২০০ দিন পর শীর্ষস্থান হারাল আর্সেনাল, সিংহাসনে সিটি

হলান্ডের গোলে শীর্ষে ফিরেছে সিটি। ছবি: সংগৃহীত
আক্রমণ, আক্রমণ আর আক্রমণ। বার্নলির মাঠে প্রথম মিনিট থেকেই আক্রমণের ঢেউ তুলেছিল ম্যানচেস্টার সিটি। শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের স্বস্তির জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পেপ গার্দিওলার দল।
এই জয়ে প্রিমিয়ার লিগে শীর্ষে উঠে এলো সিটি। সপ্তম রাউন্ড থেকে টানা ২০০ দিন শীর্ষে ছিল আর্সেনাল। সেই সিংহাসন এখন সিটির।
৩৩ ম্যাচে ২১ জয় ও সাত ড্রয়ে ৭০ পয়েন্ট সিটির। তাদের সমান পয়েন্ট আর্সেনালেরও। এমনকি দুই দলেরই গোল ব্যবধান সমান ৩৭। তবে বেশি গোল করায় এক নম্বরের মুকুট সিটির। গার্দিওলার দল গোল করেছে ৬৬টি, আর্সেনাল ৬৩টি।
পঞ্চম মিনিটে আর্লিং হলান্ডের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল সিটি। জেরেমি ডোকুর থ্রু-পাস ধরে, গতিতে প্রতিপক্ষের দুজনকে পেছনে ফেলে ডি-বক্সে ঢুকে বল জালে জড়ান তিনি।
এবারের লিগে এটা তার ২৪তম গোল। সব প্রতিযোগিতা মলিয়ে ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে গোল করলেন ৪৮টি।
ম্যাচজুড়ে বার্নলির পোস্টে গোলের জন্য ২৮টা শট নিয়েছিল সিটি। মিস হয় এর ২৭টিই। হলান্ডের একটি শট ফিরেছিল পোস্টে লেগে। এত বেশি গোল মিস করায় হতাশ কি না, জানতে চাইলে গার্দিওলা বলেছেন, ‘হতাশ হব কেন। আমরা ম্যাচ জিতেছি আর শীর্ষে ফিরেছি। এর চেয়ে বেশি গোল পেতে পারতাম, তবে অবশ্যই আমি খুশি।’
মিডফিল্ডার বের্নার্দো সিলভার সিটির হয়ে জিতেছেন সবচেয়ে বেশি ২১৫ প্রিমিয়ার লিগ ম্যাচ। ২১৪ জয় নিয়ে এতদিন তিনি যৌথভাবে শীর্ষে ছিলেন ডেভিড সিলভার সঙ্গে।
আগের তিন মৌসুমের দুটিতেই শেষ মুহূর্তে খেই হারিয়ে সিটির কাছে শিরোপা হাতছাড়া করেছে আর্সেনাল। এবার অবশ্য এখনও সুযোগ শেষ হয়ে যায়নি মিকেল আর্তেতার দলের।
লিগে দুই দলের ৫টি করে ম্যাচ বাকি। এই পাঁচ ম্যাচে হতে পারে যেকোনো কিছু। তবে পরিসংখ্যান বলছে অন্তত ৩৩ ম্যাচ খেলার পর শীর্ষে উঠে কখনোই শিরোপা হাতছাড়া করেনি সিটি।

