Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় শুরুর সুবাস

এনআরসি ও এসআইআর বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগের

আলতাফ পারভেজ
agamir somoy
প্রকাশ: ১৮ মে ২০২৬, ০৮:০২
এনআরসি ও এসআইআর বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগের

নতুন শতকের শুরুতেই বিশ্ব এক যুদ্ধময় সময়ের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে আমাদের। মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের সংঘাতের অভিঘাত সামলাতে গিয়ে এশিয়ার মানুষের জেরবার অবস্থা। শোনা যাচ্ছে, পৃথিবীর পরবর্তী যুদ্ধের মঞ্চ হবে দক্ষিণ এশিয়া। আগামীর সময়-এর মুখোমুখি হয়েছিলেন সাংবাদিক, লেখক ও গবেষক আলতাফ পারভেজ। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সাঈদ জুবেরী ও বখতিয়ার আবিদ চৌধুরী

 

আগামীর সময়: ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের পর পরবর্তী যুদ্ধক্ষেত্র নাকি এশিয়া, বিশেষত দক্ষিণ এশিয়া— এমনটাই শুনছি আমরা।

আলতাফ পারভে: যুদ্ধটা মূলত পুঁজিতান্ত্রিক দেশগুলোর কাঁচামাল ও বাজার দখলের যুদ্ধ। বাজারটা বড় হলো এশিয়ায়। চীন, ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ইত্যাদি দেশ মিলিয়ে বিশাল জনগোষ্ঠী। ফলে পুঁজিতান্ত্রিক বিশ্বের জন্য এটি আকর্ষণীয় জায়গা। বর্তমানে চীন ও আমেরিকার যে ঠান্ডা যুদ্ধ চলছে, তাতে দুটি দেশের লক্ষ্য মূলত পুঁজিতান্ত্রিক বিশ্বের বড় নেতা হওয়া এবং সাপ্লাই চেইন ও বিপণনে কর্তৃত্ব ধরে রাখা। এক্ষেত্রে এশিয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ, সেজন্য যুদ্ধটা এশিয়ার দিকে চলে আসছে।

আগামীর সময়: একদিকে সেভেন সিস্টার্স, অন্যদিকে আমরা তো রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়েই আছি। বাংলাদেশ ও ভারতের কিছু অংশ নিয়ে একটি খ্রিস্টান রাষ্ট্র গঠনে আমেরিকার আগ্রহ আছে শোনা যায়; সব মিলিয়ে যুদ্ধক্ষেত্র হওয়ার শঙ্কা আছে কি না আমাদের?

আলতাফ পারভেজ: দক্ষিণ এশিয়ায় ভবিষ্যতে কনফ্লিক্টের জায়গা দুটি একটা হলো বেলুচিস্তান ও উত্তর পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ অঞ্চল; আরেকটি সেভেন সিস্টার্স, আরাকান ও পার্বত্য চট্টগ্রাম। এসব জায়গায় কিছু টিউমার আছে। টিউমার হলো ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শক্তি দ্বারা ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও আফগানিস্তানে টেনে দেওয়া রেডক্লিফ লাইন, পেম্বারটন লাইন এবং ডুরান্ড লাইন এগুলো কৃত্রিম সীমান্ত। এভাবে সীমান্ত টেনে দেওয়ার কারণে স্থানীয় জাতিগুলো অযৌক্তিকভাবে বিভক্ত হয়েছে। ফলে তাদের ভেতর অসন্তোষ রয়েছে। সেই অসন্তোষের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-চীনের ঠান্ডা যুদ্ধ মিলে গেলে এসব অঞ্চল উত্তপ্ত হবে এবং এ ধরনের সমস্যা মোকাবিলায় বাংলাদেশের সক্ষমতা কম। বড় উদাহরণ হলো রোহিঙ্গা ইস্যুতে ব্যর্থতা।

এরকম আরও দুটি চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের সামনে আসতে পারে। একটি আসামের দিক থেকে। আসামে এনআরসির করে ১৫ থেকে ২০ লাখ মানুষকে নাগরিকত্বহীন করা হয়েছে, টাইম বোমার মতো রেখে দেওয়া হয়েছে তাদের। আবার পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর করে কমপক্ষে ৪০ লাখ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এই ৫০-৬০ লাখ মানুষকে বাংলাদেশের দুই সীমান্তে বিজেপি জড়ো করেছে- এটি বাংলাদেশের জন্য দূরবর্তী হুমকি। ঘটনা ভবিষ্যতে যাই হোক, নিশ্চিতভাবে এনআরসি ও এসআরআইয়ে বাংলাদেশের জন্য আছে উদ্বেগের দিক।

ভারত-মিয়ানমার-বাংলাদেশের সীমান্তে যে জায়গাগুলোয় সমস্যা আছে, তিনটি রাষ্ট্রই নিজে নিজে সেসব সমাধানে আগ্রহী। এ বিষয়ে তারা দ্বিপক্ষীয় বা ত্রিপক্ষীয় কিছুতে আগ্রহী নয়। বাংলাদেশ সরকার তো স্বীকারই করে না পার্বত্য চট্টগ্রামে বড় কোনো সমস্যা আছে

আগামীর সময়: বাংলাদেশকে নিয়ে চীন-ভারতের ঠান্ডা লড়াই কোন দিকে গড়াবে?

আলতাফ পারভেজ: শুধু বাংলাদেশ নয়, শ্রীলঙ্কা ও নেপালকে ঘিরে চীন-ভারতের একটা ঠান্ডা যুদ্ধ আছে। তবে নয়াদিল্লি ও বেইজিংয়ের মধ্যে এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র অনেকে এগিয়ে গেছে। নেপালে যে রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটল, নতুন দল ক্ষমতায় এলো, স্থানীয়ভাবে কিন্তু মনে করা হয় সরকারটি যুক্তরাষ্ট্রবান্ধব। এমনকি বাংলাদেশে যে গণঅভ্যুত্থান হয়েছে, এটা যুক্তরাষ্ট্রবান্ধব ঘটনা বলেও আলোচনা রয়েছে। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যচুক্তি সাক্ষ্য দিচ্ছে স্পষ্ট।

আগামীর সময়: আগে বলা হতো, বাংলাদেশ বা উপমহাদেশের অন্য দেশগুলোকে ভারতের চোখে দেখে যুক্তরাষ্ট্র

আলতাফ পারভেজ: কিছু টানাপড়েন সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র-ভারত একটা অক্ষশক্তি। এই অক্ষশক্তির সঙ্গে ইসরায়েলকে মেলাতে পারেন। ইসরায়েল-ভারতের বন্ধুত্ব অনেক গভীর। বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্র-ভারতের যে প্রভাব, এটি মিলিয়ে বাংলাদেশ এই অক্ষশক্তির সম্ভাব্য এক ছোট অংশীদার হয়ে উঠতে পারে। অবশ্যই চীন এ ধরনের পরিস্থিতি নজরে রাখছে। মিয়ানমারের বিদ্রোহীগোষ্ঠীর সঙ্গে চীনের যোগাযোগ আছে, আবার সামরিক জান্তাকেও মদদ দিচ্ছে। এর সঙ্গে আছে বাংলাদেশের পরিস্থিতির সম্পর্ক।

আগামীর সময়: রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান হলো না এখনো... তাদের নিজভূমে ফিরে যাওয়ার সম্ভাবনাও কম মনে হয়... বাংলাদেশের এক্ষেত্রে করণীয় কী?

আলতাফ পারভেজ: আরাকান আর্মির সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াতে হবে। যেখান থেকে রোহিঙ্গারা এসেছে, সে ভূমিটি আরাকান আর্মির দখলে। ২০১৭ আর ২০২৬ সম্পূর্ণ আলাদা পরিস্থিতি। মিয়ানমারের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার আলাপ করতে পারে বটে, কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকারের রাখাইনে তেমন নিয়ন্ত্রণ নেই এখন। সরকার চাইলেও রোহিঙ্গারা রাখাইনে ফিরতে পারবে না। রোহিঙ্গাদের ফেরত যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই আপাতত। 

আগামীর সময়: পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়ি জাতিসত্তার একটি লড়াই চলছে, ভারতের সেভেন সিস্টার্সেও দীর্ঘ সময় লড়াই চলছে। এ দুই ইস্যুতে বাংলাদেশ ও ভারত সরকার যৌথভাবে কোনো সমাধানের দিকে কি যেতে চাইবে?

আলতাফ পারভেজ: সে রকম কোনো সম্ভাবনা আমি দেখছি না। ভারত-মিয়ানমার-বাংলাদেশের সীমান্তে যে জায়গাগুলোয় সমস্যা আছে তিনটি রাষ্ট্রই নিজে নিজে সেসব সমাধানে আগ্রহী। এ বিষয়ে তারা দ্বিপক্ষীয় বা ত্রিপক্ষীয় কিছুতে আগ্রহী নয়। বাংলাদেশ সরকার তো স্বীকারই করে না পার্বত্য চট্টগ্রামে বড় কোনো সমস্যা আছে।

ছবি: আশরাফুল আলমছবি: আশরাফুল আলম

আগামীর সময়: ইরান যুদ্ধে একটি প্রশ্ন সামনে আসছে, তাইওয়ানে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় চীন আসলে কোন পথে এগোবে?

আলতাফ পারভেজ: চীন চায় শান্তিপূর্ণ উপায়ে তাইওয়ানে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে। যেভাবে হংকং তার অধীনে চলে গেছে, চীন তাইওয়ানকে ওইভাবে পেতে চায় এবং আজ হোক, কাল হোক সেটাই ঘটবে।

আগামীর সময়: বাংলাদেশ অতীতে ফিলিস্তিনকে সমর্থন দিয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আমরা দেখলাম, ফিলিস্তিনে ট্রাম্প শান্তি বাহিনী পাঠাতে চাইলে বাংলাদেশ তাতে সেনা পাঠাতে ইচ্ছা প্রকাশ করে। আবার এখন ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধে কৌশলীভাবে ইরানের ওপরে আগ্রাসনের ব্যাপারে নিশ্চ‍ুপ থাকল, এমনকি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালানোয় ইরানের নিন্দাও করল।

আলতাফ পারভেজ: যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত উভয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠতা এক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করেছে। আরেকটি বড় কারণ, মধ্যপ্রাচ্যে কুয়েত-বাহরাইন-কাতার-সৌদি আরবের সঙ্গেই মূলত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্বার্থের জায়গাটা বড়। ইরানের সঙ্গে সে তুলনায় কম স্বার্থ রয়েছে। ফলে সিদ্ধান্তটি নীতিগতভাবে সমর্থনযোগ্য না হলেও অর্থনৈতিক বিবেচনায় বাস্তবসম্মত। তবে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্তটি বিপজ্জনক। যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবে এতটা সাড়া দেওয়া উচিত নয়।

আগামীর সময়: বলা হচ্ছে, আওয়ামী লীগ (বর্তমানে নিষিদ্ধ) সরকারের সময় বাংলাদেশে ভারতের প্রভাব ছিল, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় পাকিস্তানের প্রভাব বেড়েছিল। এর বাস্তবতা কতটুকু?

আলতাফ পারভেজ: পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের অধিকতর ঘনিষ্ঠতার ভৌগোলিক এবং অর্থনৈতিক বাস্তবতা নেই। এই সম্পর্ক না এগোনোর কয়েকটি কারণ আছে। প্রথমত, মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে এখন পর্যন্ত স্পষ্ট কোনো সদুত্তর দেয়নি পাকিস্তান। মানে ক্ষমা চায়নি। দ্বিতীয়ত, ৭১-এর পরে কেন্দ্রীয় সম্পদ বাটোয়ারার একটা ব্যাপার ছিল, সেটারও ফয়সালা দরকার।

আগামীর সময়: যেকোনো কারণেই হোক বাংলাদেশে ভারত বিরোধিতা বেশ প্রবল।

আলতাফ পারভেজ: সত্য। কিন্তু দিনশেষে ভারতের সঙ্গে একটি সুসম্পর্ক লাগবে। সমমর্যাদামূলক সম্পর্ক উভয়কে রক্ষা করতে হবে। অন্তর্বর্তী সরকার চলে যাওয়ার পর বিএনপি ক্ষমতায় এসে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন করতে চেষ্টা করছে। এটাই বাস্তবতা।

আগামীর সময়: শ্রীলঙ্কা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। গণঅভ্যুত্থানের ভেতর দিয়ে যাওয়া নেপালের জেনজিরাও ক্ষমতায় এসেছে। বাংলাদেশে কেন ওরকম কিছু হলো না?

আলতাফ পারভেজ: এটি সত্য, তিনটি গণঅভ্যুত্থান প্রায় কপি পেস্টের মতো ঘটেছে। কিন্তু শ্রীলঙ্কায় একটি ম্যাচিউর পলিটিক্যাল ফোর্স ছিল গণঅভ্যুত্থানের পেছনে। তার কারণে তারা ইলেকশনের ভেতর দিয়ে বেশ স্থিতিশীল একটা পর্যায়ে প্রবেশ করছে। এই তিন দেশের ভেতর অর্থনৈতিকভাবে সবচেয়ে দুরবস্থা ছিল শ্রীলঙ্কার। সেখান থেকে দ্রুত তারা একটু স্থিতিশীল হতে পেরেছে। রাজনৈতিকভাবে সবচেয়ে অপরিণত আচরণ করেছে বাংলাদেশের ফোর্স। বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থান অনেকাংশে ব্যর্থ হয়েছে। নেপালের বিষয় এখনো অনিশ্চিত। আরও কিছুদিন দেখতে হবে তাদের কাজ।

আগামীর সময়: দক্ষিণ এশিয়ার পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের কূটনীতি, পররাষ্ট্রনীতি, নিরাপত্তা— এসব কিছু মাথায় রেখে, তাহলে আমাদের করণীয় কী?

আলতাফ পারভেজ: নতুন পার্লামেন্ট গঠিত হয়েছে। তাকে আরও কিছুটা সময় দিতে হবে। তবে একটা মিনিমাম রিফর্ম লাগবেই। প্রশাসনিক সংস্কারের পাশাপাশি কর্মসংস্থান, দারিদ্র্য কমানো এবং দক্ষিণপন্থার যে উত্থান ঘটছে— সেসব ইস্যুকে দিতে হবে অগ্রাধিকার।

আগামীর সময়: আপনাকে ধন্যবাদ।

আলতাফ পারভেজ: আপনাদেরও ধন্যবাদ।

 

লেখক: দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক রাজনৈতিক বিশ্লেষক

শতকআলতাফ পারভেজযুদ্ধক্ষেত্রশুরুর সুবাস
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise