ট্রিলিয়ন ডলারের ক্লাবে প্রথম সদস্য ইলন মাস্ক

সংগৃহীত ছবি
১ ট্রিলিয়ন ডলার কত বড় অঙ্ক? প্রতিদিন ১০ লাখ ডলার খরচ করলেও পুরো অর্থ শেষ করতে লাগবে প্রায় ২,৭৪০ বছর! এত পরিমাণ সম্পদের মালিক বনে গেলেন ইলন মাস্ক!
এক সময় মানুষ ভাবত, বিলিয়নিয়ার হওয়াই যেন কল্পনার শেষ সীমা। তারপর এলেন ইলন মাস্ক।
আর এখন, স্পেসএক্সের ঐতিহাসিক আইপিওর পর তিনি এমন এক ক্লাবে প্রবেশ করেছেন, যেখানে সদস্য মাত্র একজন—বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার!
স্পেসএক্সের শেয়ারের উল্লম্ফনে তিনি এই মাইলফলক ছুঁয়েছেন—অর্থাৎ যার সম্পদের পরিমাণ এক ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি!
মার্কিন শেয়ারবাজারে বাংলাদেশ সময় গতকাল শুক্রবার স্পেসএক্সের শেয়ার লেনদেন শুরু হওয়ার পরই কোম্পানিটির শেয়ারদর প্রায় ২০ শতাংশ বেড়ে যায়। এর ফলে স্পেসএক্সে ইলন মাস্কের ৩৮ শতাংশ মালিকানার মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ৮০০ বিলিয়ন ডলার।
শেয়ারের এই ঊর্ধ্বগতির কারণে স্পেসএক্সের মোট বাজারমূল্য ২ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা প্রযুক্তি ও মহাকাশ শিল্পের ইতিহাসে এক বিশাল ঘটনা।
মাস্কের সম্পদের বড় অংশ এখনও আসে টেসলা থেকে। বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলায় তার ১০ শতাংশের কিছু বেশি শেয়ারের মূল্য প্রায় ১৬৫ বিলিয়ন ডলার।
এছাড়া তার কাছে থাকা স্টক অপশন ব্যবহার করে তিনি আরও প্রায় ৮ শতাংশ শেয়ার কিনতে পারবেন, যার বর্তমান মূল্য প্রায় ১১৪ বিলিয়ন ডলার।
ফোর্বসের হিসাবে, স্পেসএক্সের শেয়ারবাজারে প্রবেশের আগেই মাস্কের মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল প্রায় ৯৮০ বিলিয়ন ডলার। ফলে ট্রিলিয়ন ডলারের সীমা অতিক্রম করতে তার খুব বেশি শেয়ারমূল্য বৃদ্ধিরও প্রয়োজন হয়নি।
অন্যদিকে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহও তুঙ্গে। যারা স্পেসএক্সের আইপিওতে শেয়ার কিনতে পারেননি, তারা এখন বাজার থেকে শেয়ার সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। এর ফলেই শেয়ারের দাম ১৩৫ ডলারের আইপিও মূল্য থেকে বেড়ে ১৬২.৫৮ ডলারে পৌঁছেছে, যা প্রায় ২০ শতাংশ বেশি।
আর এই উত্থানের মধ্য দিয়েই ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন মানুষের সম্পদের পরিমাণ এক ট্রিলিয়ন ডলারের গণ্ডি পেরিয়ে গেল—আর সেই মানুষটির নাম ইলন মাস্ক।




