ভোটের ৮ দিন আগে ‘সুখবর’ পেলেন বিএনপির ৪ প্রার্থী

ফাইল ছবি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আর মাত্র ৮ দিন পর অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে অংশ নিতে সব প্রার্থীরা যখন প্রচারণায় তুমুল ব্যস্ত; ঠিক তখন বিএনপির চার প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন কিনা— এ নিয়ে দোটানায় ছিলেন। অবশেষে আদালতের মাধ্যমে বিষয়টি সুরাহা হয়েছে।
সুখবর পাওয়া বিএনপি চার প্রার্থী হলেন— ড. এম এ কাইয়ুম, আসলাম চৌধুরী, সারোয়ার আলমগীর ও ফাহিম চৌধুরী। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তাদের আইনগত সব বাধা কেটে গেছে।
মঙ্গলবার বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এম এ কাইয়ুমের বিরুদ্ধে করা রিটটি সরাসরি খারিজের আদেশ দেন।
একই দিন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ আসলাম চৌধুরী, সারোয়ার আলমগীর ও ফাহিম চৌধুরীর প্রার্থিতা ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে আদেশ দেন।
ড. এম এ কাইয়ুম ঢাকা-১১ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে লড়ছেন। দ্বৈত নাগরিকত্ব ও তথ্য গোপনের অভিযোগে তার প্রার্থিতা স্থগিত চেয়ে সোমবার রিট করেছিলেন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তবে আজ হাইকোর্ট সেই রিট খারিজ করে দিয়েছেন।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম-৪ আসনে আসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-২ আসনে সারোয়ার আলমগীর, শেরপুর-২ আসনে ফাহিম চৌধুরীর ধানের শীর্ষ প্রতীকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে কোনো বাধা নেই বলে আদেশ দেন হাইকোর্টের আপিল বিভাগ।
জানা গেছে, চট্টগ্রাম-৪ আসনে আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার বিরুদ্ধে যমুনা ব্যাংকের করা আবেদনের ওপর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।
এর আগে গত ১ ফেব্রুয়ারি আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বৈধ ঘোষণার বিরুদ্ধে আপিল আবেদনের ওপর শুনানি হয়।
চট্টগ্রাম-২ আসনে (ফটিকছড়ি) বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বাতিলের আদেশ স্থগিত করে আদেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। আপিল বিভাগ সেই আদেশ স্থগিত করে তাকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনে আপিল শুনানি শেষে প্রার্থিতা বাতিলের রায় দেয় ইসি। সারোয়ার আলমগীর রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে বৈধ হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগে আপিল দায়ের করা হয়েছিল।



