ভ্রমণ ক্লান্তিতে ভুগছে ইংল্যান্ড?

সংগৃহীত ছবি
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে আয়োজিত এবারের বিশ্বকাপে এক ভেন্যু থেকে আরেক ভেন্যুতে যেতে দলগুলোকে পাড়ি দিতে হয়েছে দীর্ঘ পথ। সেমিতে ফুটবলারদের পারফরম্যান্সের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে ভ্রমণজনিত ক্লান্তি। সেই হিসেবে সেমিতে ওঠা দলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভুগেছে ইংল্যান্ড, আর বেশি সুবিধা পেয়েছে ফ্রান্স।
পরিসংখ্যান বলছে, সেমিফাইনালে ওঠার পথে ইংল্যান্ডকে মোট ২০৬০০ কিলোমিটার ভ্রমণ করতে হয়েছে। কানসাস সিটিতে বেস ক্যাম্প থাকলেও সেখানে কোনো ম্যাচ খেলেনি হ্যারি কেইনের দল। ডালাস, বোস্টন, নিউ জার্সি, আটলান্টা হয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের জন্য তাদের যেতে হয়েছে মেক্সিকো সিটিতে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২২৪০ মিটার উচ্চতায় ম্যাচ খেলার পর আবার ফিরতে হয়েছে আটলান্টায়।
ভ্রমণের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে স্পেন। লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল এখন পর্যন্ত প্রায় ১৪২০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়েছে।
আর্জেন্টিনা দলের মোট ভ্রমণ ৮০২৫ কিলোমিটার। কানসাস সিটি ও মায়ামিকে কেন্দ্র করেই নিজেদের সূচি পেয়েছে লিওনেল স্কালোনির দল।
চার সেমিফাইনালিস্টের মধ্যে সবচেয়ে কম ভ্রমণ করেছে ফ্রান্স। বোস্টন, নিউ জার্সি ও ফিলাডেলফিয়ার আশপাশেই বেশিরভাগ ম্যাচ খেলায় দিদিয়ের দেশমের দলের মোট ভ্রমণ মাত্র ৫৫০০ কিলোমিটার। ইংল্যান্ডের তুলনায় যা প্রায় চার গুণ কম!
বিশ্লেষকদের মতে, ভ্রমণজনিত ক্লান্তির কারণে সেমি ও ফাইনালে খেলোয়াড়দের শারীরিক সক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই শেষ চারের আগে মাঠে লড়াইয়ের পাশাপাশি ভ্রমণের এই ধকলও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।




