বললেন সাইফ
অজুহাত দিয়ে বাঁচার উপায় নেই

ম্যাচ শেষে মিরাজের সঙ্গে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল। ছবি: সংগৃহীত
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে হারায় সিরিজ জয় কঠিন হয়ে পড়েছে বাংলাদেশের। সিরিজ জিততে হলে বাংলাদেশকে আগে খুঁজতে ব্যাটিং ব্যর্থতা কাটিয়ে ওঠার পথ। ঘরের মাঠে পাকিস্তানকে হারানো গেছে যে পিচে, সেই পিচই এখন দুর্বোধ্য ঠেকেছে বাংলাদেশ ব্যাটারদের কাছে। সাইফ হাসান অবশ্য পিচের আচরণ সামনে টেনে অজুহাত দিতে নারাজ।
মিরপুরে স্পোর্টিং উইকেট পাওয়ার আবেদন দীর্ঘদিনের। ২০১৩ সাল থেকে গামিনি ডি সিলভার তত্ত্বাবধানে মিরপুরের পিচ হয়ে ওঠে ‘ধানক্ষেত’। গত বছর টনি হেমিং মিরপুর স্টেডিয়ামের পিচ কিউরেটর হয়ে আসার পর উইকেটের আচরণ বদলেছে।
পাকিস্তান সিরিজে ভালো উইকেটে খেলেছে দুই দল। সেখানে বাংলাদেশ ব্যাটাররা রান পেয়েছেন। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে কিছুটা ধীরগতির উইকেট প্রস্তুত করে জয়ের ছক একেঁছিল বাংলাদেশ। নিজেদের পাতা ফাঁদে নিজেদেরই পরতে হলো অবশেষে। প্রথম ম্যাচে উইকেটে দ্বিতীয় ইনিংসে ধীর আচরণ করায় ব্যাটাররা স্বাচ্ছন্দ্যে রান তুলতে পারেননি বলে জানান সাইফ হাসান।
যদিও উইকেটের কারণে ম্যাচ হেরেছে সেই অজুহাত দিতে নারাজ এই ব্যাটার, ‘উইকেট তো একটু চ্যালেঞ্জিং ছিল, তা ঠিক আছে। আমাদের একটা ধারণা ছিল যে উইকেট কী রকম হতে পারে। আজকে একটু বেশি চ্যালেঞ্জিং হয়েছে। কিন্তু ওই অজুহাত দিয়ে আসলে বাঁচার কোনো উপায় নেই। আমরা ম্যাচে ছিলাম। ২৫ ওভার পর্যন্ত আমরা ম্যাচে ছিলাম। ঐ ভুল সময়ে কিছু উইকেট পড়াতে আমরা পিছিয়ে গেছি।’
ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে হার নিয়ে মেহেদী হাসান মিরাজ বলেছেন, ‘সব খেলোয়াড়ই খুব উত্তেজিত ছিল এবং সবাই জিততে চেয়েছিল, কিন্তু মাঝে মাঝে এমনটা হতেই পারে।’
মিরাজ হারের দায় দিচ্ছেন ফিল্ডিংকে, ‘আমরা যদি দুইটা ক্যাচ নিতে পারতাম, তাহলে নিশ্চিতভাবেই ওদের ২০০ রানের নিচে আটকে রাখতে পারতাম। এটা আমাদের দলের ছোট একটা ভুল ছিল। তবে আমরা খুব ভালো বোলিং করেছি। আমাদের বোলাররা দারুণ কাজ করেছে।’

