Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
হাজারো মানুষের প্রেরণা রফিকুল
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সম্পাদকীয়

সম্পাদকীয়

ডলারের খেলা আর ‘শর্তের’ অজুহাত

agamir somoy
প্রকাশ: ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২২
ডলারের খেলা আর ‘শর্তের’ অজুহাত

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

মার্কিন ডলারের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে। ফলে আন্তঃব্যাংক, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও খোলাবাজার— সব জায়গাতেই ডলারের দাম ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। দেশে ডলারের সংকট নতুন নয়। তবে সংকটের ভেতরেও নতুন সার্কাস চলছে। বাংলাদেশ ব্যাংক একটি ‘রেফারেন্স রেট’ নির্ধারণ করে দেয়। কিন্তু বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বড় একটি অংশ তা মানছে না। তারা ইচ্ছামতো দামে ডলার কেনাবেচা করছে। প্রশ্ন ওঠে, দেশে কি আদৌ কোনো কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা নিয়ন্ত্রক সংস্থা আছে?

বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষণা অনুযায়ী প্রতি ডলারের রেট ১২৩ টাকা ৮২ পয়সা। কিন্তু বাণিজ্যিক ব্যাংকে বা আন্তর্জাতিক অর্থ পরিশোধে তা ১২৬ থেকে ১২৭ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে। ব্যাংক খাতের অভিভাবক হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দায়িত্ব ছিল এই কারসাজির লাগাম টেনে ধরা। কিন্তু অভিভাবক এখন অসহায় দর্শক। তাদের হাত নাকি বাঁধা। আর এই বাঁধার নাম ‘আইএমএফের শর্ত’।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বলেছে ডলারের বাজারকে মুক্ত রাখতে। অর্থাৎ, সরবরাহ ও চাহিদার ভিত্তিতে ডলারের দর নির্ধারিত হবে। এই শর্তে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে। আর সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সুযোগসন্ধানী ব্যাংকগুলো অনৈতিক ব্যবসা ফাঁপিয়ে তুলছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডলার নিয়ে অস্বাভাবিক মুনাফা লুটছে— এমন অন্তত সাতটি ব্যাংক চিহ্নিত করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। অথচ কোনো দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে পারছে না। শুধু ‘মৌখিক নির্দেশনা’ দেওয়া হচ্ছে।

অবশ্য বৈশ্বিক পরিস্থিতিও ঘোলাটে। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছুঁইছুঁই। আমদানি ব্যয় হঠাৎ লাফিয়ে বেড়েছে। ফলে সরকারি ও বেসরকারি দুই খাতেই ডলারের অতিরিক্ত টানাটানি। একই সঙ্গে বিদায়ী অর্থবছরে প্রায় ৪৫০ কোটি ডলারের রেকর্ড বৈদেশিক ঋণ ও সুদের কিস্তি শোধ করতে হয়েছে। বাংলাদেশ আগে কখনো এক বছরে এত ঋণ শোধ করেনি।

কিন্তু তাই বলে কি অনিয়মকে বৈশ্বিক সংকটের আড়ালে বৈধতা দেওয়া যায়? বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে নাকি এখনো পর্যাপ্ত ডলার রয়েছে। ব্যাংক খাতে ৪০ মিলিয়নের বেশি নগদ ডলার জমা আছে। রেমিট্যান্স প্রবাহও ভালো। তবে কেন সাধারণ ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের জন্য ডলার এত দুর্লভ?

প্রতিবেদনটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ব্যাংকগুলো মূলত আইএমএফের ‘মুক্তবাজার’ নীতিকে ঢাল বানিয়ে কয়েকটি সুনির্দিষ্ট কৌশল করে ডলারের বাজারে এই কারসাজি চালিয়ে থাকে: ঘোষিত হারের চেয়ে বেশি দামে ক্রয়; এলসি (LC) খোলার সময় হিডেন চার্জ বা বেশি দর নেওয়া; কৃত্রিম সংকট তৈরি ও ডলার মজুদ; ট্রেজারি অপব্যবহার ও অভ্যন্তরীণ তহবিল লেনদেন। সংক্ষেপে বলতে গেলে, নিয়ন্ত্রক সংস্থার দুর্বল নজরদারি ও আইএমএফের নমনীয় নীতির দোহাই দিয়ে অসাধু ব্যাংকগুলো রেমিট্যান্স ও আমদানির দুই প্রান্তেই ইচ্ছামতো দর হাঁকিয়ে সাধারণ ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিকে জিম্মি করে নিজেদের মুনাফা বাড়াচ্ছে।

আইএমএফ বাজারভিত্তিক বিনিময় হার চেয়েছে, বাজার কারসাজির ছাড়পত্র দেয়নি। কোনো ব্যাংক বাজারকে ঘোলাটে করে অস্বাভাবিক মুনাফা লুটবে আর নিয়ন্ত্রক সংস্থা শুধু নীরব ভূমিকা পালন করবে— তা কোনো স্বাধীন অর্থনৈতিক নীতির অংশ হতে পারে না।

অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখতে হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে অবিলম্বে কঠোর অবস্থান নিতে হবে। আইএমএফের নাম ভাঙিয়ে ব্যাংকগুলোর স্বেচ্ছাচারিতা বরদাশত করা যায় না। বাংলাদেশ ব্যাংককে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে— তারা কি দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার পাহারাদার হবে, নাকি অনিয়মকারীদের নীরব অনুঘটক হয়ে থাকবে?

ডলারমুদ্রাবাজারডলারের দাম
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    সরকারি সফরের নামে স্ত্রীকে নিয়ে ‘ভ্রমণ’ রেল সচিবের

    সরকারি সফরের নামে স্ত্রীকে নিয়ে ‘ভ্রমণ’ রেল সচিবের

    কবি ও অনুবাদক রথো রাফি মারা গেছেন

    কবি ও অনুবাদক রথো রাফি মারা গেছেন

    খেলাপি আদায়ে চমক কৃষি ব্যাংকের

    খেলাপি আদায়ে চমক কৃষি ব্যাংকের

    সাজেকে সেনাবাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি

    সাজেকে সেনাবাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি

    চুয়েটে অচলাবস্থার এক মাস:  বাতিল ৩৩ পরীক্ষা ও ৮৬৪ ক্লাস

    চুয়েটে অচলাবস্থার এক মাস: বাতিল ৩৩ পরীক্ষা ও ৮৬৪ ক্লাস

    প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফরে ফেসবুকে ‘হুমকি’, বাবা-ছেলে ডিবি হেফাজতে

    প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফরে ফেসবুকে ‘হুমকি’, বাবা-ছেলে ডিবি হেফাজতে

    হেফাজতের উদ্যোগে নতুন প্ল্যাটফর্ম, ভিড়েছে জামায়াত জোটের দুটি দল

    হেফাজতের উদ্যোগে নতুন প্ল্যাটফর্ম, ভিড়েছে জামায়াত জোটের দুটি দল

    গ্লোব শপিং সেন্টারের দোকানে হামলা ও দখলের অভিযোগ ঢাকা কলেজ ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে

    গ্লোব শপিং সেন্টারের দোকানে হামলা ও দখলের অভিযোগ ঢাকা কলেজ ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে

    জীবনানন্দ হয়ে সংসারে আজও আমি...

    জীবনানন্দ হয়ে সংসারে আজও আমি...

    কালীগঞ্জে শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, আটক ৩ প্রতিবেশী

    কালীগঞ্জে শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, আটক ৩ প্রতিবেশী

    সড়কে মৃত্যুতে বিশ্বে দ্বিতীয় বাংলাদেশ

    সড়কে মৃত্যুতে বিশ্বে দ্বিতীয় বাংলাদেশ

    পুলিশের বাড়িতে নিজেদের দ্বন্দ্বেই পুলিশের অভিযান

    পুলিশের বাড়িতে নিজেদের দ্বন্দ্বেই পুলিশের অভিযান

    ওসির সঙ্গে বাদানুবাদ, ‘আপনি বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন’ বললেন রুমিন ফারহানা

    ওসির সঙ্গে বাদানুবাদ, ‘আপনি বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন’ বললেন রুমিন ফারহানা

    সৌদিতে দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ যা বললেন শ্রীলেখা

    সৌদিতে দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ যা বললেন শ্রীলেখা

    পঞ্চগড়ে দেড় লাখ টাকাসহ উপসহকারী প্রকৌশলীকে আটকালেন স্থানীয়রা

    পঞ্চগড়ে দেড় লাখ টাকাসহ উপসহকারী প্রকৌশলীকে আটকালেন স্থানীয়রা