ইংল্যান্ড ম্যাচের আগে চাপ নিচ্ছেন না আলভারেস

সংগৃহীত ছবি
আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচ মানেই যেন বাড়তি কিছু। সেটা যদি হয় বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল, তাহলে তো কথাই নেই! তবে আর্জেন্টিনা ফরোয়ার্ড হুলিয়ান আলভারেসের কাছে এই মহারণকে মনে হচ্ছে অন্য দশটা ম্যাচের মতোই।
ফকল্যান্ড আইল্যান্ডের যুদ্ধ, ডিয়েগো ম্যারাডোনার সেই 'হ্যান্ড অব গড' গোল কিংবা ডেভিড বেকহ্যামের সেই লাল কার্ড; দুই দল মুখোমুখি হলে উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে উঠতে বাধ্য।
ফিফাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আলভারেস বলছেন, এই ম্যাচের বাড়তি চাপ নিয়ে বেশি ভাবতে চান না তিনি, ‘আমি জানি না এটা চাপ হবে কি না, তবে আমরা সবাই যা জানি তার কারণে ম্যাচটি বিশেষ কিছু হতে যাচ্ছে, সেটা আমার মুখে বলার প্রয়োজন নেই। তবে দিনশেষে এটি শুধুই একটি খেলা।‘
আলভারেস আরও বলেন, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমরা আরেকটি বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছানো থেকে মাত্র এক ধাপ দূরে আছি। আর্জেন্টিনাকে শীর্ষে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা মাঠে আমাদের সর্বোচ্চটা দেব।‘
টমাস টুখেলের দল সম্পর্কে বিশ্লেষণ করতে গিয়ে আলভারেস বলেন, ‘ইংল্যান্ডকে খুব শক্তিশালী একটি দল বলে মনে হচ্ছে। তাদের দলে বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়রা রয়েছে, তাই তারা সেমিফাইনালে উঠেছে এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। আমরা জানি কাজটা সহজ হবে না।‘
আর্জেন্টিনার সেমিতে ওঠার যাত্রা নিয়ে আলভারেস জানালেন, ‘গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো কাগজে-কলমে সহজ মনে হতে পারত, কিন্তু মাঠে আপনাকে খেলতেই হবে। বাকি ম্যাচগুলো আমাদের জন্য খুব কঠিন ছিল; আমাদের কষ্ট করতে হয়েছে। তবে আমাদের এই দলটির সবকিছুই আছে, এটি যেকোনো পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নিতে জানে এবং আমরা শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছি। দলের ভেতরের প্রতিযোগিতা অত্যন্ত তীব্র; আমরা সবাই এই জার্সির জন্য আমাদের সেরাটা দিতে চাই। এটাও জানি, প্রতিটি ম্যাচে আমাদের সবটুকু দিয়ে উজার করে খেলতে হবে।‘
লিওনেল মেসির সাথে খেলার অনুভূতি কেমন, সেটাও জানালেন আলভারেস, ‘আমি ছোটবেলা থেকে তাকে খেলতে দেখে বড় হয়েছি, তিনি আমার এবং আমার ভাইয়ের আদর্শ। আর আজ তার সাথে খেলা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাওয়া, আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন করা, তার পাশে থাকা এবং সাহায্য করতে পারাটা যেন একটি স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো।‘




