বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
আগামীর সময়
মিথ্যা বলার যুগ শেষ! কোথায় আছেন শনাক্ত করবে বিজ্ঞান

মিথ্যা বলার যুগ শেষ! কোথায় আছেন শনাক্ত করবে বিজ্ঞান

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
আগামীর সময়
আগামীর সময় মতামত

মন্তব্য প্রতিবেদন

কৃষক মেরে ভোক্তার পেটে হাত

ইমদাদ হোসাইনপ্রকাশ: ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৩:১২
কৃষক মেরে ভোক্তার পেটে হাত

দেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি কত হলো এমন প্রশ্ন শহুরে আলাপ। বগুড়ার অজপাড়াগাঁয়ের কৃষক আব্দুল মতিনের কাছে এমন প্রশ্ন দুর্বোধ্য। তার মাথায় ঘোরে গ্রামের হাটে বীজ এসেছে কি না? কোনো ঝামেলা ছাড়াই প্রয়োজনীয় সার পাবেন কি না? দিনশেষে ফসল ফলাতে যে খরচ হলো তা উঠবে কি না?— এসব প্রশ্ন।

এক সময় বাংলাদেশকে কৃষিপ্রধান দেশ বলা হতো— এখনো আমলাতান্ত্রিক কথ্য আলাপে সেই মর্যাদা আছে। কিন্তু আমলাদের করা হিসাবই বলছে, গত ১০ বছরে দেশ ভয়াবহ খাদ্যসংকটের মুখোমুখি হয়েছে। মূলত আধুনিক কৃষিবিদ্যা থেকে কৃষককে অন্ধকারে রেখে আমলা আর ব্যবসায়ীদের যৌথ প্রযোজনার ফল ভোগ করেছে দেশের ১৮ কোটি ক্ষুধার্ত পেট।

একটু সরকারি পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা যাক। সরকারি তথ্য গণমানুষের কাছে প্রকাশের একমাত্র সংস্থা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। সংস্থাটির জানুয়ারি মাসের খাদ্য উৎপাদনের তথ্য বলছে, ২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের ব্যবধানে গত ১০ বছরে খাদ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে উৎপাদন খরচ বা মূল্যস্তর সামগ্রিকভাবে প্রায় ৭৭ দশমিক ৩০ শতাংশ বেড়েছে। যদিও উৎপাদন খাতের এসব সূচকের ভিত্তি বছর এখনো ২০১৫-১৬ অর্থবছর।

প্রতিবেদনের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, দেশের আমদানিনির্ভর খাদ্যপণ্য যেমন— ভোজ্য তেল ও চিনির ক্ষেত্রে মূল্য সূচকের বৃদ্ধি সবচেয়ে তীব্র। আমদানিনির্ভর এসব পণ্যের দাম বেড়েছে ১৫০ থেকে ১৮০ শতাংশ পর্যন্ত। কিন্তু বিপরীত চিত্র দেশীয় উৎপাদনে। অর্থাৎ স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদিত পণ্য যেমন চাল বা মাছের ক্ষেত্রে এই বৃদ্ধি ৫০ শতাংশের নিচে সীমাবদ্ধ থাকলেও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় রয়েছে এর বড় প্রভাব।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, গত দেড় দশকেরও বেশি সময়ে ৫৫০টিরও বেশি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে বা বর্তমানে চলমান রয়েছে। এই প্রকল্পগুলোর প্রধান লক্ষ্য ছিল খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা, উচ্চফলনশীল জাত উদ্ভাবন এবং কৃষি যান্ত্রিকীকরণ। কৃষি মন্ত্রণালয় ও এর অধীনে সংস্থাগুলোর মাধ্যমে প্রায় ৫৬১টি প্রকল্প (বড় ও ছোট মিলিয়ে) হাতে নেওয়া হয়েছে। এই ১৭ বছরে কৃষি খাতে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় মোট ব্যয়ের পরিমাণ প্রায় ৫২ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এটি শুধু উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয়; এর বাইরে প্রতি বছর বড় অঙ্কের টাকা সার ও সেচ কাজে ভর্তুকি হিসেবে প্রদান করা হয়। এই সময়ে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকার বেশি ভর্তুকি প্রদান করা হয়েছে, যা সরাসরি কৃষকের উৎপাদন খরচ কমাতে সাহায্য করেছে বলে জানিয়েছে সরকার। ধান, গম ও ভুট্টার শত শত উচ্চফলনশীল ও প্রতিকূলতা সহিষ্ণু জাত উদ্ভাবনে গবেষণার বাজেট গত ১৭ বছরে বেড়েছে প্রায় পাঁচগুণ।

এতসব বিনিয়োগের পরও দেশের খাদ্যসংকট প্রতিনিয়তই বাড়ছে। গ্লোবাল নেটওয়ার্ক অ্যাগেইনস্ট ফুড ক্রাইসিস (জিএনএফসি) এবং ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশনের (আইপিসি) সাম্প্রতিক বৈশ্বিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের ওই সময়ে দেশের প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্যনিরাপত্তাহীনতার শিকার হয়েছে। এই বিশাল জনগোষ্ঠী বর্তমানে আইপিসি স্কেলের ‘ফেজ-৩’ বা তার ওপরের স্তরে অবস্থান করছে, যা বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী একটি ‘জরুরি সংকট’ হিসেবে বিবেচিত।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের শেষের দিকে দেশে খাদ্যনিরাপত্তাহীন মানুষের সংখ্যা ২ কোটি ৩৫ লাখে পৌঁছালেও ২০২৫ এবং ২০২৬-এর শুরুতে তা কিছুটা কমে ১ কোটি ৬০ লাখে দাঁড়িয়েছে। তবে এই সংখ্যাটি এখনো গত এক দশকের গড় হারের চেয়ে অনেক বেশি।
খাতভিত্তিক খাদ্যপণ্যের তথ্য বিশ্লেষণে আরও ভয়ংকর চিত্র উঠে আসে বিবিএসের এ প্রতিবেদনে। একটু দেখে নেওয়া যাক—

ভোজ্য তেল ও চর্বি উৎপাদন 
শুরু থেকে যে সময় নিয়ে তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে, এ সময়ের ব্যবধানে খাদ্য শিল্পের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অস্থিতিশীলতা ও রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধি দেখা গেছে ভোজ্য তেলের খাতে। ভিত্তি বছর ২০১৫-১৬-তে সূচক ১০০.০০ ধরে বর্তমান অবস্থা (জানুয়ারি ২০২৬-এ সূচক দাঁড়িয়েছে ২৭৭ দশমিক ৫১। বৃদ্ধির হার অর্থাৎ এক দশকের ব্যবধানে শুধু ভোজ্য তেলের দাম বৃদ্ধির হার ১৭৭ দশমিক ৫১ শতাংশ।

১০ বছরের এসব তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায় ২০২২ সালের জুলাই মাসে এই খাতের সূচক সর্বোচ্চ ৩২৫ দশমিক ২৬-এ পৌঁছালেও পরে তা কিছুটা কমে বর্তমানে ২৭৭ দশমিক ৫১-এ স্থিতিশীল আছে। এই অস্বাভাবিক বৃদ্ধি মূলত আমদানিনির্ভরতার কারণে বিশ্ববাজারের অস্থিতিশীলতার প্রতিফলন।

বেকারি পণ্য উৎপাদন 
বিবিএসের এসব তথ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মূল্যবৃদ্ধি দেখা গেছে বেকারি শিল্পে। এ শিল্পও মূলত আমদানি করা গমের ওপরই নির্ভরশীল। চলতি বছরের জানুয়ারি শেষে উৎপাদনের মূল্যসূচক দাঁড়িয়েছে ২৭৮ দশমিক ৩৯ পয়েন্টে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের তুলনায় বেকারি পণ্যের উৎপাদনে খরচ বৃদ্ধির হার ১৭৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ। অর্থাৎ বেকারি পণ্যের দাম গত ১০ বছরে প্রায় পৌনে দুই গুণ বেড়েছে। বিশেষ করে ২০২৩ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে এই খাতে ধারাবাহিকভাবে দাম বাড়তে দেখা গেছে।

চিনি ও গুড় উৎপাদন 
মিষ্টি ও চিনি জাতীয় পণ্যের উৎপাদন খরচও রেকর্ড হারে বেড়েছে। ওই ভিত্তি বছরের তুলনায় চলতি বছরের জানুয়ারিতে চিনির উৎপাদন সূচক এসেছে ২৫৫ দশমিক ৭০ পয়েন্ট। ওই শতাংশীয় বিচারে এখন পর্যন্ত উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির হার ১৫৫ দশমিক ৭০ শতাংশ। চিনির বাজারে অস্থিরতা গত কয়েক বছরে চরমে পৌঁছেছে।
বলে রাখা ভালো, ২০২২ সালে সূচকটি ২০০-এর ঘর অতিক্রম করে এবং ২০২৬ সালের শুরুতে তা ২৫৫.৭০-এ দাঁড়িয়েছে।

খাদ্যশস্য ও স্টার্চ পণ্য 
গম ও অন্যান্য শস্য প্রক্রিয়াকরণ খাতের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। আলোচিত সময়ের তুলনায় এখন সূচক এসে ২৪৮ দশমিক ৩৮ পয়েন্টে থেমেছে। গাণিতিক হিসাবে ১০ বছরে এ খাতের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির হার ১৪৮ দশমিক ৩৮ শতাংশ। এই খাতে ২০২২ সালের নভেম্বরে সূচক সর্বোচ্চ ২৯২ দশমিক ১৩-এ উঠেছিল। বর্তমানে এটি কিছুটা কমলেও ভিত্তি বছরের তুলনায় প্রায় দেড়গুণ বেশি দামে অবস্থান করছে।

মাংস প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণ
বর্তমানে মাংস প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের উৎপাদন খরচের সূচক ১৬৮ দশমিক ১৭। অর্থাৎ ভিত্তি বছরের তুলনায় বৃদ্ধির হার ৬৮ দশমিক ১৭ শতাংশ। মাংস উৎপাদন ও সংরক্ষণ শিল্পে খরচ ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে এবং ২০২৬ সালে এটি তার সর্বোচ্চ শিখরের কাছাকাছি অবস্থান করছে।

চাল ও চাল ছাঁটাই
দেশের প্রধান খাদ্য চালের উৎপাদন খরচও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এটিই মূলত দেশের প্রধান খাদ্যশস্য। এ খাতের উৎপাদন খরচও বেড়েছে আশঙ্কাজনক হারে। ভিত্তি বছরের তুলনায় চালের উৎপাদন খরচ সূচকের বর্তমান অবস্থা (জানুয়ারি ২০২৬) ১৬৩ দশমিক ৭১ পয়েন্ট। অর্থাৎ ১০ বছরে চালের উৎপাদন খরচ বেড়েছে ৬৩ দশমিক ৭১ শতাংশ।

ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (আইএফপিআরআই) সম্প্রতি প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে আবাদি জমি বণ্টনে উচ্চমাত্রার বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুসারে, প্রান্তিক কৃষক, যারা মোট কৃষকের ৪১ শতাংশ, তারা মাত্র ১১ শতাংশ জমিতে চাষাবাদ করেন। অন্যদিকে ৬ শতাংশ বৃহৎ কৃষক দেশের এক-চতুর্থাংশ আবাদযোগ্য জমি নিয়ন্ত্রণ করেন। প্রায় ৪০ শতাংশ কৃষক পরিবার পুরোপুরি ভূমিহীন। মাত্র ২৩ শতাংশ কৃষক কৃষি সম্প্রসারণ সেবা সহায়তা পান।

সংস্থাটির আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, ২০১১ সাল থেকে ধান চাষের লাভজনকতা হ্রাস পাচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ তারা দেখিয়েছে, ২০১১ সালে বোরো মৌসুমে ধান চাষ থেকে একরপ্রতি লাভ ছিল ৯ হাজার ৭১৭ টাকা, কিন্তু ২০১৫ সালে তা প্রায় এক-তৃতীয়াংশে নেমে আসে— এক একরপ্রতি ৩ হাজার ৮০ টাকা। গবেষণাটির ফল অনুযায়ী, ২০১৮ সালে এই লাভ ঋণাত্মক হয়ে পড়ে।

গবেষকরা আরও দেখেছেন, বাংলাদেশে জমি তৈরি, সেচ, স্প্রে করা এবং মাড়াইয়ের মতো কাজগুলো ব্যাপকভাবে যান্ত্রিকীকৃত হওয়ায় ভাড়া করা হয় বেশিরভাগ কৃষি যন্ত্রপাতি। গবেষকরা দেখেছেন, ক্ষুদ্র কৃষকদের কৃষি যন্ত্রপাতি পাওয়ার ক্ষেত্রে ভাড়ার বাজারই মূল চাবিকাঠি।
২০১৮ সালের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ৯৮ শতাংশ জমি তৈরি করা হয় যন্ত্রের সাহায্যে। একই বছরে ধানচাষিরা তাদের বোরো জমির ৮৭ শতাংশে সেচ দিতে পাম্প ব্যবহার করেছিলেন।

বিবিএস অনুসারে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপিতে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৭৯ শতাংশ, যা গত ১১ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। সর্বশেষ ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এই হার দেখা গিয়েছিল। এর আগের ২০১৪-১৫ অর্থবছরে এই খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ২ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

আরও কয়েকটি খাত 

দুগ্ধজাত পণ্য ও পশুখাদ্য খাতে মূল্যসূচকের দ্রুত বৃদ্ধি সামগ্রিক খাদ্যব্যবস্থায় তৈরি করছে নতুন উদ্বেগ। সংশ্লিষ্ট খাতের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫-১৬ অর্থবছরকে ভিত্তি ধরে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত বিভিন্ন উপখাতে মূল্যসূচকের দেখা গেছে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন।

দুগ্ধজাত পণ্য খাতে মূল্যসূচক বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫৬ দশমিক ৮৫-এ, যা ভিত্তি বছরের তুলনায় ৫৬ দশমিক ৮৫ শতাংশ বেশি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গবাদিপশুর খাদ্য, পরিবহন ব্যয় এবং উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির কারণে এই খাতে মূল্যচাপ দ্রুত বেড়েছে। এর প্রভাব সরাসরি পড়ছে ভোক্তাপর্যায়ে, ফলে দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

অন্যদিকে, পশুখাদ্য খাতে মূল্যসূচক আরও বেশি হারে বেড়েছে। জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত এই খাতের সূচক দাঁড়িয়েছে ১৬৪ দশমিক ২৮-এ, যা ৬৪ দশমিক ২৮ শতাংশ বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, পশুখাদ্যের দাম বাড়ার ফলে মাংস ও দুধ উৎপাদন ব্যয়ও বাড়ছে, যা পুরো খাদ্য শৃঙ্খলে মূল্যস্ফীতি বাড়িয়ে দিচ্ছে।

তবে খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পের সব খাতে সমান হারে বৃদ্ধি হয়নি। মাছ ও জলজ প্রাণী প্রক্রিয়াকরণ খাতে তুলনামূলক কম বৃদ্ধি দেখা গেছে। এই খাতে মূল্যসূচক বেড়ে হয়েছে ১৩০ দশমিক ৮৪, যা ৩০ দশমিক ৮৪ শতাংশ বৃদ্ধি নির্দেশ করে। একইভাবে ফল ও সবজি সংরক্ষণ খাতে সূচক দাঁড়িয়েছে ১২২ দশমিক ১২ শতাংশে, যেখানে বৃদ্ধি মাত্র ২২ দশমিক ১২ শতাংশ।

    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    সিডিএ চেয়ারম্যান কোথায় ক্ষোভ মেয়রের

    সিডিএ চেয়ারম্যান কোথায় ক্ষোভ মেয়রের

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ২১:২৬

    অধিগ্রহণ খবরে ‘জেড’ ক্যাটাগরির আলিফ দর বৃদ্ধির শীর্ষে

    অধিগ্রহণ খবরে ‘জেড’ ক্যাটাগরির আলিফ দর বৃদ্ধির শীর্ষে

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৫:৫৩

    রঘু রাই— সেই ঐশ্বরিক চোখ

    রঘু রাই— সেই ঐশ্বরিক চোখ

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৪:৫৪

    দুদিনের ঝড়-বৃষ্টিতে লন্ডভন্ড মৌলভীবাজার, বন্যার আশঙ্কা

    দুদিনের ঝড়-বৃষ্টিতে লন্ডভন্ড মৌলভীবাজার, বন্যার আশঙ্কা

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ২২:৫০

    ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের খরচ ২৫ বিলিয়ন ডলার

    ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের খরচ ২৫ বিলিয়ন ডলার

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ২২:৩৮

    বুথফেরত জরিপে হেরে যাচ্ছেন মমতা!

    বুথফেরত জরিপে হেরে যাচ্ছেন মমতা!

    ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩৬

    লন্ডনের দুই উৎসবে প্রিয়াম অর্চি, সামনে ‘দেশলাই’

    লন্ডনের দুই উৎসবে প্রিয়াম অর্চি, সামনে ‘দেশলাই’

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ২২:২৮

    মিথ্যা বলার যুগ শেষ! কোথায় আছেন শনাক্ত করবে বিজ্ঞান

    মিথ্যা বলার যুগ শেষ! কোথায় আছেন শনাক্ত করবে বিজ্ঞান

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৪:৩৭

    বিশ্ব নৃত্য দিবসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজন

    বিশ্ব নৃত্য দিবসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজন

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৯:২৪

    নিজামীপুত্র নাদিমুর নাম লেখাচ্ছেন এনসিপিতে

    নিজামীপুত্র নাদিমুর নাম লেখাচ্ছেন এনসিপিতে

    ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৬:০৩

    অপেক্ষায় থাকা শিশু জানে না,  বাবা আর কখনোই ফিরবেন না

    অপেক্ষায় থাকা শিশু জানে না, বাবা আর কখনোই ফিরবেন না

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ২০:১২

    বুড়োদের মাথার ভেলকিতে উত্তপ্ত ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড

    বুড়োদের মাথার ভেলকিতে উত্তপ্ত ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৭:২২

    বেকারত্ব থেকে উদ্যোক্তা: শাওনের অনন্য সাফল্য

    বেকারত্ব থেকে উদ্যোক্তা: শাওনের অনন্য সাফল্য

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৫৫

    পানির নিচে চাপা সোনালি স্বপ্ন, দিশেহারা কৃষক

    পানির নিচে চাপা সোনালি স্বপ্ন, দিশেহারা কৃষক

    ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪০

    স্বর্ণ লুটের অভিযোগে স্বেচ্ছাসেবক-ছাত্রদলের ৬ নেতা বহিষ্কার

    স্বর্ণ লুটের অভিযোগে স্বেচ্ছাসেবক-ছাত্রদলের ৬ নেতা বহিষ্কার

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ২২:১৭

    advertiseadvertise

    প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

    সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

    আগামীর সময়
    আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলীগোপনীয়তাআমরা

    ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

    যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

    বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

    info@agamirsomoy.com

    স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

    • বেটা
    • সর্বশেষ
    • ইপেপার
    EN
    • বেটা
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • সারা দেশ
    • বিশ্ব
    • খেলা
    • বিনোদন
    • লাইফস্টাইল
    • মতামত
    • ফিচার
    • ভিডিও
    • চট্টগ্রাম
    • শিক্ষা
    • বিচিত্রা
    • ইপেপার
    • EN