১৪ অভিযোগে আরও বিপদে বসুন্ধরা কিংস

সংগৃহীত ছবি
এতদিন ফিফার দলবদল নিষেধাজ্ঞার তালিকায় ক্লাবটির নামের পাশে ছিল ১২ অভিযোগ। এবার বিপদ আরও বাড়ল বসুন্ধরা কিংসের। দুটি অভিযোগ বেড়ে এখন সেটা দাঁড়িয়েছে ১৪তে।
বসুন্ধরার মতো একই সংকটে পড়েছে আবাহনী লিমিটেড ও ফকিরেরপুল ইয়ংমেনসও। আবাহনীর বিরুদ্ধে থাকা তিনটি নিষেধাজ্ঞার মধ্যে দুটি এরই মধ্যে প্রত্যাহার হয়েছে। অবশ্য নতুন মৌসুমে খেলার আশা ছাড়েনি আবাহনী।
মূলত খেলোয়াড় ও কোচদের বকেয়া পারিশ্রমিক পরিশোধ না করায় এসব নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছে ক্লাবগুলো। বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে প্রথম নিষেধাজ্ঞা আসে গত বছরের ২৭ আগস্ট। এরপর বিভিন্ন অভিযোগে ক্লাবটির ওপর আরও ১৩টি নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
আবাহনীর বহাল থাকা একমাত্র নিষেধাজ্ঞাটি গত বছরের ২১ নভেম্বরের। আর ফকিরেরপুল ইয়ংমেনসের দুটি নিষেধাজ্ঞা চলতি বছরের ২৪ ও ২৭ মার্চের।
ফিফার দলবদল নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকলে সংশ্লিষ্ট ক্লাব নতুন খেলোয়াড় নিবন্ধন করাতে পারে না। একই সঙ্গে ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ক্লাব লাইসেন্স পাওয়াও অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।
নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মূল উপায় হলো অভিযোগকারী খেলোয়াড়, কোচ বা এজেন্টের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছে বকেয়া অর্থ পরিশোধ করা। কোনো জরিমানা থাকলে সেটিও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ করা। এরপর অর্থ পরিশোধ ও সমঝোতার প্রমাণ ফিফায় জমা দিলে ডিসিপ্লিনারি বিভাগ নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়।
২১ আগস্ট চ্যালেঞ্জ কাপ দিয়ে শুরু হওয়ার কথা নতুন ঘরোয়া ফুটবল মৌসুমের। এরপর ২৪ আগস্ট মাঠে গড়ানোর কথা ফেডারেশন কাপের। আর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের প্রথম রাউন্ড শুরু ২৮ আগস্ট। নিষেধাজ্ঞা ও লাইসেন্সিং জটিলতা কাটিয়ে ক্লাবগুলো শেষ পর্যন্ত কীভাবে মৌসুমে নামবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।




