Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সম্পাদকীয়

আগামীর চোখ

‘আসুন ছাদের সিটে বসে বাড়ি চলুন!’

agamir somoy
প্রকাশ: ১৮ মে ২০২৬, ০৭:৪৬
‘আসুন ছাদের সিটে বসে বাড়ি চলুন!’

প্রিয় রেলমন্ত্রী,

ঈদুল আজহা প্রায় চলে এসেছে। গরুগণ ঢাকায় ঢুকবেন আর মানুষ বেরোবেন। মানে, সাময়িক জায়গা অদল-বদল করা হবে। ঢাকায় গরুদের বিশেষ কষ্ট হবে না বলেই বিশ্বাস, পরিবেশটা তাদের পরিচিতই ঠেকবে। আমাদের প্রসঙ্গে আসি। পরিস্থিতি তো সুবিধার ঠেকছে না বস! মনে হচ্ছে, এবারও কপালে ‘গাদাগাদি এক্সপ্রেস’ লেখা। ঈদযাত্রার প্রথম অগ্রিম টিকিট যেদিন ছাড়া হলো, আধা ঘণ্টার মধ্যেই ৬০ লাখবার চেষ্টা হয়েছে টিকিট কেনার! আর এক ঘণ্টায় সব টিকিট শেষ! সেদিনই বুঝে গেছি, এবারও অসংখ্য মানুষকে ছাদে তোলা হবে। তবে আশার কথা হলো, আমি টিকিট কাটতে পেরেছি। কিন্তু ওই যে একটু আগে বললাম, কপালে সম্ভবত ‘গাদাগাদি এক্সপ্রেস’ লেখা আছে। যাত্রার দিন সিটে বসা তো দূর অস্ত, কাছাকাছিও বোধ হয় পৌঁছাতে পারব না, বগিতে ঢুকতে পারি কি না তা-ই সন্দেহ। যদি কোনোক্রমে দরজা কিংবা জানালা দিয়ে মাথা গলিয়ে বডিটাকে টেনে ঢুকিয়ে ফেলতে পারি, তাহলে শখানেক মানুষের ভেতর দলাই-মলাই হয়ে কোরবানির হাটের গরুর মতো মাথাটি বের করে দাঁড়িয়ে থাকার সুযোগটি মিলেও যেতে পারে। অন্যথায় পাহাড় চড়ার কায়দায় ছাদে উঠে আপনার বিছিয়ে রাখা সিটে দখল দিতে হবে। আমার না হয় এবার ছাদে উঠতে হবে।

আপনার জায়গায় যত মন্ত্রীই এসেছেন, কেউই তাদের ঈদযাত্রাকে নিরাপদ করে তুলতে পারেননি

কিন্তু অধিকাংশ উত্তরাঞ্চলবাসীকে প্রতিবারই ঝুঁকি নিয়ে ছাদে উঠতে হয়। সড়কপথের তুলনায় নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাত্রা, যাতায়াত খরচ তুলনামূলক কম হওয়া এবং মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট এড়ানোর জন্যই উত্তরাঞ্চলের মানুষ ট্রেনমুখী। আপনার জায়গায় যত মন্ত্রীই এসেছেন, কেউই তাদের ঈদযাত্রাকে নিরাপদ করে তুলতে পারেননি। প্রতিবারই তাদের ছাদে উঠতে হয়েছে। এবারও তাদের ভাগ্যে বিশেষ পরিবর্তন আসবে না বলেই মনে হচ্ছে। তাই আগাম একটি ঘোষণা দিয়ে দিতে পারেন যে, ‘ঈদ যাত্রীদের জন্য ট্রেনের ছাদে সিট বসানো হচ্ছে! আসুন, ছাদের সিটে বসুন, নতুন অভিজ্ঞতা নিন!’ আরেকটি বিষয় লক্ষ করলাম এবার, অনলাইনে যে টিকিটগুলো দেওয়া হলো, সেগুলো নাকি ফেরত নেওয়া হবে না। বিষয়টা কি এরকম, ‘টিকিট পেলেন তো জিতলেন, স্মারক হিসেবে ঘরে রেখে দিন।’ ঈদযাত্রা ভীষণ ক্লান্তিকর হয়ে থাকে। জানি না আপনি কখনো এর মধ্যে পড়েছেন কি না। একটু আরামদায়ক ভ্রমণের আশায় ঈদের মৌসুমে বেশিরভাগ মানুষ পরিবার নিয়ে ট্রেনে চাপেন। কিন্তু অধিকাংশ ঈদযাত্রাতেই সেটি ভয়াবহ ক্লান্তিকর যাত্রায় রূপ নেয়। আশা করব, এবার অন্তত তেমনটি হবে না। আপনি হতে দেবেন না।

ইতি

আতঙ্কিত ট্রেনযাত্রী

রেলমন্ত্রীঈদুল আজহাঈদযাত্রা
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise