‘ফিউচার স্টার্স’ হয়ে ২১ বছর পর ফিরল বল বয় সংস্কৃতি

বাংলাদেশের ক্রিকেটে আবারও ফিরেছে বল বয় সংস্কৃতি। ছবি: সংগৃহীত
বাউন্ডারি লাইনের বাইরে বলের অপেক্ষায় থাকেন তারা। চার-ছক্কার পর মাঠের বাইরে থাকা বল ফিরিয়ে দেন ক্রিকেটারদের হাতে। ক্রিকেট মাঠে তাদের ডাকা হয় ‘বল-বয়’ নামে। বাংলাদেশের ক্রিকেটে দীর্ঘ ২১ বছর পর ফিরল এই সংস্কৃতি। ‘ফিউচার স্টার্স’ নামে চট্টগ্রামে আবার দেখা গেল ভবিষ্যতের এই তারকাদের।
২০০৪-০৫ মৌসুমে সর্বশেষ বাংলাদেশের ক্রিকেটে বল বয়ের সংস্কৃতি দেখা গেছে। দীর্ঘ বিরতির পর আজ চট্টগ্রামে সেটা ফিরে এলো। বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজের ‘ফিউচার স্টার্স’ হিসেবে বাউন্ডারির বাইরে রয়েছেন চট্টগ্রামের অনূর্ধ্ব-১৪ ও অনূর্ধ্ব-১৬ বয়সভিত্তিক দলের ক্রিকেটাররা।
বল-বয়দের কেন ‘ফিউচার স্টার্স’ নামে ডাকা হবে, এর ব্যাখ্যা দিয়েছেন বিসিবি প্রধান তামিম ইকবাল, যিনি নিজেও একটা সময়ে ছিলেন বল-বয়। ফেসবুক পোস্টে তামিম জানান, ‘বল বয় শব্দটা ব্যক্তিগতভাবে কখনোই খুব একটা ভালো লাগত না আমার। ওরাই আমাদের ভবিষ্যৎ, তাই আমি ওদেরকে বলতে চাই “ফিউচার স্টার্স।’
তামিম ইকবালের ফেসবুক পোস্ট। ছবি: ফেসবুক
এক সময়ের বল বয়রাই ক্রিকেট মাঠে দাপট দেখিয়েছেন। খোদ শচীন টেন্ডুলকারও ছিলেন বল বয়। দেশের ক্রিকেটে মোহাম্মদ আশরাফুল, শাহরিয়ার নাফীসরাও শৈশবে এই কাজ করেছেন।
তামিমের আশা, আজকের এই ফিউচার স্টার্সরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ, ‘আশা করি, এই খুদে ক্রিকেটাররা ওদের প্রিয় ক্রিকেটারদের কাছ থেকে দেখে অনুপ্রাণিত হবে, ওদের স্বপ্নের সীমানা বড় হবে এবং একদিন বাংলাদেশের হয়ে খেলবে। আমিও একসময় ওদের মতোই ছিলাম — আমিও ছিলাম একজন বল বয়।’




