এএফসি মূল পর্বে জয়ের ইতিহাস ফর্টিসের

এএফসির মূল পর্বে প্রথমবার খেলার তৃপ্তি আগেই ছিল। তবে গ্রুপ পর্বে টানা দুই হারে সেই তৃপ্তি মিলিয়ে যায় ফর্টিস এফসির। শেষ ম্যাচে হেরে গেলে শূণ্য হাতে ফেরার শঙ্কা ছিল। কিন্তু ফর্টিস তা হতে দেয়নি। এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগের মূল পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে তাজিকিস্তানের ক্লাব এফসি রেগার-তাদাজকে ৩-১ গোলে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশের দলটি। এএফসির এই টুর্নামেন্টের মূল পর্বে এটিই বাংলাদেশের কোনো ক্লাবের প্রথম জয়।
কুয়েতের হাওয়ালিতে ‘সি’ গ্রুপের মিশনটা ফর্টিসের জন্য শুরু থেকেই ছিল কঠিন। নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক কুয়েতের আল কাদসিয়ার কাছে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছিল তারা। দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের এফসি গোয়ার বিপক্ষে লড়াই করেও শেষ মুহূর্তের গোলে হারতে হয় ২-১ ব্যবধানে। নকআউট পর্বের আশা না থাকলেও শেষ ম্যাচে একেবারে ভিন্ন চেহারায় সফলতা ছিনিয়ে নিল ফর্টিস।
মোহামেদ আল হামাদ স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরুটা অবশ্য ফর্টিসের জন্য স্বস্তির ছিল না। দ্বাদশ মিনিটেই পিছিয়ে পড়ে যখন ফর্টিস কিছুটা দিশাহারা, ঠিক তখনই ১৭তম মিনিটে ফর্টিসের জাপানি মিডফিল্ডার নরিকি আকাদাকে বিপজ্জনক ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন তাজিক ডিফেন্ডার তকাম সেভেরিন। বাকি প্রায় পুরো ম্যাচ ১০ জনের দল নিয়েই লড়তে হয় রেগার-তাদাজকে।
তবে একজন বেশি থাকার সুবিধা প্রথমার্ধে পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারেনি ফর্টিস; ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় তারা।
বিরতির পর ৬৭ মিনিটে বাঁ প্রান্ত থেকে পা ওমর বাবুর মাপা পাসে ছয় গজ বক্সের ডান পাশ থেকে ব্যাকহিল শটে ফর্টিসকে সমতায় ফেরান রাফায়েল। সমতায় ফেরার রেশ কাটতে না কাটতেই ৭১ মিনিটে এগিয়ে যায় ফর্টিস। এবার জোরালো শটে প্রতিপক্ষের জালে জড়িয়ে দেন শিয়ান কাওয়াসাকি। ৮৮ মিনিটে প্রতিপক্ষের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন ইতোফুসা।



