এক আসন ছেড়ে দিয়েও জামানত খোয়ালেন মান্না

সংগৃহীত ছবি
ভোটের চারদিন আগে দুই আসনের একটি ছেড়ে দিয়েও জামানত রক্ষা করতে পারলেন না নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। নিজ দলের কেটলি প্রতীক নিয়ে বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসন থেকে ৩ হাজার ৪২৬ ভোট পান তিনি।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় জানায়, আসনটিতে ভোট পড়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৮০২টি। এর মধ্যে ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির মীর শাহে আলম।
নির্বাচনের আইন অনুযায়ী, জামানত রক্ষার জন্য প্রার্থীকে মোট ভোটের অন্তত আট ভাগের এক ভাগ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেতে হবে। সে হিসাবে বগুড়া-২ আসনে জামানত টিকিয়ে রাখতে মান্নার প্রয়োজন ছিল ৩০ হাজার ৪৭৬ ভোট। কিন্তু তিনি পেয়েছেন মোট ভোটের মাত্র ১ দশমিক ৪ শতাংশ।
আসনটিতে বিএনপির মীর শাহে আলমের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৫৪৮ ভোট।
এই আসন মাহমুদুর রহমান মান্নাকে বিএনপি ছেড়ে দিতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত দলটি নিজেদের প্রার্থী মীর শাহে আলমকে মনোনয়ন দেয়। মান্না লড়তে নামেন নাগরিক ঐক্যের নিজস্ব প্রতীক কেটলি নিয়ে।
ঢাকা- ১৮ আসনেরও প্রার্থী ছিলেন এই নেতা। তবে নির্বাচনের চারদিন আগে রোববার ওই আসন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন তিনি।
নিজ ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেয়া পোস্টে তিনি লেখেন, ‘এখন আমি বগুড়ায়। একটি বিশেষ পরিস্থিতিতে সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৮ এবং বগুড়া-২ (আসন) থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। নির্বাচন এতই ব্যয়বহুল যে তা নির্বাহ করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। এই পরিপ্রেক্ষিতে আমি ঢাকা-১৮ আসনের নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

