Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
মানুষের বিপদে ছোটেন খলিল
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় মতামত

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিশ্বনেতারা যেখানে নীরব, সেখানে সরব পোপ

অ্যান্ড্রু মিত্রোভিকা
agamir somoy
প্রকাশ: ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৪৮
শেয়ার করুন:
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিশ্বনেতারা যেখানে নীরব, সেখানে সরব পোপ

ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পোপ লিও। ছবি: সংগৃহীত

তারা দুজনই মার্কিনি। একজন ক্ষমতাধর, অন্যজন প্রভাবশালী। একজনের হাতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামরিক শক্তি। অন্যজন নেতৃত্ব দেন প্রায় ১৪০ কোটি মানুষের বিশ্বাসকে। এই দুই পরিচয়ের ভেতরেই লুকিয়ে আছে আজকের বিশ্ব রাজনীতির এক তীব্র বৈপরীত্য। একই রাষ্ট্র, একই ভাষা, একই বাস্তবতা—তবুও তাদের অবস্থান এখন একেবারেই ভিন্ন।

একজন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার রাজনীতি উচ্চকণ্ঠ, অনেক সময় আক্রমণাত্মক। তিনি শক্তির প্রদর্শনকে কূটনীতির বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করেন। হুমকি, চাপ, এমনকি অবমাননাকর ভাষাও তার রাজনৈতিক আচরণের অংশ হয়ে উঠেছে। তার কাছে প্রভাব মানেই আধিপত্য, কূটনীতি মানেই অনেক সময় ভীতি সৃষ্টি। এই ধারা তাকে দ্রুত প্রভাব বিস্তার করতে সাহায্য করলেও, একই সঙ্গে তৈরি করেছে গভীর বিতর্ক।

অন্যজন মার্কিন বংশোদ্ভূত ক্যাথলিক চার্চের প্রধান পোপ লিও চতুর্দশ। তার কণ্ঠ শান্ত কিন্তু অবস্থান অনড়। তিনি ধীরে কথা বলেন, কিন্তু স্পষ্ট। তার ভাষায় হুমকি নেই, আছে নৈতিক দৃঢ়তা। তার শক্তি অস্ত্রে নয় বরং বিশ্বাসে, মানবিকতায় এবং নৈতিক অবস্থানে। এই অবস্থান তাকে শুধু ধর্মীয় নেতা নয়, একটি নৈতিক কণ্ঠে পরিণত করেছে।

এই দুই চরিত্রকে পাশাপাশি রাখলে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়। শক্তি শুধু অস্ত্রে সীমাবদ্ধ নয়, নৈতিক অবস্থানও শক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ রূপ। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই নৈতিক শক্তির চর্চা এখন বিরল হয়ে উঠছে। বিশ্ব রাজনীতি এখন অনেক বেশি তাৎক্ষণিক ফল ও প্রভাবের ওপর নির্ভরশীল।

বিগত বছরগুলোতে দেখা গেছে, ট্রাম্পের সামনে অনেক বিশ্বনেতা নীরব থেকেছেন। কেউ সরাসরি বিরোধিতা করেননি। কেউ কেউ কৌশলে পাশ কাটিয়ে গেছেন। তাদের মনে হয়েছে, সরাসরি চ্যালেঞ্জ না করাই বুদ্ধিমানের কাজ। তারা ভেবেছেন, এতে উত্তেজনা কমবে এবং সম্পর্ক বজায় থাকবে।

কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। এই নীরবতা আগ্রাসন থামায়নি বরং তা আরও উৎসাহ দিয়েছে। কারণ ইতিহাস বলছে, যে শক্তিকে প্রশ্ন করা হয় না, সেটি নিজেকে আরও অপ্রতিরোধ্য ভাবতে শুরু করে। ট্রাম্পের ক্ষেত্রেও সেটিই ঘটেছে। তার ভাষা আরও কঠোর হয়েছে, অবস্থান আরও স্পষ্টভাবে শক্তিনির্ভর হয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে পোপ লিওর অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। তিনি নীরব থাকেননি, আপস করেননি। বরং স্পষ্টভাবে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন। যুদ্ধের বিরুদ্ধে, সহিংসতার বিরুদ্ধে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি সরাসরি কথা বলেছেন। তার এই উচ্চারণ শুধু বক্তব্য নয়, এটি একটি নৈতিক অবস্থান।

ইরানকে ঘিরে উত্তেজনার সময় তার বক্তব্য ছিল তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি মনে করিয়ে দেন, যুদ্ধ কোনো কৌশলগত খেলা নয়; এটি মানুষের জীবন নিয়ে খেলা। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় নিরীহ মানুষ। যারা কোনো সিদ্ধান্ত নেয় না, কিন্তু তার ফল ভোগ করে। এই দৃষ্টিভঙ্গি বিশ্ব রাজনীতির প্রচলিত ভাষাকে চ্যালেঞ্জ করে।

এই মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি আজকের বিশ্ব রাজনীতিতে প্রায় অনুপস্থিত। রাষ্ট্রগুলো এখন অনেক বেশি কৌশল, শক্তি ও স্বার্থের ভাষায় কথা বলে। সেখানে মানুষের কষ্ট, দুর্ভোগ ও বাস্তবতা অনেক সময় আড়ালেই থেকে যায়। এই আড়াল ভাঙার কাজটাই করেছেন পোপ লিও।

পোপ লিও এই জায়গাতেই আলাদা। তিনি সরাসরি বলেছেন, নিরীহ মানুষের জীবন কোনো রাজনৈতিক হিসাবের অংশ হতে পারে না। এই বক্তব্য শুধু নৈতিক নয়। এটি একটি রাজনৈতিক অবস্থানও। কারণ এটি শক্তির রাজনীতির সীমাবদ্ধতাকে সামনে আনে।

ধর্মের অপব্যবহার নিয়েও সরব হয়েছেন পোপ লিও। তার মতে, ঈশ্বরের নামে যুদ্ধকে বৈধতা দেওয়া এক ধরনের বিপজ্জনক বিকৃতি। যারা ধর্মকে ব্যবহার করে সহিংসতা ন্যায্য করতে চায়, তারা আসলে বিশ্বাসকেই ক্ষতিগ্রস্ত করে। এই অবস্থান ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের বিরুদ্ধে একটি স্পষ্ট বার্তা।

তার এই অবস্থান নতুন নয়। তার পূর্বসূরি পোপ ফ্রান্সিসও একই পথে হেঁটেছেন। তবে পোপ লিও এই অবস্থানকে আরও স্পষ্ট করেছেন, আরও সরাসরি করেছেন। তিনি কূটনৈতিক ভাষার আড়ালে থাকেননি বরং সরাসরি সত্য উচ্চারণ করেছেন।

পোপ লিও শুধু ট্রাম্পকে নয়, একটি মানসিকতাকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। সেই মানসিকতা হলো—সবকিছু শক্তি দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এই ধারণা যে ভুল, তা তিনি বারবার তুলে ধরেছেন। তার বক্তব্যে বারবার উঠে এসেছে সংযম, সহনশীলতা এবং মানবিকতার গুরুত্ব। তার মতে, প্রকৃত শক্তি অস্ত্রের প্রদর্শনে নয়। প্রকৃত শক্তি সংযমে, সহনশীলতায় এবং
মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষমতায়। সংলাপই সমাধানের পথ, সংঘাত নয়। এই দৃষ্টিভঙ্গি বর্তমান বৈশ্বিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

অন্যদিকে, ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া ছিল অনেকটাই প্রত্যাশিত। কঠোর ভাষা সামনে এসেছে, পরোক্ষ হুমকিও এসেছে। এমনকি ভ্যাটিকানকেও চাপের মুখে ফেলার চেষ্টা হয়েছে বলে জানা যায়। এটি দেখায়, শক্তির রাজনীতি সমালোচনাকে সহজে গ্রহণ করে না।

কিন্তু পোপ লিও পিছু হটেননি। তিনি ভয় পাননি। বরং আরও দৃঢ় হয়েছেন। স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, সত্য বলা তার দায়িত্ব। এই দায়িত্ব থেকে তিনি সরে আসবেন না। তার এই অবস্থান তাকে একটি নৈতিক প্রতিরোধের প্রতীক করে তুলেছে।

এই পুরো পরিস্থিতি আমাদের সামনে একটি বড় প্রশ্ন তুলে ধরে। বিশ্ব রাজনীতি কি শক্তির প্রদর্শনের ওপর নির্ভর করবে? নাকি নৈতিক অবস্থানের ওপর দাঁড়াবে? এই প্রশ্নের উত্তর শুধু বর্তমান নয়, ভবিষ্যতের রাজনীতিকেও প্রভাবিত করবে।

একদিকে রয়েছে ক্ষমতা, সামরিক শক্তি এবং আধিপত্যের রাজনীতি। অন্যদিকে রয়েছে মানবিকতা, নৈতিকতা এবং সত্যের পক্ষে দাঁড়ানোর সাহস। এই দ্বন্দ্ব নতুন নয়। তবে এখন এটি আরও স্পষ্ট।

এই স্পষ্টতার মধ্যেই পোপ লিও একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হয়ে উঠেছেন। তিনি দেখিয়েছেন, নীরবতা সবসময় সমাধান নয়। অনেক সময় নীরবতা সমস্যাকে আরও বড় করে তোলে। তার পরিবর্তে স্পষ্টভাবে কথা বলা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো জরুরি।

পোপ লিওর অবস্থান অন্তত এটুকু স্পষ্ট করে, নৈতিক সাহসও এক ধরনের শক্তি। অনেক সময় সেটিই সবচেয়ে প্রয়োজনীয় শক্তি হয়ে ওঠে।

লেখক: আল-জাজিরার কলামিস্ট, ভাষান্তর: মনির হোসেন রনি

ট্রাম্পইরান যুদ্ধপোপবিশ্বনেতা
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ‘আই অ্যাম অ্যাট গান পয়েন্ট’- বলেছিলেন তাহসিফ

    ‘আই অ্যাম অ্যাট গান পয়েন্ট’- বলেছিলেন তাহসিফ

    মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা সংশোধনে অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত নয়: বিএসইসি চেয়ারম্যান

    মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা সংশোধনে অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত নয়: বিএসইসি চেয়ারম্যান

    দুই ঘণ্টা পরও সারেনি ত্রুটি, বিমান থেকে নামলেন প্রধানমন্ত্রী

    দুই ঘণ্টা পরও সারেনি ত্রুটি, বিমান থেকে নামলেন প্রধানমন্ত্রী

    তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার

    তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার

    ‘তিনটি গুলির আওয়াজ শুনে দৌড়ে গিয়ে দেখি বাবা মাটিতে পড়ে আছেন’

    ‘তিনটি গুলির আওয়াজ শুনে দৌড়ে গিয়ে দেখি বাবা মাটিতে পড়ে আছেন’

    প্রধানমন্ত্রীর ফিরতি ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি, যাত্রায় বিলম্ব

    প্রধানমন্ত্রীর ফিরতি ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি, যাত্রায় বিলম্ব

    ডিএসইতে শ্রমিক নেই তহবিল আছে, ভাগবাটোয়ারা করে নেন কর্তারা

    ডিএসইতে শ্রমিক নেই তহবিল আছে, ভাগবাটোয়ারা করে নেন কর্তারা

    নিজ বাসায় আওয়ামী লীগ নেত্রীর লাশ, হদিস মিলছে না দুই মোবাইলের

    নিজ বাসায় আওয়ামী লীগ নেত্রীর লাশ, হদিস মিলছে না দুই মোবাইলের

    সুন্দরবন এখনো আমাদের শেষ ভরসা

    সুন্দরবন এখনো আমাদের শেষ ভরসা

    পারিবারিক লেনদেন কি করযোগ্য আয়?

    পারিবারিক লেনদেন কি করযোগ্য আয়?

    শেখ হাসিনার পালানোর ভিডিও নিয়ে যা বলেছিলেন তাশরীফ

    শেখ হাসিনার পালানোর ভিডিও নিয়ে যা বলেছিলেন তাশরীফ

    হত্যা করা হয়েছে তাহসিফকে, সন্দেহ বাবার

    হত্যা করা হয়েছে তাহসিফকে, সন্দেহ বাবার

    ৫ বন্ধুর হাতে কতকিছুর সুরক্ষা

    ৫ বন্ধুর হাতে কতকিছুর সুরক্ষা

    ‘রইদ’ এর বদলে জয় চৌধুরীর সিনেমা অস্কারে পাঠানো উচিত, বললেন ইয়াশ

    ‘রইদ’ এর বদলে জয় চৌধুরীর সিনেমা অস্কারে পাঠানো উচিত, বললেন ইয়াশ

    তাহসিফের শরীরে ছিল না আঘাতের চিহ্ন, নাক থেকে বের হচ্ছিল রক্ত

    তাহসিফের শরীরে ছিল না আঘাতের চিহ্ন, নাক থেকে বের হচ্ছিল রক্ত