Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় রাজনীতি

ডাকসুতে অন্তর্কোন্দল, সাদিক কায়েমদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জুমার

অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৮:৪৮
ডাকসুতে অন্তর্কোন্দল, সাদিক কায়েমদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জুমার

সংগৃহীত ছবি

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে এসেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্যদের অন্তর্কোন্দল। গত রাতে মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ঘিরে এই সমন্বয়হীনতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।


ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমা বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এরইমধ্যে ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা সমন্বয়হীনতার অভিযোগ এনেছেন।

ঘটনার শুরু শুক্রবার দিবাগত রাতে। মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে ডাকসু সদস্যদের একাংশ শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যান শহীদ মিনারে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সাদিক কায়েম, এস এম ফরহাদ ও মহিউদ্দিন খানরা। তাদের সঙ্গে ছিলেন মূলত ছাত্রশিবির সংশ্লিষ্টরাই। আর তাতে জায়গা হয়নি ফাতেমা তাসনিম জুমা, সর্বমিত্র চাকমা, হেমা চাকমা, উম্মে উসওয়াতুন রাফিয়াসহ বাকি ডাকসু সদস্যদের।

সর্বমিত্র জানান বিষয়টি তিনি জেনেছেন মূলত বিটিভি লাইভ থেকে। তিনি জানান, হেমা চাকমা, ফাতেমা তাসনিম জুমা, সর্ব মিত্র চাকমা, রাফিয়া, উম্মে সালমা অ্যান্ড আদার্স আমরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের বদৌলতে জানলাম ডাকসু শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে গেছে, হাহা!

এর কিছুক্ষণ পরই জুমা জানান তার অভিযোগ। তিনি বলেন, সব সমস্যার মাঝেও সবচেয়ে প্রকট হয়ে ওঠে ডাকসুর সমন্বয়হীনতা। শহীদ মিনারে প্রথম প্রহরে ডাকসু কখন ফুল দিতে যাবে— প্রশ্ন দুইবার করার পর কল দিয়ে আমাকে জানানো হয়, সিনেট সদস্যরা যাবে কেবল রাষ্ট্রীয় প্রটোকলে। সিলেক্টিভ পাস। ফাইন। কিন্তু একটু পর দেখি, এই সিলেক্টিভ পাস একটি দলের ইউনিয়ন লেভেলের কর্মীদেরও আছে। নাই কেবল ডাকসুর। ডাকসুর এটা কেমন গাফলতি, আমি জানি না।

প্রভাতফেরীর আয়োজন বিশ্ববিদ্যালয় করে উল্লেখে করে তিনি জানান, সেইটার চিঠি আসে কেবল ভিপি, জিএস, এজিএসের কাছে। এই মেসেজ কনভে করার প্রয়োজনীয়তা তারা অনুভব করেনি। গ্রুপে জিজ্ঞেস করার পরেও না। পরে আমি কল দিয়ে জেনে গ্রুপে নোটিস দিলাম। দেখা যাক, কে কে আসার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন।

ডাকসুর পক্ষ থেকে ফুল দিবে সিনেটের সদস্যরা মিলে— এমন প্ল্যান হলে গ্রুপে জানাতেন। অথবা সেখানে পরে সকলের জন্য এন্ট্রি এক্সেস থাকলে বাকিদের গ্রুপে বলে দিতেন যে, এই টাইমে আমরা ফুল দিব, উপস্থিত থাকবেন। সমস্যা তো ছিল না। আপনারা ডাকসুর নাম না নিয়ে ‘সিনেট সদস্যবৃন্দ’ ব্যানারে গেলেও মানুষ বাকি সম্পাদকদের দোষ খুঁজত না।

জুমা বলেন, পরিস্থিতিটা আলোচনার মাধ্যমে এড়ানোই যেত। একে তো প্রশাসনিক কারণে সকলের উপর চাপ। সেই পথ যখন স্বয়ং ডাকসু প্রতিনিধিরা সুগম করে, তখন বাকিদের যাওয়ার জায়গা থাকে না। এইসব কিছু গ্রুপে বলে আলাপ করে মিটানো যায়। গ্রুপে মিটিংয়ে এসব প্রশ্নের উত্তর ক্যাঁচাল লাগার আগে কেউ দেয় না।

তিনি বলেন, সবার কাজগুলো শীর্ষ তিন নেতৃত্বই কঠিন করে তুলছে। ডাকসু আমার কাছে শিক্ষার্থীদের আমানত। সম্পাদক হিসেবে আমার দায় আছে শিক্ষার্থীদের কাছে। আমার কাছে শিক্ষার্থীরা জবাব চাইলে আমি দিতে বাধ্য। তবে এই জবাব আমারও দিতে সুবিধা হত ভিপি-জিএস-এজিএস ব্যাপারগুলো আরো সহজ করলে। আমার এসব সিলি ইস্যুতে কথা বলা লাগতো না আর।

ডাকসুসাদিক কায়েম
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise