বিশ্বকাপ
দুর্দান্ত খেলেও জয় বঞ্চিত কানাডা

সংগৃহীত ছবি
বিশ্বকাপের প্রথম দিন জয় দিয়ে আসর শুরু করেছিল আয়োজক মেক্সিকো। দ্বিতীয় দিন অপর সহ-আয়োজক কানাডাকেও হারতে হয়নি। তবে তারা জিততেও পারেনি। বি গ্রুপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র করেছে বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনার সঙ্গে।
টরন্টোতে দিনের শুরুতে হয়েছিল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। আগের দিনের রীতি মেনে অপর আয়োজক দেশে আরেকটি বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান দেখলো বিশ্ব। এরপর মাঠের লড়াই।
ম্যাচের প্রথমার্ধের চেয়ে দ্বিতীয়ার্ধই আকর্ষণীয় ছিল বেশি। কানাডার দ্বিতীয়ার্ধের পুরোটা সময় দাপটে খেলেছে। এই সময়ে অন্তত তিন গোল পেতে পারতো দলটি। সব মিলিয়ে বসনিয়ার জালে চার গোল দেওয়া অসম্ভব ছিল না স্বাগতিকদের জন্য। কিন্তু কখনও বার পোস্ট। কখনও বিপক্ষ ডিফেন্ডার এবং ভাগ্য সঙ্গে না থাকায় জয় বঞ্চিত স্বাগতিকরা। অবশ্য বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম পয়েন্ট ঘরের মাঠেই পেল কানাডা।
ইতালিকে কাঁদিয়ে বিশ্বকাপে পা রাখা বসনিয়া শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক হয়ে খেলে। প্রথম ম্যাচে একাদশে ছিলেন না দলের সেরা তারকা এডিন জেকো। তাতে বসনিয়ার আক্রমণের ধার কমেনি। বরং আক্রমণের ধারা বজায় রেখে ২১ মিনিটে এগিয়ে যায় তারা। কোলসিনাচের কর্নার কিক থেকে জোকো লুকিচ হেড থেকে গোল করেন।
প্রথমার্ধে আর গোল পায়নি কোনো দল। তবে দ্বিতীয়ার্ধে বসনিয়াকে একেবারে চেপে ধরে কানাডা। ৫৪ মিনিটে কানাডা গোল দিয়েই ফেলেছিল প্রায়। বসনিয়া অধিনায়ক কোলাসিনাচ ফাঁকা পোস্টে বল যাওয়া ফেরান। রিচি লারিয়ার দুর্ভাগ্যই বলতে হয়। তার বাড়ানো শটটি কোলাসিনাচের ফেরানোর পথে বল বার পোস্টে লেগে ফিরে আসে।
৫৫ মিনিটে বসনিয়ার ডেমিরোভিচ কানাডা গোলরক্ষকের সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান লড়াইয়ে ব্যর্থ হন। তাই গোলও করতে পারেননি। ৭০ মিনিটের ঠিক আগে আরও একবার গোল বঞ্চিত কানাডা। তবে ৭৯ মিনিটে আর হতাশ হতে হয়নি। লারিনের ডি বক্স থেকে নেওয়া শট বসনিয়া খেলোয়াড়ের পায়ে লেগে ডাইভার্শন নেয়। এতে বসনিয়া গোলরক্ষকের জন্য আর বল থামানো সম্ভভ ছিল না। এই গোলে প্রথম ম্যাচ থেকে পয়েন্ট নিশ্চিত করে কানাডা।




