ফারুক রহমান
জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল গণতন্ত্র

সংগৃহীত ছবি
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল গণতন্ত্র। তারই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্রকে সুসংহত ও শক্তিশালী করে টেকসই উন্নত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব। এমনটাই বলছিলেন ন্যাশনাল লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন মো. ফারুক রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর কালভার্ট রোডের দলীয় কার্যালয়ে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেছেন তিনি। দলের ঢাকা মহানগর শাখার উদ্যোগে ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও গণতন্ত্র একই সূত্রে গাথা’— শীর্ষক এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় ১২ দলীয় জোটের এই নেতা বলেছেন, ‘বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর রাষ্ট্রকে একটি স্থিতিশীল, কার্যকর ও গণতান্ত্রিক কাঠামোয় উন্নীত করাই ছিল সবচেয়ে কঠিন কাজ। যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতি, খাদ্যসংকট, প্রশাসনিক দুর্বলতা, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং আন্তর্জাতিক বাস্তবতার আবর্তে নবীন দেশটি কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হয়। এর পাশাপাশি রাজনৈতিক ক্ষমতা এককেন্দ্রীকরণ, স্বাধীন মতপ্রকাশে রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপ এবং একদলীয় শাসনব্যবস্থার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সম্ভাবনাকে ক্রমেই সংকুচিত করতে থাকে। ইতিহাসের এই অগ্নিগর্ভ সময়ে জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।’
‘জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলেন— যেখানে জাতীয়তাবাদ, উৎপাদন, উন্নয়ন, স্বনির্ভরতা, জনগণের ক্ষমতায়ন এবং রাষ্ট্রের স্বাধীন মর্যাদা বিবিধ বিষয়কে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দর্শন নির্মিত হয়। তার রাজনীতি কোনো সংকীর্ণ গোষ্ঠীভিত্তিক রাজনীতি ছিল না; বরং তিনি সমাজের নানা শ্রেণি, পেশা ও মতের মানুষকে রাষ্ট্র নির্মাণের অংশীদার হিসেবে দেখতে চেয়েছিলেন’, যোগ করেন তিনি।
মাইদুল ইসলাম আসাদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন— দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন, জিয়াউর রহমান সমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন খোকন, আমজনতার দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ, ন্যাশনাল লেবার পার্টির মুখপাত্র মো. শরিফুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক মো. হাবিবুর রহমান ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. আব্দুর রাজ্জাক রানা।






