দাঁড়িয়েছেন...

ঋতুপর্ণা: সত্যি খুব ভালো লাগছে। অনেক দিনের স্বপ্ন ছিল মাকে একটা ভালো পরিবেশে রাখব, সুন্দর একটা বাড়ি উপহার দিতে পারব। সরকারের সহায়তায় জায়গা কেনা হবে এখন। এরপর বাড়ি বানানোর বড় দায়িত্ব। প্রধানমন্ত্রী ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কাছে অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা।

প্রশ্ন: প্রতিশ্রুতি তো অনেক আগে পেয়েছিলেন?

ঋতুপর্ণা: ২০২২ সালে সাফ জেতার পরই জেলা প্রশাসন থেকে বাড়ি বানিয়ে দেওয়ার কথা বলেছিল। তা ছাড়া আরও অনেক জায়গা থেকে এ প্রতিশ্রুতি পেয়েছিলাম। বিসিবি থেকেও বলা হয়েছিল বাড়ি করে দেবে...।

প্রশ্ন: আপনার মা আর তিন বোনও নিশ্চয়ই খুব খুশি?

ঋতুপর্ণা: তা তো অবশ্যই। তবে বাবা আর ভাইটার কথা খুব মনে পড়ছে। ভাইটার কথা সবসময় মনে পড়ে। শুধু আজকের দিন না, প্রতিদিনই মনে পড়ে। ও থাকলে আমার বাবা থাকলে...। তারা অনেক খুশি হতেন।

প্রশ্ন: এবারের সাফের অভিজ্ঞতা নিয়ে বলুন?

ঋতুপর্ণা: এবারের সাফ অনেক কঠিন ছিল। দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিটি দল উন্নতি করেছে। ভারত অনেক গোছালো দল। নেপালও ভালো। ভুটান অনেক উন্নতি করেছে।

প্রশ্ন: তাহলে আমাদের কি অবনতি হলো? ঘাটতিটা আসলে কোথায়?

ঋতুপর্ণা: দেখুন, আমাদের দলে অভিজ্ঞ খেলোয়াড় অনেক কম। কয়েকজন বাদে সবাই তরুণ। আপনি যখন বড় বড় দলের সঙ্গে খেলবেন, অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হবে। আমাদের বয়সভিত্তিক দলের খেলোয়াড় বেশি। দলে গড় বয়স হয়তো ১৭-১৮। অবশ্যই নতুনরা ভালো। তাদের অনেক ভালো ভবিষ্যৎ আছে। তবে সাফের মতো বড় আসরে খেলতে অভিজ্ঞতা লাগবেই।

প্রশ্ন: শুধু অভিজ্ঞতার ঘাটতির কারণেই পারেননি?

ঋতুপর্ণা: ফুটবল খেলাটা শুরু হয় গোলকিপারের কাছ থেকে। গোলকিপার যখন জান দিয়ে খেলবে, অটোমেটিক্যালি সবাই অনুপ্রাণিত হবে। গোলকিপার ও ডিফেন্ডাররা নিজেদের কাজগুলো যদি ঠিকঠাক করতে না পারে, তখন ফরোয়ার্ডদের কাজ কঠিন হয়ে যায়। আমি দলের কাউকেই খাটো করছি না বা দোষারোপ করছি না। আসলেই আমরা অভিজ্ঞতায় পিছিয়ে ছিলাম। তা ছাড়া আমি নিজেও নিজের খেলায় সন্তুষ্ট নই। একশ ভাগের মধ্যে সত্তর ভাগ দিতে পেরেছি।

প্রশ্ন: সেমিফাইনালে অসাধারণ অলিম্পিক গোল করেছেন। এরকম গোলের জন্য তো অনেক অনুশীলন করতে হয়?

ঋতুপর্ণা: না, খুব একটা করি না, শুধু ম্যাচের আগে কয়েকটা কর্নার কিক অনুশীলন করি। আসলে আমার সবসময় চিন্তা থাকে বল হাওয়ায় বাঁক খাওয়ানোর। সবসময় হয় না, ভাগ্যক্রমে হয় যায় মাঝেমধ্যে।

প্রশ্ন: আপনার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা কে?

ঋতুপর্ণা: সাবিনা আপু। তিনি বাংলাদেশের কিংবদন্তি। আপু নারী ফুটবলের জন্য যা করেছেন, তার তুলনা নেই। যখন জাতীয় দলে আসি, তখন অনেক ছোট ছিলাম। আপুর সঙ্গে একটা ছবি তোলার জন্য কত কসরত যে করতে হয়েছিল। তার মতো একজন কিংবদন্তির মাঠ থেকে সুন্দর একটা বিদায়ের সুযোগ পাওয়া অবশ্যই উচিত।

প্রশ্ন: সাবিনা, মাসুরা, কৃষ্ণারা থাকলে কি এবারও শিরোপা জিততেন?

ঋতুপর্ণা: আমি এ ব্যাপারে কোনো কথা বলতে চাইছি না। শুধু এতটুকু বলব, সাবিনা আপুকে মাঠ থেকে সুন্দরভাবে বিদায় নিতে দেখলে ভালো লাগবে।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে বিদেশি লিগে খেলেছিলেন সাবিনা। তবে তিনি দক্ষিণ এশিয়ার গণ্ডিতেই ছিলেন। আর আপনি প্রথম নারী ফুটবলার হিসেবে দক্ষিণ এশিয়ার বাইরে খেলতে গেলেন। মিয়ানমারে লক্ষ্য কী থাকবে?

ঋতুপর্ণা: মিয়ানমারে খেলা নিয়ে খুব রোমাঞ্চিত। আমার ক্লাব (এয়াওয়াডি ইউনাইটেড) গতবারের চ্যাম্পিয়ন। ভুটানের দুটি ক্লাবের কাছ থেকে প্রস্তাব পেয়েছিলাম। মিয়ানমারের প্রস্তাব তার চেয়ে অনেক ভালো। আমি এখানে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে এসেছি। লক্ষ্যই ছিল দক্ষিণ এশিয়ার বাইরের কোনো দেশে খেলার। মিয়ানমারে পারফরম্যান্স ঠিকঠাক করতে চাই। পাশাপাশি ওখানকার পরিবেশ, নতুন মানুষজনের সঙ্গে মিশে নিজেকে সমৃদ্ধ করতে চাই। সেখানে নিশ্চয়ই ভালোমানের ফুটবলারদের সঙ্গে খেলার সুযোগ হবে। তাতে নিজের দুর্বলতার দিকগুলোও বুঝতে পারব।

প্রশ্ন: বিশ্বকাপ তো শুরু হয়ে গেছে। আপনার প্রিয় দল কে?

ঋতুপর্ণা: আর্জেন্টিনা।

প্রশ্ন: কী মনে হয়, সেমিফাইনালে যাবে কোন চার দল?

ঋতুপর্ণা: আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, পর্তুগাল আর ব্রাজিল।

প্রশ্ন: আর্জেন্টিনার সমর্থক, প্রিয় তারকা তো নিশ্চয়ই মেসি?

ঋতুপর্ণা: না। আমার প্রিয় ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। আসলে ছোটবেলা থেকেই রোনালদোকে আদর্শ হিসেবে মানি। আমি চাই ওর হাতে শিরোপা উঠুক।

প্রশ্ন: বলেন কী! আর্জেন্টিনার সমর্থক হয়ে রোনালদোর হাতে ট্রফি দেখতে চান!

ঋতুপর্ণা: কী বলব, বিষয়টা খুব গোলমেলে। রোনালদো আর্জেন্টাইন হলে সবচেয়ে ভালো হতো (হাসি)।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ঋতুপর্ণা চাকমা
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise