Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
বই পড়াতে পাখি বাঁচাতে নিবেদিত নাহিদ
রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সিরাত

সিরাত অধ্যয়ন যেভাবে বদলে দিতে পারে আপনার জীবন

মুফতি সাইফুল ইসলাম
মুফতি সাইফুল ইসলাম
agamir somoy
প্রকাশ: ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১৫:০৩
সিরাত অধ্যয়ন যেভাবে বদলে দিতে পারে আপনার জীবন

প্রতীকী ছবি

মানুষ শুধু তথ্য দিয়ে বদলায় না; বদলায় আদর্শ, অনুপ্রেরণা ও দৃষ্টান্তের মাধ্যমে। এ কারণেই ইসলামে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও কর্মের অধ্যয়ন শুধু ইতিহাস পাঠ নয়, বরং ঈমান, চরিত্র ও জীবনদর্শন গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। পবিত্র কোরআন তাঁকে মুমিনদের জন্য ‘উসওয়াতুন হাসানাহ’ বা উত্তম আদর্শ হিসেবে ঘোষণা করেছে—‘তোমাদের মধ্যে যারা আল্লাহ ও পরকালকে ভয় করে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে, তাদের জন্য আল্লাহর রাসুলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।’ (সুরা আহযাব, আয়াত : ২১)

সিরাত বলতে সাধারণভাবে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জন্ম, বংশপরিচয়, নবুয়ত, দাওয়াত, মক্কা-মদিনার জীবন, যুদ্ধ ও সন্ধি, পারিবারিক ও সামাজিক আচরণ, রাষ্ট্রীয় নেতৃত্ব, ইবাদত, চরিত্র এবং ইন্তেকাল পর্যন্ত তাঁর জীবনের সামগ্রিক বিবরণকে বোঝানো হয়। তবে ইসলামী দৃষ্টিতে সিরাতের গুরুত্ব এখানেই শেষ নয়। এটি কোরআনের বাস্তব প্রয়োগের একটি জীবন্ত ব্যাখ্যা। আয়িশা (রা.)-কে যখন রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর চরিত্র সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, তিনি বলেছিলেন, ‘তাঁর চরিত্র ছিল কোরআন।’ (সহিহ মুসলিম, ৭৪৬) অর্থাৎ কোরআনের শিক্ষা তাঁর জীবনে কীভাবে বাস্তব রূপ লাভ করেছিল, সিরাত অধ্যয়ন করলে তার একটি বিস্তৃত চিত্র পাওয়া যায়।

সিরাত অধ্যয়ন ঈমানকে গভীর করে

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে আল্লাহর ওপর নির্ভরতা, বিপদের মধ্যে ধৈর্য, নিয়ামতের সময় কৃতজ্ঞতা এবং দায়িত্ব পালনে দৃঢ়তার অসংখ্য দৃষ্টান্ত রয়েছে। মক্কার নির্যাতন, সামাজিক বয়কট, প্রিয়জনদের মৃত্যু, তায়েফের নির্মমতা, হিজরত এবং মদিনায় নতুন সমাজ নির্মাণের মতো কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও তাঁর আল্লাহনির্ভরতা ছিল অটুট।

হিজরতের সময় তিনি ও আবু বকর (রা.) যখন সাওর গুহায় ছিলেন এবং শত্রুরা অত্যন্ত কাছে পৌঁছে গিয়েছিল, তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁর সঙ্গীকে বলেছিলেন, ‘দুশ্চিন্তা করো না, নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাদের সঙ্গে আছেন।’ (সুরা তাওবা, আয়াত : ৪০)

এই একটি ঘটনা শুধু ঐতিহাসিক স্মৃতি নয়; সংকটে একজন মুমিনের মানসিক অবস্থার একটি মৌলিক শিক্ষা। সিরাত যত গভীরভাবে পড়া হয়, আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুলের ধারণাটি তত বেশি বাস্তব ও হৃদয়গ্রাহী হয়ে ওঠে।

কোরআনের শিক্ষা বাস্তব জীবনে প্রয়োগের পথ দেখায়

কোরআনে সত্যবাদিতা, ক্ষমা, ধৈর্য, ন্যায়বিচার, দয়া, আমানতদারি, প্রতিবেশীর অধিকার, পরিবার ও সমাজের দায়িত্বের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু এসব নীতি দৈনন্দিন জীবনে কীভাবে প্রয়োগ করতে হয়, তার সবচেয়ে পূর্ণাঙ্গ মানবিক দৃষ্টান্ত রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবন।

কোরআন তাঁকে ‘সমস্ত জগতের জন্য রহমত’ হিসেবে উল্লেখ করেছে—‘আমি আপনাকে বিশ্বজগতের জন্য রহমত হিসেবেই প্রেরণ করেছি।’ (সুরা আম্বিয়া, আয়াত : ১০৭)

নবীজি (সা.)-এর এ রহমত শুধু মুসলমানদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। তিনি শিশুদের প্রতি কোমল ছিলেন, অসুস্থদের দেখতে যেতেন, প্রতিবেশীর অধিকারকে গুরুত্ব দিতেন, প্রাণীর প্রতিও নিষ্ঠুরতা নিষেধ করেছেন। একবার মহানবী (সা.) এর পাশ দিয়ে এক ইহুদি ব্যক্তির মরদেহ নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। মরদেহটি নিয়ে লোকেরা তাঁর পাশ দিয়ে অতিক্রম করার সময় তিনি দাঁড়িয়ে সম্মান দেখালেন। এতে সাহাবিরা বিস্ময় প্রকাশ করেন। তখন তিনি বলেন, ‘সে কি একজন মানুষ নয়?’ (বুখারি, হাদিস ১৩১২)

ফলে সিরাত অধ্যয়ন মানুষের মধ্যে নৈতিকতার বিমূর্ত ধারণাকে বাস্তব আচরণে রূপ দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করে।

চরিত্র গঠনে সিরাতের ভূমিকা

ইসলামে মানুষের মর্যাদার অন্যতম প্রধান মাপকাঠি তার চরিত্র। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে উত্তম সেই ব্যক্তি, যার চরিত্র সর্বোত্তম।’ (বুখারি, হাদিস : ৩৫৫৯; মুসলিম, হাদিস : ২৩২১)

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর চরিত্রের বিশেষ বৈশিষ্ট্য ছিল সত্যবাদিতা, আমানতদারি, বিনয়, ধৈর্য, ক্ষমাশীলতা ও মানুষের প্রতি মমতা। নবুয়তের আগেই মক্কার মানুষ তাঁকে ‘আল-আমিন’ বা বিশ্বস্ত বলে অভিহিত করত। এ জন্যই তাঁর জীবনের নবুওয়াত পূর্ববর্তী অধ্যায়ও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এতে বোঝা যায়, নবুয়তের দায়িত্ব লাভের আগেই তাঁর ব্যক্তিত্বে সত্যবাদিতা ও বিশ্বস্ততার গুণ গভীরভাবে প্রতিষ্ঠিত ছিল।

মক্কা বিজয়ের দিন তাঁর হাতে ছিল প্রতিশোধ নেওয়ার পূর্ণ ক্ষমতা। অথচ দীর্ঘদিনের নির্যাতন ও অত্যাচারের পরও তিনি সাধারণ ক্ষমার ঘোষণা দেন। (ইবনু হিশাম, আস-সিরাতুন নববিয়্যাহ, ৪/৪১-৪২; সহিহ বুখারি, ৪২৮০-৪২৮১ হাদিসগুলোর ঘটনাপ্রবাহ)

এই ঘটনা ক্ষমার শক্তি বোঝায়। ব্যক্তিগত জীবনে অপমান, বিরোধ বা প্রতিশোধের আকাঙ্ক্ষা যখন মানুষকে অস্থির করে তোলে, তখন সিরাত তাকে বৃহত্তর নৈতিকতার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

পরিবার ও দাম্পত্য জীবনে ভারসাম্য শেখায়

সিরাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর পারিবারিক জীবন। তিনি ছিলেন নবী, রাষ্ট্রনায়ক, শিক্ষক, বিচারক ও সেনাপতি; কিন্তু এসব দায়িত্বের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের প্রতিও তাঁর দায়িত্ববোধ ছিল গভীর।

আয়িশা (রা.) বলেন, ‘তিনি তাঁর পরিবারের কাজে সহযোগিতা করতেন।’ (বুখারি, হোদিস : ৬৭৬)

আরেক হাদিসে তিনি বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি উত্তম, যে তার পরিবারের কাছে উত্তম।’ (তিরমিজি, হাদিস : ৩৮৯৫)

আধুনিক জীবনে পারিবারিক অশান্তির অন্যতম কারণ দায়িত্ববোধের অভাব, পারস্পরিক সম্মানের ঘাটতি এবং সময় না দেওয়া। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর পারিবারিক জীবন অধ্যয়ন করলে পরিবারকে কেবল দায়িত্বের জায়গা নয়, বরং ভালোবাসা, সহযোগিতা ও নৈতিকতার ক্ষেত্র হিসেবে দেখার শিক্ষা পাওয়া যায়।

সংকট মোকাবিলায় মানসিক শক্তি দেয়

সিরাত মূলত একটি সংগ্রামের ইতিহাসও। শৈশবেই পিতাকে হারানো, অল্প বয়সে মাকে হারানো, দাদা ও অভিভাবকের মৃত্যু, পরবর্তীতে প্রিয়জনদের হারানো, মক্কার নির্যাতন, তায়েফের ঘটনা এবং বিভিন্ন যুদ্ধ ও রাজনৈতিক সংকট তাঁর জীবনে এসেছে।

পবিত্র কোরআন তাঁর জীবনের এই বাস্তব সংগ্রামকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলে, ‘নিশ্চয়ই কষ্টের সঙ্গে স্বস্তি রয়েছে।’ (সুরা আল-ইনশিরাহ, আয়াত : ৫-৬)

সিরাত অধ্যয়ন মানুষকে শেখায়, কষ্ট মানেই পরাজয় নয়। বিপদ মানুষের জীবনের একটি অংশ; গুরুত্বপূর্ণ হলো বিপদের মধ্যে নৈতিকতা ও বিশ্বাস ধরে রাখা। এ কারণে সিরাত সংকটের সময়ে মানসিক দৃঢ়তার একটি শক্তিশালী উৎস হতে পারে।

নেতৃত্বের ক্ষেত্রে অনন্য শিক্ষা

রাসুলুল্লাহ (সা.) ছিলেন ধর্মীয় নেতা, শিক্ষক, বিচারক, সেনাপতি ও রাষ্ট্রনায়ক। তাঁর নেতৃত্বের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল পরামর্শ, ন্যায়বিচার, দায়িত্ববোধ ও মানুষের প্রতি আস্থা। মদিনায় তিনি বিভিন্ন ধর্ম ও গোত্রের মানুষের সঙ্গে সামাজিক ও রাজনৈতিক সম্পর্কের কাঠামো গড়ে তুলেছিলেন। মদিনার সনদ ইসলামী রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল, যেখানে মদিনার বিভিন্ন গোষ্ঠীর পারস্পরিক অধিকার ও দায়িত্বের কাঠামো নির্ধারণের চেষ্টা দেখা যায়। (ইবনু হিশাম, আস-সিরাতুন নববিয়্যাহ, ২/১৪৭-১৫০)

এ কারণে সিরাত শুধু ব্যক্তিগত নৈতিকতার পাঠ নয়; নেতৃত্ব, সামাজিক দায়িত্ব ও জনকল্যাণের ক্ষেত্রেও তা গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষার উৎস।

তরুণদের জন্য সিরাতের শিক্ষা

আজকের তরুণ সমাজ পরিচয়, আদর্শ ও জীবনের উদ্দেশ্য নিয়ে নানা ধরনের দ্বন্দ্বের মধ্যে রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরিক্ত প্রভাব, দ্রুত সাফল্যের আকাঙ্ক্ষা এবং অনুকরণের সংস্কৃতি তাদের চিন্তা ও আচরণে গভীর প্রভাব ফেলছে।

এ অবস্থায় রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর তরুণ বয়সের জীবন বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। নবুয়তের আগেই তিনি ব্যবসা করেছেন, মানুষের সঙ্গে লেনদেন করেছেন, সমাজের অন্যায়-অবিচার প্রত্যক্ষ করেছেন এবং হিলফুল ফুজুলের মতো ন্যায়ভিত্তিক সামাজিক উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে সীরাতের প্রাচীন বর্ণনায় পাওয়া যায়। (ইবনু হিশাম, আস-সিরাতুন নববিয়্যাহ, ১/১৪১-১৪৩)

তাঁর জীবন তরুণদের শেখায়, সফলতা শুধু সম্পদ বা সামাজিক মর্যাদার নাম নয়; চরিত্র, দায়িত্ববোধ ও সত্যের প্রতি অবিচলতাই মানুষের প্রকৃত সাফল্যের ভিত্তি।

সিরাত পাঠের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এটিকে শুধু আবেগ ও প্রশংসার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রাখা। রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে ভালোবাসা ঈমানের অংশ। তিনি বলেছেন, ‘তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ মুমিন হবে না, যতক্ষণ না আমি তার কাছে তার পিতা, সন্তান এবং সকল মানুষের চেয়ে অধিক প্রিয় হই।’ (বুখারি, হাদিস : ১৫)

কিন্তু ভালোবাসার প্রকৃত প্রমাণ হলো অনুসরণ। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘বলুন, তোমরা যদি আল্লাহকে ভালোবাস, তবে আমার অনুসরণ করো; আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন এবং তোমাদের পাপ ক্ষমা করবেন।’ (সুরা আলে ইমরান, আয়াত : ৩১)

অতএব সিরাতের উদ্দেশ্য শুধু ঘটনা জানা নয়, বরং জীবনে তার শিক্ষা প্রয়োগ করা।

কীভাবে সিরাত অধ্যয়ন করলে বেশি উপকার পাওয়া যায়?

সিরাত পড়ার ক্ষেত্রেও একটি পদ্ধতি থাকা প্রয়োজন।

এক.  নির্ভরযোগ্য ও প্রামাণ্য গ্রন্থ নির্বাচন করতে হবে।

দুই.  শুধু ঘটনাগুলো পড়লেই হবে না; প্রতিটি ঘটনার শিক্ষা ও প্রেক্ষাপট বুঝতে হবে।

তিন. মক্কি ও মাদানি জীবনের পার্থক্য এবং সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে দাওয়াত ও নেতৃত্বের কৌশল বুঝতে হবে।

চার. একই ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন বর্ণনা থাকলে সনদ ও গ্রহণযোগ্যতার বিষয়টি বিবেচনা করা প্রয়োজন।

সিরাতের প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ উৎসগুলোর মধ্যে ইবনে ইসহাকের বর্ণনা, যা ইবনু হিশাম সম্পাদিত রূপে সংরক্ষিত হয়েছে, ইবনে সাদের আত-তাবাকাতুল কুবরা, আল-ওয়াকিদির আল-মাগাজি এবং পরবর্তী যুগের বহু গ্রন্থ উল্লেখযোগ্য। তবে সব সীরাতগ্রন্থের সব বর্ণনা সমানভাবে নির্ভরযোগ্য নয়। তাই কোরআন, সহিহ হাদিস এবং হাদিস-বিশারদদের যাচাই করা বর্ণনার সঙ্গে মিলিয়ে পাঠ করা অধিক নিরাপদ।

সিরাতকে জীবনের আয়না বানাতে হবে

সিরাত অধ্যয়নের সবচেয়ে বড় সাফল্য তখনই, যখন পাঠক নিজের জীবনকে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনাদর্শের সামনে দাঁড় করাতে পারেন। আমি কি সত্যবাদী? আমি কি আমানত রক্ষা করি? পরিবারকে কীভাবে দেখি? অধীনস্থ মানুষের সঙ্গে আমার আচরণ কেমন? বিপদের সময় আমি কি আল্লাহর ওপর ভরসা করি? ক্ষমতা পেলে আমি কি প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে যাই? দুর্বল মানুষের অধিকার কি আমি রক্ষা করি?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতে পারলে সিরাত আর কেবল একটি বইয়ের বিষয় থাকে না; তা হয়ে ওঠে আত্মশুদ্ধির আয়না।

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবন তাই অতীতের কোনো দূরবর্তী ইতিহাস নয়। এটি বর্তমান মানুষের জন্যও একটি নৈতিক নকশা। তাঁর জীবনের প্রতিটি অধ্যায় মানুষকে নতুন করে ভাবতে শেখায়, নিজের ভুল চিনতে সাহায্য করে এবং উত্তম হওয়ার অনুপ্রেরণা দেয়।

সিরাতের পৃষ্ঠা খুলে বসা মানে কেবল অতীতের দিকে ফিরে তাকানো নয়; বরং নিজের বর্তমানকে সংশোধন করে ভবিষ্যৎকে সুন্দর করার একটি সুযোগ। আর যে পাঠ মানুষের আচরণ, চিন্তা ও চরিত্রে পরিবর্তন আনে, সেই পাঠই সত্যিকার অর্থে জীবন বদলের পাঠ।

লেখক: আলেম ও সাংবাদিক

[email protected]

সিরাতসিরাতুর রাসুলনবী জীবনমহানবী (সা.)-এর জীবন
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    বসুন্ধরা থেকে অভিনেত্রী রিধিকার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    বসুন্ধরা থেকে অভিনেত্রী রিধিকার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    ১৫ আগস্ট ২০২৬, ১৭:৫২

    জুলাই-আগস্ট টুর্নামেন্টে দাওয়াত না পেয়ে অধ্যক্ষের কক্ষ ভাঙচুর

    জুলাই-আগস্ট টুর্নামেন্টে দাওয়াত না পেয়ে অধ্যক্ষের কক্ষ ভাঙচুর

    ১৫ আগস্ট ২০২৬, ২১:৪২

    গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট পুরোপুরি কাটতে সময় লাগবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

    গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট পুরোপুরি কাটতে সময় লাগবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

    ১৫ আগস্ট ২০২৬, ১৮:১৩

    ঝলসানো জীবনের কবি

    ঝলসানো জীবনের কবি

    ১৫ আগস্ট ২০২৬, ১৭:৩৩

    সালমান বেঁচে থাকলে হয়তো অকেজো হয়ে যেত : নীলা চৌধুরী

    সালমান বেঁচে থাকলে হয়তো অকেজো হয়ে যেত : নীলা চৌধুরী

    ১৫ আগস্ট ২০২৬, ২১:২৯

    অস্ট্রেলিয়ার দর্প চূর্ণ ডারউইনে

    অস্ট্রেলিয়ার দর্প চূর্ণ ডারউইনে

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৩৬

    নারী প্রমাণে ব্যর্থ হয়ে নিষিদ্ধ দুই অ্যাথলেট

    নারী প্রমাণে ব্যর্থ হয়ে নিষিদ্ধ দুই অ্যাথলেট

    ১৫ আগস্ট ২০২৬, ২১:১৭

    সিরাজগঞ্জে এমপি আয়নুল হকের গাড়িতে হামলা

    সিরাজগঞ্জে এমপি আয়নুল হকের গাড়িতে হামলা

    ১৫ আগস্ট ২০২৬, ২১:০০

    গাছে ওঠাই যেন কাল হলো নাগর ঢালীর

    গাছে ওঠাই যেন কাল হলো নাগর ঢালীর

    ১৫ আগস্ট ২০২৬, ২১:২৩

    হরমুজ নিয়ে অনড় ইরান, মার্কিনিদের তেলের বাড়তি দাম মানতে বললেন ট্রাম্প

    হরমুজ নিয়ে অনড় ইরান, মার্কিনিদের তেলের বাড়তি দাম মানতে বললেন ট্রাম্প

    ১৫ আগস্ট ২০২৬, ২২:৪২

    গ্যাস বিদ্যুতে রেকর্ড ঘাটতি

    গ্যাস বিদ্যুতে রেকর্ড ঘাটতি

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৪২

    বিনিয়োগ রপ্তানিতে বিপদসংকেত

    বিনিয়োগ রপ্তানিতে বিপদসংকেত

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৪২

    বঙ্গবন্ধু হত্যা রাজনৈতিক ইতিহাসের কলঙ্কিত অধ্যায়: জাসদ

    বঙ্গবন্ধু হত্যা রাজনৈতিক ইতিহাসের কলঙ্কিত অধ্যায়: জাসদ

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৩৫

    বই পড়াতে পাখি বাঁচাতে নিবেদিত নাহিদ

    বই পড়াতে পাখি বাঁচাতে নিবেদিত নাহিদ

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ০২:৩২

    উপকূলে ভারি বর্ষণের পূর্বাভাস, ৩ নাম্বার সতর্কসংকেত

    উপকূলে ভারি বর্ষণের পূর্বাভাস, ৩ নাম্বার সতর্কসংকেত

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৪৩

    advertiseadvertise