- ১০ মিনিট আগে(০২:০৫)

আলভারেসের শট রুখে দিলেন পিকফোর্ড
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই (৪৭ মিনিটে) ইংলিশ রক্ষণে কাঁপন ধরিয়েছিলেন হুলিয়ান আলভারেস। প্রতি-আক্রমণে বক্সে ঢুকে ডানপায়ের জোড়ালো শট নিয়েছিলেন। তবে ইংলিশ কিপার ছিলেন প্রস্তুত, সেই শট রুখে দেন। ফিরতি বল পেয়ে আবারও চেষ্টা করেছিলেন আলভারেস, তবে এবার এক ডিফেন্ডার ব্লক করেন।
- ২২ মিনিট আগে(০১:৫৩)
দ্বিতীয়ার্ধ কী অন্যরকম হবে?
ফুটবল ম্যাচের প্রথমার্ধে ফুটবলটা কমই হয়েছে। দু'দল সতর্ক থেকে বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের পায়ে রাখতে চেয়েছে। মাত্রই শুরু হওয়া দ্বিতীয়ার্ধ কী অন্যরকম হবে?
- এক ঘণ্টা আগে(০১:০০)

গোল বিহীন প্রথমার্ধ
কোন ঝুকি নয়। সতর্ক থেকে প্রথমার্ধ শেষ করেছে দু'দল। ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণ করেছে আর্জেন্টিনা। বল পজেশনেই বেশি ঝোক ছিল তাদের। যদিও বল দখলের লড়াইয়ে হয়েছে ফাউলের ছড়াছড়ি। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাউলের বাঁশি বেজেছে ১২বার। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সাতবার। বল দখল সেভাবে রাখতে পারেনি ইংলিশরা। প্রথমার্ধে দু'একবার আর্জেন্টিনা চেয়েছে গোছালো আক্রমণে ইংলিশ রক্ষণে ফাটল ধরাতে। মেসির একটি জোড়ালো শট ব্লক হয় রক্ষণে। এনসো ফের্নান্দেস দূরপাল্লার শটে চেয়েছিলেন ইংল্যান্ড কিপারন পিকফোর্ডের পরীক্ষা নিতে। তবে তার শট বার উচিয়ে বাইরে যায়।
আগুনে লড়াইয়ের আঁচটা ভালোভাবে পাওয়া গেছে। এক-দু'বার নিজেদের মধ্যে বাকবিতন্ডায়ও জড়িয়েছিলেন দু'দলের ফুটবলাররা। সুবাদে দুই দলের দু'জনকে দেখতে হয়েছে হলুদ কার্ডও।
- এক ঘণ্টা আগে(০০:৫৬)

আটলান্টায় বাজল শুরুর বাঁশি
বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে বর্তমান বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও ১৯৬৬ বিশ্বকাপজয়ী ইংল্যান্ড।
ফাইনালের মঞ্চে স্পেনের মুখোমুখি হওয়ার লড়াইয়ে নামছে দুই মহাদেশের দুই ফুটবল জায়ান্ট।
- ২ ঘণ্টা আগে(০০:২২)

বিশ্বকাপে মুখোমুখি লড়াই
আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ডের ফুটবল বৈরীতা অনেক পুরানো। যখনই দু’দল মুখোমুখি হয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে যায় ভূ-রাজনীতি, সামাজিক এবং আবেগ। নাটকীয় লাল কার্ড, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং মাঠের অসাধারণ নৈপুণ্যের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা এই দ্বৈরথ বিশ্বকাপকে উপহার দিয়েছে ইতিহাসের কিছু অবিস্মরণীয় মুহূর্ত।
যদিও আর্জেন্টিনা এমন কিছু ম্যাচ জিতেছে যা ইংলিশ ফুটবলে গভীর ক্ষত তৈরি করেছে, তবে বিশ্বকাপে সামগ্রিক মুখোমুখি লড়াইয়ে ইংল্যান্ডই এগিয়ে। তাদের ৩ জয়ের বিপরীতে আর্জেন্টিনার জিতেছে ২টিতে (যার একটি টাইব্রেকারে জয়)।
১৯৬৬ বিশ্বকাপ
শতাব্দীর সেরা ডাকাতি: ওয়েম্বলির কোয়ার্টার-ফাইনাল থেকেই মূলত এই দুই দলের মধ্যকার শত্রুতার শুরু। আর্জেন্টিনার অধিনায়ক আন্তোনিও রাতিনকে মাঠ থেকে বের করে দেন একজন জার্মান রেফারি, অথচ রাতিন জার্মান ভাষাই জানতেন না! রাতিন মাঠ ছাড়তে অস্বীকৃতি জানিয়ে প্রায় আট মিনিট দাঁড়িয়ে থাকেন এবং একপর্যায়ে রাজকীয় লাল গালিচায় বসে পড়েন। ইংল্যান্ড ম্যাচটি ১-০ গোলে জিতলেও, আর্জেন্টিনায় এই ম্যাচটিকে এখনও El Robo del Siglo বা "শতাব্দীর সেরা ডাকাতি" হিসেবে স্মরণ করা হয়।
১৯৮৬ বিশ্বকাপ
‘হ্যান্ড অব গড’ (ঈশ্বরের হাত): ফকল্যান্ড যুদ্ধের আবহে ১৯৮৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনাল ম্যাচটি ছিল চরম রাজনৈতিক উত্তেজনাপূর্ণ। ম্যাচের পুরো আলো কেড়ে নেন ডিয়েগো ম্যারাডোনা, তার দুটি বিখ্যাত গোলের মাধ্যমে।
যার একটি ইংলিশ গোলরক্ষক পিটার শিলটনের মাথার ওপর দিয়ে হাত দিয়ে বল জালে ঠেলে দেন ম্যারাডোনা। পরবর্তীতে তিনি রসিকতা করে বলেছিলেন, গোলটি হয়েছিল ‘কিছুটা ম্যারাডোনার মাথা আর কিছুটা ঈশ্বরের হাতের ছোঁয়ায়।’
শতাব্দীর সেরা গোল: প্রথম গোলের মাত্র চার মিনিট পর, নিজেদের অর্ধে বল পেয়ে ম্যারাডোনা একে একে পাঁচজন ইংলিশ ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষক শিলটনকে কাটিয়ে বল জালে জড়ান, যা ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের সেরা গোল হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
১৯৯৮ বিশ্বকাপ
বেকহামের লালকার্ড: রোমাঞ্চকর ২-২ সমতার ম্যাচটি এক নাটকীয় মোড় নেয় যখন দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ডিয়েগো সিমিওনেকে লাথি মেরে লাল কার্ড দেখেন তরুণ ডেভিড বেকহাম। ১০ জনের দল নিয়ে ইংল্যান্ড বীরত্বের সাথে লড়াই করলেও টাইব্রেকারে হেরে যায়। দেশে ফিরে বেকহামকে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের তীব্র রোষানলে পড়তে হয়েছিল।
বিশ্বকাপে মুখোমুখি
সাল পর্ব জয়ী ফল
১৯৬২ গ্রুপ ইংল্যান্ড ৩-১
১৯৬৬ কোয়ার্টার ইংল্যান্ড ১-০
১৯৮৬ কোয়ার্টার আর্জেন্টিনা ২-১
১৯৯৮ শেষ ১৬ আর্জেন্টনা ২ (৪)- ২ (৩)
২০০২ গ্রুপ ইংল্যান্ড ১-০
- ২ ঘণ্টা আগে(০০:২১)
মেসিকে নিয়ে যা বলেছেন ইংল্যান্ড কোচ থমাস টুখেল
‘এটা অবিশ্বাস্য—তার এই পথচলা, টুর্নামেন্ট, যেভাবে তিনি এই দলটাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন—তা বর্ণনা করার মতো কোনো ভাষা নেই। এই টুর্নামেন্টে তিনি যে কীর্তি, গুণমান ও দায়িত্বশীলতা প্রদর্শন করছেন, তা অনন্য। তিনি একজন সত্যিকারের নেতা। তিনি যে দলের হয়েই খেলুন না কেন, তিনিই সেখানকার প্রধান খেলোয়াড়, আর এই আর্জেন্টিনা দলে তো তা নিশ্চিতভাবেই সত্য। এই টুর্নামেন্টের ফুটবলে তাদের বোঝাপড়া ও অভিজ্ঞতা স্পষ্ট দেখতে পাবেন। তারা মাঠের মাঝখানে খেলতে ভালোবাসে, ছোট ছোট পাসে খেলতে পছন্দ করে এবং ফাঁকা জায়গা খোঁজে। একবার মেসির পায়ে বল গেলেই বাকিদের মুভমেন্ট শুরু হয়ে যায়। মেসির বল বাড়ানোর টেকনিক্যাল ক্ষমতা একেবারে সর্বোচ্চ স্তরের।’
- ২ ঘণ্টা আগে(০০:১৮)
মেসি ‘ঘুমালে’ই ইংলিশদের স্বস্তি
মেসিকে ‘ঘুম পাড়িয়ে রাখা’ বা নিষ্ক্রিয় করে রাখার কথা বলেছেন ইংল্যান্ড ও চেলসির সাবেক মিডফিল্ডার জো কোল। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ইংল্যান্ড। এ ম্যাচের আগে জনপ্রিয় ফুটবল পডকাস্ট ‘The Rest Is Football’—এ গ্যারি লিনেকার, অ্যালান শিয়ারার ও মিকাহ রিচার্ডসের সঙ্গে আলাপকালে জো কোল এই মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ‘আমাদের মেসিকে ঘুম পাড়িয়ে রাখতে হবে। আমরা তাকে শতভাগ নিষ্ক্রিয় করে দেবো।’
সহ-আলোচক মিকাহ রিচার্ডস যখন তাকে সতর্ক করে বলেন যে এত বড় কথা ম্যাচ শেষ হওয়ার ২ মিনিট আগে বলা মানায়, তখন জো কোল নিজের দাবিতে অনড় থেকে বলেন যে আর্জেন্টিনার শক্তির বিপরীতে লড়াই করার মতো গতি ইংল্যান্ড দলের রয়েছে এবং ইংল্যান্ডই ফাইনালে যাবে— এটি তিনি মন থেকে বিশ্বাস করেন।
- ২ ঘণ্টা আগে(০০:১৭)

মেসির সামনে যেসব রেকর্ডের হাতছানি
আজ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মহাগুরুত্বপূর্ণ সেমিফাইনালে লিওনেল মেসির সামনে শুধু ফাইনালের টিকিটই নয়, বেশ কয়েকটি নতুন কীর্তি গড়ার এবং নিজের পুরনো রেকর্ডগুলোকে আরও উঁচুতে নিয়ে যাওয়ার হাতছানি রয়েছে।
চলতি বিশ্বকাপে আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে হ্যাটট্রিক দিয়ে যাত্রা শুরু করা ৩৯ বছর বয়সী মেসি আজ যেসকল রেকর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন—
১. বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডকে ছাড়িয়ে যাওয়া
বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোলের অল-টাইম রেকর্ড স্পর্শ করেছিলেন মেসি। এরপর টুর্নামেন্ট যত এগিয়েছে, মেসির গোল সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১-এ। আজ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে গোল পেলে তিনি বিশ্বকাপ ইতিহাসে নিজের সর্বোচ্চ গোলের এই রেকর্ডটিকে আরও মজবুত করবেন এবং চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী কিলিয়ান এমবাপ্পের (২০ গোল) চেয়ে ব্যবধান বাড়াতে পারবেন।
২. এককভাবে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টের রেকর্ড সুসংহত করা
সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার-ফাইনাল ম্যাচে চমৎকার একটি অ্যাসিস্ট করে বিশ্বকাপে নিজের মোট অ্যাসিস্ট সংখ্যা ১০-এ নিয়ে গেছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক। এর মাধ্যমে ডিয়েগো ম্যারাডোনা ও পেলের মতো কিংবদন্তিদের পেছনে ফেলে তিনি এখন বিশ্বকাপের ইতিহাসের এককভাবে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টদাতা। আজ আরেকটি অ্যাসিস্ট পেলে এই রেকর্ডটিও নতুন মাত্রা পাবে।
৩. সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড (৩৩তম ম্যাচ)
ইতিমধ্যেই বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার বিশ্বরেকর্ডটি মেসির নিজের দখলে। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার-ফাইনালে তিনি ৩২তম ম্যাচ খেলেছিলেন। আজ থমাস টুখেলের ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামার সাথে সাথেই প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপে ৩৩টি ম্যাচ খেলার অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করবেন তিনি।
৪. গোল্ডেন বুটের একক আধিপত্য
চলতি ২০২৬ বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ৮টি গোল করে টুর্নামেন্টের গোল্ডেন বুট জয়ের দৌড়ে সবার সামনে আছেন মেসি। তাঁর ঠিক পেছনেই আছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে ও নরওয়ের আর্লিং হালান্ড (উভয়েই ৭ গোল করে)। আজ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জালের দেখা পেলে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে আরও একধাপ এগিয়ে যাবেন তিনি।
৫. ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ
পুরো ক্যারিয়ারে অবিশ্বাস্য সব প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হলেও, মেসি আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে এই প্রথমবার ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামছেন। ফলে থ্রি লায়ন্সের বিপক্ষে নিজের অভিষেক ম্যাচেই গোল করে একটি স্মরণীয় কীর্তি গড়ার দারুণ সুযোগ রয়েছে ফুটবল জাদুকরের সামনে।
- ২ ঘণ্টা আগে(২৩:৫৫)

আর্জেন্টিনার একাদশে দে পলের জায়গায় সিমিওনে
কোয়ার্টার ফাইনালের পর থেকেই গুঞ্জনটা ওড়াওড়ি করছিল। অবশেষে সেটিই সত্যি হলো। আর্জেন্টিনার একাদশে জায়গা হারালেন রোদ্রিগো দে পল। এই মিডফিল্ডারের জায়গায় লিওনেল স্কালোনি রেখেছেন জুলিয়ানো সিমিওনেকে।
আর্জেন্টিনা একাদশ: এমিলিয়ানো মার্তিনেস; নিকোলাস তাগিয়াফিকো, লিসান্দ্রো মার্তিনেস, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, নাহুয়েল মোলিনা; লিয়ান্দ্রো পারেদেস, আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টার, এনসো ফের্নান্দেস; হুলিয়ান আলভারেস, লিওনেল মেসি, জুলিয়ানো সিমিওনে।
ইংল্যান্ডের একাদশে তিন পরিবর্তন
ইংল্যান্ড কোচ থমাস টুখেল তিনটি পরিবর্তন এনেছেন একাদশে। কোয়ার্টার ফাইনালের একাদশ থেকে বাদ পড়েছেন এজরি কোনসা, নিকো ও’রেইলি ও নোনি মাদুয়েকে। তাদের জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন রিস জেমস, জেড স্পেন্স ও মরগান রজার্স।
ইংল্যান্ড একাদশ: জর্ডান পিকফোর্ড; জন স্টোনস, মার্ক গুয়েহি, রিস জেমস, জেড স্পেন্স; ডেকলান রাইস, এলিয়ট অ্যান্ডারসন, জুড বেলিংহাম, মরগান রজার্স; হ্যারি কেইন, অ্যান্থনি গর্ডন।
ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড
বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড। বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় ম্যাচটি আটলান্টা স্টেডিয়ামে।




