মেক্সিকোতে খেলার সুযোগ পেলেই বিশ্বকাপে যাবে ইরান

সংগৃহীত ছবি
বাছাইপর্ব পেরিয়ে বিশ্বকাপের টিকিট পাওয়ার পর থেকেই তাদের অংশগ্রহণ নিয়ে দেখা দিয়েছে জটিলতা। ইরান কি শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপ বয়কট করবে, এমন প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে ফুটবল ভক্তদের মনে। বিশ্বকাপের আর অল্প কিছুদিন বাকি। এমন সময়ে এসেও ইরানের ক্রীড়ামন্ত্রী আহমেদ দোনিয়ামালি বলেছেন, তাদের ম্যাচগুলো মেক্সিকোতে সরিয়ে নিলে এখনো এই টুর্নামেন্টে খেলতে রাজি তারা।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে টালমাটাল পুরো বিশ্ব। এর প্রভাব পড়েছে আসন্ন বিশ্বকাপেও। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র দ্বন্দ্বে শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ থেকে সরে যাবে কিনা ইরান, সে নিয়েই জেগেছে শঙ্কা।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তো কিছুদিন আগে বলেই দিয়েছিলেন, নিরাপত্তার শঙ্কার কথা মাথায় রেখে স্বেচ্ছায় বিশ্বকাপ থেকে সরে আসা উচিত ইরানের। এর আগে অবশ্য ইরানের ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকেও জানানো হয়েছিল, মেক্সিকোতে তাদের গ্রুপ পর্বের সবগুলো ম্যাচ সরিয়ে নিলেই কেবল জুন-জুলাইয়ে অনুষ্ঠেয় এই টুর্নামেন্টে অংশ নেবে তারা।
ফিফা অবশ্য সাফ জানিয়ে দিয়েছে, শেষ মুহূর্তে এসে কোন ম্যাচের ভেন্যু বদলাতে রাজি নয় তারা। ফিফার এমন ঘোষণার পর আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়ে ইরানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ।
ইরানের সংবাদমাধ্যম আনাদলুকে দেশটির ক্রীড়ামন্ত্রী আহমেদ দোনিয়ামালি জানিয়েছেন, ‘গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো মেক্সিকোতে সরিয়ে নেওয়ার কোন বিকল্প নেই, ‘আমরা ফিফার কাছে আবারও অনুরোধ জানাচ্ছি, আমাদের ম্যাচগুলো যেন মেক্সিকোতে সরিয়ে নেওয়া হয়। এরকম হলে বিশ্বকাপে অংশ নিতে আমাদের কোন সমস্যা নেই। তবে ফিফা এখনো এই ব্যাপারে আমাদের কিছুই জানায়নি।‘
বিশ্বকাপ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দ্বিমুখী আচরণ করছেন বলেও অভিযোগ দোনিয়ামালি, ‘ট্রাম্প প্রতিনিয়তিই দ্বিমুখী বক্তব্য দিচ্ছেন। তার বক্তব্যে নৈতিকতা নেই। বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া সব দেশের নিরাপত্তা দেওয়া ফিফার দায়িত্ব। আশা করি তারা সেটাই করবে।‘
আগামী ১১ জুন শুরু হবে ৪৮ দলের ফিফা বিশ্বকাপ। ১৯ জুলাই মায়ামির মাথে ফাইনাল দিয়েই শেষ হবে এবারের আসর। ১৬ জুন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করার কথা ইরানের। গ্রুপ জিতে তাদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ বেলজিয়াম ও মিশর।



