বাংলাদেশের মানুষ একটু বেশি আশা করে : আফঈদা

বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার।
এএফসি কাপে খুব ভালো করেননি আফঈদা খন্দকার। এরপর খেলেছিলেন এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ টুর্নামেন্টেও। সেখানেও তার পারফরম্যান্স প্রত্যাশা মেটাতে পারেনি। জাতীয় দলের অধিনায়ক বলে তার কাছে একটু বেশি কিছু দল চাইতেই পারে। বাংলাদেশের ফুটবল সমর্থকরাও তার কাছে একই প্রত্যাশা রাখেন। কিন্তু আফঈদা প্রত্যাশার বেলুন উঁচুতে নয়, নিচেই রাখতে বললেন।
গত মার্চে এএফসি এশিয়ান কাপে প্রথমবার খেলেছিল বাংলাদেশ নারী দল। প্রথম ম্যাচে চীনের বিপক্ষে দারুণ পারফরম্যান্স করে খুব প্রশংসা কুড়ায়। বিধি বাম হয় পরের দুই ম্যাচে। উত্তর কোরিয়া ও উজবেকিস্তানের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হার হজম করে। দুই ম্যাচেই ডিফেন্সের হতাশাজনক পারফরম্যান্সে মোট ৯ গোল যায় বাংলাদেশের পোস্টে।
টুর্নামেন্টে আফঈদা গড়পড়তা পারফরম করেন। গ্রুপপর্বে শেষ দুই ম্যাচে তার নেতৃত্বেই রক্ষণ শক্ত থাকার কথা। তার কিছুই হয়নি। ওই আসরের পর সংবাদ সম্মেলনে মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ ছিল না অধিনায়ক আফঈদার। এতদিন পর সংবাদমাধ্যমে তাকে পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই এএফসির ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
জবাবে প্রত্যাশার পারদ নিচে রাখার আহ্বান জানালেন বাংলাদেশ নারী দলের অধিনায়ক, ‘হার-জিত তো খেলার অংশই। ছোট ছোট ভুল থেকে শিখব। আমরা এএফসিতে প্রথমবার খেলতে গিয়েছিলাম। প্রথমবারেই আমরা খুব ভালো কিছু করব এটা আমাদের কাছে আশা করা ঠিক না। আমাদের দেশের মানুষ একটু বেশিই আশা করে। ওখান থেকে আমরা অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। এতদিনে আমরা সাফে খেলেছিলাম। এখন বড় পর্যায়ে খেলেছি। সেখানে অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। এভাবেই এগিয়ে যাব।’
আফঈদার নিজের পারফরম্যান্সও আতশ কাচের নিচে, যা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় ভালো খেললে আকাশে তোলা আর খারাপ করলে মাটিতে নামার সংস্কৃতি থেকে সরে আসার, বললেন এই ফুটবলার, ‘একজন ফুটবলারের খারাপ সময় আসতেই পারে। আমাদের দেশে একজন ভালো খেললে তাকে একটু বেশি ভালো বলা হয়, আবার খারাপ করলে বেশি খারাপভাবে দেখানো হয়, এই স্বভাবটা আছে আমাদের মানুষের। আমি আশা করব, এই চিন্তাভাবনা যেন বদলে যায়।’





