তামিমের নতুন উদ্যোগ
ডিপিএলের প্রতি ম্যাচে থাকছে আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্স

বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল। ছবি: আগামীর সময়
আন্তর্জাতিক ম্যাচে মাঠে অ্যাম্বুলেন্স রাখা বাধ্যতামূলক। ঘরোয়া ক্রিকেটে এই রীতি মানা হয় কম। বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল এই রীতি পরিবর্তন করতে যাচ্ছেন। আসন্ন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে প্রতি ম্যাচে মাঠে আইসিইউ সুবিধাযুক্ত অ্যাম্বুলেন্স রাখবে বিসিবি।
গত বছর মার্চে মোহামেডানের হয়ে বিকেএসপিতে খেলছিলেন তামিম। ম্যাচ শুরুর পর হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হওয়ায় তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হয়। সাভারের একটি হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে দুই দিন লড়াই করে তিনি সুস্থ জীবনে ফিরেন। সেই সময় মাঠে আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্স থাকলে তাৎক্ষণিক তামিমের চিকিৎসা শুরু করা যেত। বিসিবি সভাপতির চাওয়া আর কোনো ক্রিকেটারের যেন ওই অবস্থা না হয়। তাই ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে প্রতি ম্যাচে আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্স রাখার উদ্যোগ নিয়েছে তার বোর্ড।
শুধু শারীরিক অসুস্থতা নয়, তামিমের মতে আরও বিভিন্ন কারণে খেলার মাঠে উন্নত অ্যাম্বুলেন্স রাখা উচিত। তিনি আগামীর সময়কে বলছিলেন, ‘এই উদ্যোগটা নেওয়া হয়েছে। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে মনে হয়েছে আমাদের ঘরোয়া ক্রিকেটে এটা খুব জরুরি। ক্রিকেটাররা মাঠে যে কোনো সময় জটিল অসুস্থতায় পড়তে পারেন। বলের আঘাতও লাগতে পারে। আম্পায়ার বা ম্যাচ সংশ্লিষ্ট যে কেউ অসুস্থ বোধ করতে পারেন। এই সময়গুলোতে তাৎক্ষণিকভাবে উন্নত চিকিৎসার ব্যাবস্থা করা ক্রিকেট বোর্ডের দায়িত্ব। আমি তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি।’
একদিনে ছয় ম্যাচ হলে প্রতি মাঠে ছয়টি আইসিইউ সুবিধার অ্যাম্বুলেন্স রাখতে হবে বিসিবিকে। কিছু ক্ষেত্রে বিকল্প ব্যাবস্থা হতে পারে - বিকেএসপির পাশাপাশি দুই মাঠের জন্য একটি। প্রক্রিয়াটি কীভাবে আরও সহজ করা যায়, সেটা নিয়ে বিশ্লেষণ করছে টুর্নামেন্ট কমিটি।
লিগের দিন তারিখ ঠিক হলে অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা সহজ হবে বলে আগামীর সময়কে জানিয়েছেন এই বিভাগের চেয়ারম্যান মিনহাজুল আবেদীন নান্নু, ‘কিছুদিন আগে চট্টগ্রামে একজন ক্রিকেটার মারা যান। আমরা জীবন-মৃত্যু ঠেকাতে পারব না। কিন্তু চটজলদি যেন চিকিৎসা শুরু করা যায় সে ব্যাবস্থা করতে পারি, এতদিন যা হয়নি। ক্রিকেটারদের সুরক্ষার পেছনে খরচ নিয়ে বিসিবি বিন্দুমাত্র ভাবছে না।’
শুধু আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্স সুবিধাই নয়, এবারের লিগে দলগুলোর জন্য আর্থিক প্রণোদনা ১৫ লাখ থেকে ২৫ লাখ করেছে বিসিবি। প্রতিবার ক্রিকেটারদের জন্য নিজস্ব খরচে খাবারের ব্যাবস্থা করতে হতো। এবার সব দলের জন্য খাবারও দিচ্ছে বিসিবি।















