আবার শুরু ম্যারাডোনার ‘অস্বাভাবিক’ মৃত্যুর বিচার

ম্যারাডোনার মৃত্যুর বিচার শুরু হয়েছে আবার। ছবি: সংগৃহীত
২০২০ সালের নভেম্বরে মারা গিয়েছিলেন সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার ডিয়েগো ম্যারাডোনা। পাঁচ বছর কেটে গেলেও তার মৃত্যুরহস্যের এখনও সমাধান হয়নি। সত্যিই কি অসুস্থতার জন্য ‘স্বাভাবিক’ মৃত্যু হয়েছিল তার? নাকি চিকিৎসকদের অবহেলার জন্য চলে যেতে হয়েছিল অকালে?
এই উত্তরের খোঁজে শুরু হওয়া বিচার প্রক্রিয়া একবার ভেস্তে গিয়েছিল। এক বছর পর আজ আবার সান ইসিদ্রোতে নতুন করে ম্যারাডোনার মৃত্যুরহস্যের বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের পর সুস্থ হয়ে ওঠার সময় বুয়েনস আইরেসের শহরতলি টিগ্রেতে মৃত্যু হয়েছিল ম্যারাডোনার। চিকিৎসকদের মতে, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়া ও ফুসফুসে পানি জমা এই মৃত্যুর কারণ।
তবে এটা মানতে পারেনি ম্যারাডোনার পরিবার। তার চিকিৎসায় থাকা সাত সদস্যের মেডিক্যাল দলের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ আনা হয়। প্রসিকিউটরদের দাবি, তার চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের সময় গুরুতর অবহেলা করা হয়েছিল।
২০২৫ সালের মে মাসে জানা যায়, এই মামলার অন্যতম বিচারক জুলিয়েতা মাকিনতাচ নিজেই ম্যারাডোনার মৃত্যু নিয়ে একটি তথ্যচিত্রে যুক্ত ছিলেন। তাই প্রশ্ন ওঠে বিচারের স্বচ্ছতা নিয়ে। বাতিল করা হয় বিচার প্রক্রিয়া। অভিশংসিত করা হয় সেই বিচারককে।
এক বছর বন্ধ থাকার পর আবারও শুরু হলো বিচার প্রক্রিয়া, যা চলতে পারে জুলাই পর্যন্ত। নতুন করে এই মামলায় প্রায় ১২০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হবে। ডাক্তার-নার্স-সহ যে সাত জনের বিরুদ্ধে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হত্যার’ অভিযোগ আনা হয়েছে, দোষী প্রমাণিত হলে ৮ থেকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড হবে তাদের।

