বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পরীক্ষায় পাস করলেন জাইমা রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একমাত্র কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির (এনরোলমেন্ট) প্রথম ধাপ এমসিকিউ (নৈর্ব্যক্তিক) পরীক্ষায় সফলভাবে পাস করেছেন।
শুক্রবার রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি নিজেই এ খবরটি জানিয়েছেন।
ফেসবুক স্টোরিতে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমি আপনাদের সবার কাছে আমার অত্যন্ত ছোট একটি ব্যক্তিগত সাফল্যের কথা শেয়ার করতে চাই। নিজের মাতৃভূমিতে আইন প্র্যাক্টিস করার লক্ষ্যে আজ আমি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের প্রথম ধাপ এমসিকিউ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলাম। মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আমি সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পেরেছি।’
এর আগে, শুক্রবার রাতে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আইনজীবী তালিকাভুক্তির এই এমসিকিউ পরীক্ষার আনুষ্ঠানিক ফল প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, আইনজীবী হওয়ার প্রথম ধাপে সারা দেশ থেকে মোট ৯ হাজার ২০১ জন পরীক্ষার্থী কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়েছেন।
বার কাউন্সিল সূত্রে জানা গেছে, এবারের এই প্রতিযোগিতামূলক এমসিকিউ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য সারা দেশ থেকে মোট ৩৭ হাজার ৮০ জন প্রার্থী আবেদন করেছিলেন। ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর রাতেই উত্তীর্ণদের মেধা তালিকা বার কাউন্সিলের নিজস্ব ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে।
আইনজীবী হিসেবে বাংলাদেশে আইনি প্র্যাক্টিস বা তালিকাভুক্ত হতে হলে প্রার্থীদের পর্যায়ক্রমে এমসিকিউ, লিখিত এবং মৌখিক (ভাইভা)—এই তিনটি কঠিন ধাপের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। প্রাথমিক এই ধাপগুলো সফলভাবে সম্পন্ন করার পর প্রার্থীরা দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ ছাড়া বাংলাদেশের অন্যান্য জেলা আদালত, নিম্ন আদালত ও বিশেষ ট্রাইব্যুনালে সরাসরি আইন পেশায় নিয়োজিত হওয়ার আইনি সুযোগ পাবেন। এই পরীক্ষা সংক্রান্ত যাবতীয় সিদ্ধান্ত, তদারকি ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়ে থাকে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট কমিটি। প্রথম ধাপ পার হওয়ায় জাইমা রহমান এখন পরবর্তী লিখিত পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেবেন।
জাইমা রহমানের এই ব্যক্তিগত অর্জনের খবরটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই তাঁকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনে ভাসাচ্ছেন সর্বস্তরের মানুষ।





