গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবি ছাত্রশক্তির

সংগৃহীত ছবি
গণভোটের রায় অনুযায়ী অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বানের দাবি জানিয়েছে জাতীয় ছাত্রশক্তি। একই সঙ্গে সংসদে গঠিত সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি বাতিলের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
আজ মঙ্গলবার এক যৌথ বিবৃতিতে জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি আবু বাকের মজুমদার ও সাধারণ সম্পাদক তাহমীদ আল মুদ্দাসসীর চৌধুরী এ দাবি জানান।
বিবৃতিতে তারা বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটে দেশের মানুষ স্পষ্ট রায় দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের সংশোধিত গেজেট অনুযায়ী, ৪ কোটি ৭২ লাখের বেশি মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন। এর মাধ্যমে তারা জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫-এর পক্ষে সম্মতি জানিয়েছেন। ওই আদেশ অনুযায়ী সংবিধান পরিবর্তনের জন্য সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের বিধান রয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, জনগণ গণভোটের মাধ্যমে সংবিধান পরিবর্তনের পদ্ধতি নির্ধারণ করে দিয়েছেন। কিন্তু সেই রায়কে পাশ কাটিয়ে ক্ষমতাসীন দল সংসদে সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত একটি বিশেষ কমিটি গঠন করেছে। জনগণের দেওয়া রায়ের পরিবর্তে দলীয় সুবিধা অনুযায়ী সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এতে আরও বলা হয়, বিশেষ কমিটির গঠন, কার্যক্রম কিংবা সুপারিশ কোনো কিছুই জাতীয় ছাত্রশক্তি স্বীকার করে না। কমিটিতে কারা রয়েছেন, কতটি বৈঠক হয়েছে কিংবা কী প্রস্তাব এসেছে, সেগুলো তাদের বিবেচ্য নয়। ছাত্রশক্তি বলছে, ‘যে কাঠামোর ভিত্তিই গণভোটের রায়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক, সেই কাঠামোর আলোচনার মাধ্যমে সংবিধান সংস্কার সম্ভব নয়।’
বিবৃতিতে তিন দফা তুলে ধরে ছাত্রশক্তি। সেগুলো হলো, সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি অবিলম্বে বাতিল করা এবং এর সুপারিশের ভিত্তিতে কোনো সংশোধনী বিল না আনা; গণভোটের রায় ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করা এবং ওই পরিষদের মাধ্যমে জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার সম্পন্ন করা।
বিবৃতিতে ছাত্রশক্তি জানায়, দলটি বিশেষ কমিটির কোনো মতবিনিময়, শুনানি বা পরামর্শ সভায় অংশ নেবে না।



