সত্যিই কি তিনি হিগুয়েন?

গঞ্জালো হিগুয়েনের এই ছবিটিই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।
মাঠের সেই সুঠামদেহী গঞ্জালো হিগুয়েন আর মায়ামির ক্রীড়াসামগ্রীর দোকানে দেখা যাওয়া এই ব্যক্তি কি একই মানুষ? সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ছবি এখন ফুটবল বিশ্বে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। শুধু হিগুয়েনের আমূল পরিবর্তনই নয়, নেটিজেনদের একাংশ এখন প্রশ্ন তুলছেন- ছবিটি কি আদৌ আসল?
ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা যাচ্ছে, স্লিভলেস টি-শার্ট ও ঢিলেঢালা পোশাকে দাঁড়িয়ে আছেন এক ব্যক্তি। গালভর্তি জঙ্গলসম দাড়ি আর মাথায় চুল কম। সব মিলিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ বা জুভেন্টাসের সেই চেনা ‘পিপিতা’র সঙ্গে ছবির ব্যক্তির মিল খুঁজে পাওয়া ভার। রিভার প্লেট, নাপোলি বা চেলসির হয়ে গোলমেশিন হিসেবে পরিচিত এই তারকার এমন অগোছালো রূপ দেখে অনেকেই হতবাক।
তবে বিতর্কের মোড় ঘুরেছে অন্য দিকে। কেউ কেউ ছবির লাইটিং এবং অ্যাঙ্গেল দেখে দাবি করছেন, এটি হয়তো এডিট করা বা বিকৃত করা কোনো ছবি। আবার অন্য পক্ষের মতে, পেশাদার ফুটবলের চরম শৃঙ্খলাবদ্ধ জীবন ছেড়ে অবসরের পর একজন মানুষ এমন স্বাভাবিক ও আটপৌরে জীবন বেছে নিতেই পারেন। সুতরাং এটা হিগুয়েইন হলেও আশ্চর্য হওয়ার কিছু থাকবে না। হিগুয়েনের লুক নিয়ে ইন্টারনেটে ঝড় ওঠা এবারই প্রথম নয়। ২০২১ সালে যখন তিনি ইন্টার মায়ামিতে খেলতেন, তখনও তার লম্বা দাড়ি এবং মাথার চুল কমে যাওয়া নিয়ে প্রচুর ট্রল ও মিম তৈরি হয়েছিল। এবার যেন সেই ঘটনারই পুনরাবৃত্তি ঘটল। ২০২২ সালে বুট তুলে রাখার পর থেকে হিগুয়েন প্রচারের আড়ালে থাকতেই পছন্দ করেছেন, যা এই রহস্যকে আরও ঘনীভূত করেছে। একটা সময় হিগুয়েনকে নিয়ে আলোচনা হতো তার গোল করার দক্ষতা, বড় ম্যাচে গোল মিস করা কিংবা আর্জেন্টিনা দলে তার ভূমিকা নিয়ে। কিন্তু এখনকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচনা কেবল তার বাহ্যিক রূপ নিয়ে। মায়ামির সেই দোকানে দেখা যাওয়া মানুষটিই কি ৩৩০-এর বেশি ক্যারিয়ার গোলের মালিক? না কি এটি কেবলই ইন্টারনেটের কোনো মায়াজাল? সেই রহস্যের সুরাহা না হলেও, হিগুয়েন আবারও প্রমাণ করলেন যে মাঠের বাইরে থেকেও তিনি সমানভাবে চর্চিত।






