Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বিদেশ

যুক্তরাজ্য

বাঁচা-মরার লড়াই : ক্ষমতা নিয়ে ব্রিটিশ সংসদে তদন্ত ভোটের মুখে স্টারমার

যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪১
বাঁচা-মরার লড়াই : ক্ষমতা নিয়ে ব্রিটিশ সংসদে তদন্ত ভোটের মুখে স্টারমার

সংগৃহীত ছবি

কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের ঘনিষ্ঠ ও ব্রিটিশ লেবার পার্টির জ্যেষ্ঠ নেতা পিটার ম্যান্ডেলসনকে যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগের আগে নিরাপত্তা যাচাই নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার সংসদে কী বলেছেন, তা নিয়ে তদন্ত হবে কি না—এ বিষয়ে ভোটের মুখে পড়ছেন তিনি।

হাউস অব কমন্সের স্পিকার স্যার লিন্ডসে হয়েল জানিয়েছেন, মঙ্গলবার এ বিষয়ে বিতর্ক হবে। এরপর এমপিরা সিদ্ধান্ত নেবেন, বিষয়টি পার্লামেন্টের প্রিভিলেজেস কমিটিতে পাঠানো হবে কি না। এমপিরা সংসদীয় নিয়ম ভেঙেছেন কি না, তা তদন্ত করে এই কমিটি।

স্টারমারের দাবি, ম্যান্ডেলসনের নিয়োগে ‘যথাযথ প্রক্রিয়া’ অনুসরণ করা হয়েছিল এবং পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তাদের ওপর ‘কোনো চাপই ছিল না’। এ বিষয়ে সংসদকে বিভ্রান্ত করেননি তিনি।

বিষয়টিকে ‘কনজারভেটিভ পার্টির মরিয়া রাজনৈতিক চাল’ বলে আখ্যা দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর। তারা বলছে, ম্যান্ডেলসনের নিয়োগ নিয়ে ইতিমধ্যে সংসদীয় দুটি প্রক্রিয়ায় পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে সহযোগিতা করা হচ্ছে।

কনজারভেটিভ নেত্রী কেমি ব্যাডেনকের অভিযোগ, সংসদকে ‘একাধিকবার’ বিভ্রান্ত করেছেন স্টারমার। লেবার এমপিদের ‘বিবেকের কাছে’ প্রশ্ন রেখে তদন্তের পক্ষে ভোট দিতে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের এক মুখপাত্র বলছেন, ‘পিটার ম্যান্ডেলসনের নিয়োগ নিয়ে চলমান দুটি সংসদীয় প্রক্রিয়ায় পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে সহযোগিতা করছে সরকার।’

যৌন অপরাধে দণ্ডিত জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে বন্ধুত্বের কারণে ওয়াশিংটনে দায়িত্ব নেওয়ার সাত মাস পর সরিয়ে দেওয়া হয় ম্যান্ডেলসনকে। নিয়োগের জন্য স্টারমার ক্ষমা চাইলেও নিরাপত্তা যাচাই প্রক্রিয়া তড়িঘড়ি করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে রয়ে গেছে সংশয়।

পররাষ্ট্র দপ্তরের সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তা স্যার অলি রবিনস গত সপ্তাহে এমপিদের বলছিলেন, নিয়োগটি নিয়ে ছিল ‘নিরবচ্ছিন্ন চাপ’। তবে তার দাবি, এতে ম্যান্ডেলসনকে নিরাপত্তা ছাড়পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রভাবিত হয়নি। পরে স্টারমার বলেছেন, ‘চাপেরও বিভিন্ন ধরন আছে’—এর মধ্যে থাকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাভাবিক প্রশাসনিক চাপ।

বিরোধীদের বিরুদ্ধে মে মাসের নির্বাচনের আগে ‘হাস্যকর রাজনৈতিক খেলা’র অভিযোগ তুলেছেন পরিবেশমন্ত্রী এমা রেনল্ডস। তার দাবি, সংসদে মিথ্যা বলেননি স্টারমার।

লিবারেল ডেমোক্র্যাট এমপি লিসা স্মার্ট বলেছেন, লেবার এমপিদের ‘দলের আগে নীতি’ রাখতে হবে। রিফর্ম ইউকের রবার্ট জেনরিক বলেছেন, স্টারমার ‘সংসদকে বিভ্রান্ত করেছেন’, তবে ভোটারদের কাছে আরও বড় জাতীয় ইস্যু গুরুত্বপূর্ণ।

গ্রিন পার্টির নেতা জ্যাক পোলানস্কি বলেছেন, তদন্তের পক্ষে তিনি। তবে তার মতে, বিষয়টি ‘নিম্ন মজুরি ও বেশি বিলের’ মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু থেকে সরিয়ে দিচ্ছে মনোযোগ।

পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটির চেয়ার এমিলি থর্নবেরি বলেছেন, তার কমিটি ইতিমধ্যে বিষয়টি তদন্ত করছে। তাই এখনই আরেকটি তদন্তের প্রয়োজন আছে কি না, তা নিয়ে তুলেছেন প্রশ্ন।

স্টারমারএপস্টেইন ফাইলযুক্তরাজ্য
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise