এক দিনে দুই দেশের স্টেডিয়ামে ইনফান্তিনো!

সংগৃহীত ছবি
৪৮ দল, ১০৪টি ম্যাচ। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এত লম্বা টুর্নামেন্ট আগে কখনোই দেখা যায়নি। প্রায় প্রতিদিনই হচ্ছে চারটি করে ম্যাচ। টিভিতে সবগুলো খেলা দেখতেই যেখানে হিমশিম খাচ্ছেন দর্শক, সেখানে একের পর এক ম্যাচ মাঠে বসে উপভোগ করে আলোচনায় এসেছেন ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো!
ইনফান্তিনো মাঠে বসে প্রতিদিন অন্তত দুটি করে খেলা দেখছেন। এজন্য তাকে পাড়ি দিতে হচ্ছে এক দেশ থেকে আরেক দেশে, কখনো একই দেশের এক অঙ্গরাজ্য থেকে অন্য অঙ্গরাজ্যে। কিন্তু দুই ম্যাচের মধ্যে বিরতি মাত্র এক ঘণ্টা, ফিফা সভাপতি এই সময়ে দুই ম্যাচের গ্যালারিতে উপস্থিত হচ্ছেন কীভাবে?
১৯ জুন বিকেলে কানাডার ভ্যানকুভারে বসে ইনফান্তিনো দেখছেন কানাডা-কাতার ম্যাচ। আবার সন্ধ্যায় মেক্সিকোর গুয়াদালাহারা পৌঁছে গিয়েছেন মেক্সিকো-দক্ষিণ কোরিয়ার ম্যাচে। ৩ ঘণ্টার ব্যবধানে হওয়া দুই ম্যাচ দেখতে ৪ হাজার ৪২০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়েছেন ফিফা সভাপতি!
২০ জুনও একই ঘটনা। ইনফান্তিনো ফিলাডেলফিয়ায় উপস্থিত ছিলেন ব্রাজিল-হাইতি ম্যাচ দেখতে। এর ঠিক দেড় ঘণ্টা আগে বোস্টনে হওয়া স্কটল্যান্ড-মরক্কো ম্যাচেও দেখা গেছে তাকে।
২১ জুন ইনফান্তিনো নেদারল্যান্ডস–সুইডেন ম্যাচ দেখেছেন হিউস্টনে। সেখান থেকে উড়ে গেছেন মেক্সিকোর মন্তেরেইয়ে জাপান–তিউনিসিয়া ম্যাচে।
ইনফান্তিনো পুরো উত্তর আমেরিকা চষে বেড়াচ্ছেন কাতার এয়ারওয়েজের সৌজন্যে। বিশ্বকাপের আগে কাতারি বিমান কোম্পানির সঙ্গে ফিফার চুক্তি হয়েছে, শুধু সভাপতির যাওয়া–আসার জন্য বিশেষ বিমানের ব্যবস্থা করতে।
গত কাতার বিশ্বকাপেও দেখা গিয়েছিল একই ঘটনা। ইনফান্তিনো প্রায় প্রতিটি ম্যাচই মাঠে বসে দেখেছিলেন। সেবার অবশ্য বিশ্বকাপের মাঠগুলোর মধ্যে এত দূরত্ব ছিল না, প্রতিটি মাঠই ছিল প্রায় ৭৫ কিলোমিটারের মধ্যে।
এবারের বিশ্বকাপ শেষ মোট কত হাজার কিলোমিটার ভ্রমণ করেছেন ইনফান্তিনো, সেটার হিসাবও নিশ্চয়ই খুঁজে বের করা হবে!




