লজ্জা এড়ানোর চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট খেলতে সিলেটে আজ মাঠে নামছে বাংলাদেশ। মিরপুরে প্রথম টেস্টে হেরে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা নাজমুল হোসেন শান্তর দলের সামনে এখন একটাই লক্ষ্য— সিরিজে সমতা ফেরানো। একসময় টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের দৌড়ে থাকার হিসাব থাকলেও মিরপুরে প্রথম টেস্টের পর সেই ভাবনা আপাতত অনেকটাই দূরে সরে গেছে।
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের সমীকরণ ধোঁয়াশা হওয়ার পাশাপাশি এখন বড় চ্যালেঞ্জ সামনে এসেছে বাংলাদেশের। সিলেটে যে করেই হোক ম্যাচ জিততে হবে। হোয়াইটওয়াশ হলে লজ্জার শেষ থাকবে না বাংলাদেশের।
এমন ম্যাচে অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিমের একাদশে ফেরাটা বাংলাদেশের জন্য স্বস্তির খবর। তাওহীদ হৃদয়ের জায়গায় অমিত হাসানকে খেলানোর সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে অধিনায়ক শান্ত যেভাবে হৃদয়ের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাতে শেষ পর্যন্ত তাকে একাদশে রাখার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। সিলেটের স্পোর্টিং উইকেট বিবেচনায় একজন স্পিনার কমিয়ে তৃতীয় পেসার খেলানোর সম্ভাবনাও আছে।
ব্যাটিং অর্ডারেও পরিবর্তনের আভাস দিয়েছেন কোচ ফিল সিমন্স। শান্তকে ব্যাটিং অর্ডারের চারে নয়, বরং তিন নম্বরে উঠিয়ে খেলার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি, ‘ম্যাচে কী করতে চাই, সেসব পরিকল্পনা তো গোপন রাখতেই হয়! তাই সেই কৌশলগুলো আগামীকাল (আজ) পর্যন্ত গোপনই থাক। টপঅর্ডারে রদবদল হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। খুব সম্ভবত অধিনায়ককেই তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামতে হবে।’
সিলেটের উইকেট নিয়েও আশাবাদী সিমন্স। তার মতে, ‘ডারউইন টেস্টের পর থেকে আমরা অতটা ভালো ব্যাটিং করতে পারিনি। আমাদের সামর্থ্য আছে। কিন্তু তারপর থেকে আমরা যে সংস্করণগুলোয় খেলেছি, সেখানে ভালো ব্যাটিং করতে পারিনি। সিলেটের উইকেট ভালো দেখাচ্ছে। গত বছর কিংবা চলতি বছরের শুরুতে পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলা উইকেটের কথাই আমার মনে পড়ছে। বেশ ভালো একটা উইকেট।’



