বিভাজন বন্ধ করে, ফ্যাসিবাদ ফেরার সুযোগ রুখে দিতে হবে : পানিসম্পদ মন্ত্রী

ছবি: আগামীর সময়
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর কোনো ধরনের বিভাজন সৃষ্টি হতে দেওয়া যাবে না। নিজেদের মধ্যে বিভক্তি তৈরি হলে সেই সুযোগে মাফিয়া ও ফ্যাসিবাদ পুনরায় মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে। তাই জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে দেশের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
আজ বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) জান্নাতুল ফেরদৌস সিনেট ভবনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪’-এর দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আয়োজিত দোয়া ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেছেন।
বক্তব্যে মন্ত্রী দেশের সেচব্যবস্থা ও অর্থনীতি গতিশীল করতে সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে বললেন, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সারা দেশে কমপক্ষে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করা হবে। তিনি দাবি করেন, এটি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের একটি ঐতিহাসিক কর্মসূচি। জাবি প্রশাসনের বিশেষ অনুরোধে দেশের অন্যান্য এলাকার আগে এই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকেই খাল পুনঃখনন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে।
মেধাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দিয়ে তিনি বললেন, এখন সরকারি চাকরিতে মেধার বাইরে কোনো বিবেচনার সুযোগ নেই। দলীয় পরিচয়ের চেয়ে যোগ্যতাই হবে নিয়োগের প্রধান মানদণ্ড। একই সঙ্গে তিনি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের তরুণ নেতৃত্বকে দেশের অগ্রযাত্রায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
এ ছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি আধুনিক অডিটোরিয়াম নির্মাণ এবং গবেষণা খাতকে আরও গতিশীল করতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন মন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম এবং উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহম্মদ নজরুল ইসলাম। সভার আহ্বায়ক ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. সোহেল রানা।
এ ছাড়া, অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারের সদস্য, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।




