Agamir Somoy E-Paper
সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
বই পড়াতে পাখি বাঁচাতে নিবেদিত নাহিদ
সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সম্পাদকীয়

জাতীয়তাবাদের উদ্বিগ্ন হৃদয়

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
agamir somoy
প্রকাশ: ১৮ মে ২০২৬, ০৭:৪৩
জাতীয়তাবাদের উদ্বিগ্ন হৃদয়

অন্যত্র যেমন, ভারতীয় উপমহাদেশেও তেমনি, শ্রেণি-সমস্যাটিও ছিল প্রধান। কিন্তু উপমহাদেশে শ্রেণি-প্রশ্নের মীমাংসার আগে জাতি-প্রশ্নের সমাধান প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল। কারণ, উপমহাদেশ যে এক বা দুই জাতির নয়, বহুজাতির দেশ— সেই সত্যটা ভারতীয় জাতীয়তাবাদীরা মেনে নেয়নি। শাসকদের তো মেনে নেওয়ার কথাও নয়; তারা সমগ্র ভারতকে একটি অখণ্ড একক হিসেবে শাসন করতে চেয়েছে। এ ক্ষেত্রে মোগলদের সঙ্গে ব্রিটিশদের বেশ মিল ছিল। তবে ব্রিটিশ শাসকরা যেটা করেছে, মোগল শাসকরা সেটা করেনি। ব্রিটিশ শাসকরা হিন্দু-মুসলিম পার্থক্যকে বিভাজন হিসেবে উপস্থিত করে সাম্প্রদায়িকতাকে উৎসাহিত করেছে, যাতে তাদের শাসন-শোষণ অব্যাহত রাখার ব্যাপারে সুবিধা হয়। তা ছাড়া জাতি-প্রশ্নের সমাধান হয়ে যাক এবং শ্রেণি-প্রশ্নের জন্য প্রধান হয়ে ওঠার পথটা পরিষ্কার হোক— এটাও তারা চায়নি। তাদের সবচেয়ে বড় ভয়টা ছিল মেহনতিদের অভ্যুত্থানকে, যে অভ্যুত্থানের একটি আভাস তারা দেখতে পেয়েছিল ১৮৫৭-এর সিপাহিদের অসাম্প্রদায়িক অভ্যুত্থানের ভেতরে। পরাধীন ভারতে জাতীয়তাবাদীরা শেষ পর্যন্ত বিভক্ত হয়ে গেছে হিন্দু জাতীয়তাবাদী ও মুসলিম জাতীয়তাবাদীতে। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনকারীরা ভাষাকে বাদ দিয়ে ধর্মকে দাঁড় করাতে চেয়েছে জাতীয়তার প্রধান উপাদান হিসেবে। তার ফলে জাতীয়তাবাদ শেষ পর্যন্ত রূপ নিয়েছে সাম্প্রদায়িকতার; শুরু হয়েছে দাঙ্গা এবং পরিণাম দাঁড়িয়েছে অত্যন্ত ক্ষতিকর দেশভাগ।

পরাধীন ভারতে জাতীয়তাবাদীরা শেষ পর্যন্ত বিভক্ত হয়ে গেছে হিন্দু জাতীয়তাবাদী ও মুসলিম জাতীয়তাবাদীতে। যার জন্য তারা নিজেরা তো দায়ীই, ব্রিটিশ শাসকদের উসকানিও কম দায়ী নয়

আত্মঘাতী এই তৎপরতার বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর কথা ছিল শ্রেণি-সচেতন সমাজতন্ত্রীদের। কিন্তু তাদের এমন সাংগঠনিক ক্ষমতা ছিল না যে সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংগ্রামকে সাম্প্রদায়িকতার গ্রাস থেকে মুক্ত করবেন। অসুবিধা অবশ্য আরও একটা ছিল। ভারত যে একটি বহুজাতিক দেশ— এই সত্যটা তাদের পক্ষেই উপলব্ধি করা সংগত ও সম্ভব ছিল, সেটি সামনে নিয়ে আসাটা তাদের কর্তব্যও ছিল। কিন্তু সত্যটাকে তারা অত্যন্ত জাজ্বল্যমান করে তুলতে পারেননি।

জাতি-সমস্যার মীমাংসা দেশভাগের মধ্য দিয়ে করার উপায় ছিল না। সাতচল্লিশের পরে ভারতের শাসককর্তারা অঙ্গীকার করেছিলেন যে দেশে তারা একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র গড়ে তুলবেন। কিন্তু ধর্মনিরপেক্ষতা বলতে তারা বুঝিয়েছেন সব ধর্মকে সমান মর্যাদা দান, যার অর্থ গিয়ে দাঁড়ায় রাষ্ট্রীয়ভাবে ধর্মচর্চাকে উৎসাহিত করা। মহাত্মা গান্ধী অসাম্প্রদায়িক ছিলেন, কিন্তু ধর্মনিরপেক্ষ ছিলেন না। তার অসাম্প্রদায়িকতাকে কট্টরপন্থী হিন্দু জাতীয়তাবাদীরা সহ্য করতে পারেনি। তারা তাকে হত্যা করেছে। আর ওই হত্যার সঙ্গে যারা জড়িত ছিল, তাদের উত্তরাধিকারীরা শেষ পর্যন্ত স্বাধীন ভারতের রাষ্ট্রক্ষমতা করতলগত করতে সমর্থ হয়েছে।

পাকিস্তান প্রতিষ্ঠায় নেতৃত্ব দিয়েছেন মোহাম্মদ আলি জিন্নাহ। মনে মনে তিনি হয়তো আশা করেছিলেন, পাকিস্তানে একটি ধর্মনিরপেক্ষ জাতীয়তাবাদ গড়ে তুলবেন। কিন্তু কাজটা ছিল ঠিক ততটাই অবাস্তবিক, যতটা অবাস্তবিক ছিল পাকিস্তান রাষ্ট্রকে স্থায়ী করে রাখার স্বপ্ন। কারণ, পাকিস্তান কোনো একটি জাতির দেশ ছিল না। যেখানে বাঙালি, পাঞ্জাবি, সিন্ধি, পাঠান ও বেলুচ— এই পাঁচটি জাতি ছিল; যাদের ভাষা এক নয়, স্বতন্ত্র বটে। জিন্নাহ ও তার অনুসারীরা ভেবেছিলেন, উর্দু ভাষাকে কেন্দ্রে রেখে নতুন একটি জাতির প্রতিষ্ঠা ঘটাবেন। কিন্তু অত্যন্ত স্বাভাবিকভাবেই বাঙালি জাতীয়তাবাদীরা সে প্রস্তাবটিকে উত্থানের সঙ্গে সঙ্গেই নাকচ করে দিয়েছেন।

হিন্দু জমিদার, মহাজন ও ব্যবসায়ীদের অত্যাচারে এবং ব্রাহ্মণ্যবাদীদের অহমিকায় পিষ্ট হয়ে বাঙালি মুসলমান ভেবেছিল, পাকিস্তান তাদের মুক্তি দেবে। কিন্তু পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গেই তারা টের পেয়েছে যে ওই আশা মরীচিকা মাত্র। তখন তারা ভাষাভিত্তিক ধর্মনিরপেক্ষ বাঙালি জাতীয়তাবাদের পতাকাতলে একত্র হয়েছে এবং আন্দোলন করেছে। যার ফল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা। বাংলাদেশ তাই বলে জাতিরাষ্ট্র নয়। কেননা এখানে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতিসত্তার মানুষও রয়েছে। কিন্তু বাঙালি জাতীয়তাবাদ বাঙালিদের শ্রেণি-সমস্যার সমাধান করেনি। বাঙালি জাতীয়তাবাদের অনুভূতিটা ছিল মূলত মধ্যবিত্তের। তাদের দ্বারা বিকশিত এবং তাদের স্বার্থসংবলিত; তাতে মেহনতিদের স্বার্থ কার্যত সংরক্ষণ সম্ভব ছিল না। বাংলাদেশে উন্নতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এবং বলা যায় তাকে পেছনে ফেলেই বৈষম্যের বৃদ্ধি ঘটেছে। বৈষম্য বৃদ্ধির সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও স্থির প্রমাণ হচ্ছে তিন ধারার শিক্ষা। আর বৈষম্য বৃদ্ধির কারণ হলো এটা যে উন্নতির গৃহীত দর্শন ও ধরন— দুটোই দাঁড়িয়েছে পুঁজিবাদী।

পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই বাঙালি জাতীয়তাবাদের হৃদয় যে উদ্বিগ্ন হয়েছিল, সেটা এই দুশ্চিন্তায় যে পাকিস্তানি জাতীয়তাবাদ বাঙালিকে মুক্তি দেবে না। কিন্তু বাঙালি জাতীয়তাবাদ সব বাঙালির জন্য মুক্তির ব্যবস্থা না করে অধিকাংশ বাঙালিকেই শাসন-শোষণের কঠিন বন্ধনে জর্জরিত করে ফেলেছে। এখন তো বাঙালি জাতীয়তাবাদের পক্ষে ক্রন্দন করা ছাড়া উপায় নেই।

বাংলাদেশের জন্য আসলে যেটা প্রয়োজন ছিল সেটা হলো, জাতীয়তাবাদের অর্জনকে সমাজতন্ত্রের দিকে নিয়ে যাওয়া। বলা বাহুল্য, সে কাজটা জাতীয়তাবাদীদের কাছ থেকে মোটেই প্রত্যাশিত নয়। সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সামাজিক বিপ্লব আবশ্যক। সে বিপ্লব এ দেশে ঘটেনি। বরং দেখা গেছে যে নতুন রাষ্ট্র পুরাতন রাষ্ট্রের চাইতে অধিকতর তীব্রতার সঙ্গে সামাজিক বিপ্লবকে প্রতিহত করার দায়িত্ব নিয়েছে। ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ শাসনামলে, ১৭৯৩ সালের চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মাধ্যমে যে সামাজিক সম্পর্ককে স্থায়ী করার চেষ্টা হয়েছিল, সেটাই বহাল রয়েছে। বিশ্বে এখন দুই ধরনের জাতীয়তাবাদ দৃশ্যমান। একটি আগ্রাসী, অপরটি আত্মরক্ষার। একইভাবে ধর্মীয় ও ভাষিক জাতীয়তাবাদী অনাচার বিশ্ব জুড়ে ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে। একাত্তরে পাকিস্তানি জাতীয়তাবাদ আগ্রাসী ভূমিকায় ছিল আর আমরা আত্মরক্ষায়। আমেরিকা এবং জায়নবাদী ইসরায়েল আগ্রাসী হয়ে ইরান আক্রমণ চালিয়েছে। অন্যদিকে ইরান আত্মরক্ষায় ফারসি জাতীয়তাবাদী চেতনায় প্রতিরোধযুদ্ধে শামিল হয়েছে। শ্রীলঙ্কা ও মিয়ানমারে বৌদ্ধ জাতীয়তাবাদী তাণ্ডবে অপরাপর ধর্মাবলম্বীর উদ্বাস্তু হওয়া, নিগ্রহের শিকারে পরিণত হওয়া, সেটাও ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবাদের আগ্রাসী তৎপরতা। গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর জায়নবাদীদের নৃশংসতাও জাতীয়তাবাদী আগ্রাসন বটে।

সাতচল্লিশের আগে আশা ছিল, পাকিস্তান বাঙালি মুসলমানদের মুক্তি দেবে; দিল না। একাত্তরের পরে আশা করা গিয়েছিল, বাংলাদেশ তাদের মুক্তি দেবে; দিল না। পাকিস্তানি শাসকরা যেমন পুঁজিবাদী ছিল, বাংলাদেশি শাসকরাও প্রমাণ করল যে তারাও সেই একই রকম পুঁজিবাদী। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরে প্রকৃত মুক্তি যদি কেউ পেয়ে থাকে, তবে পেয়েছে ওই পুঁজিবাদ ব্যবস্থাটাই। পাকিস্তানি জাতীয়তাবাদ ছিল পিতৃতান্ত্রিক; বাঙালির জাতীয়তাবাদও পিতৃতান্ত্রিকতাকে বিতাড়িত করতে পারেনি। উদারনীতির চর্চাতে আধুনিকতা আসতে পারে, উন্নতি ঘটাও সম্ভব; কিন্তু সবকিছুই সীমিত থাকে সুবিধাপ্রাপ্তদের ভেতরই। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও ঠিক তেমনটাই ঘটেছে।

বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠায় যে ভারতের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত প্রত্যক্ষ, সে ভারতও ছিল জাতীয়তাবাদীই। ভারত তার বহুজাতিক পরিচয়কে দমন করে এক জাতি হওয়ার চেষ্টা করেছে। বলা বাহুল্য কাজটা শাসকদের স্বার্থেই, জনসাধারণের স্বার্থে নয়। অনেক কাল ধরে তারা একটি বড় দেশে বসবাস করে বটে, কিন্তু তারা একটি অভিন্ন জাতির মানুষ নয়। ভারতের রাষ্ট্রশাসকরা আবার পুঁজিবাদীও। বাঙালির জাতীয়তাবাদকে ভারতের এই শাসকরা খুব যে সুনজরে দেখেছে তা নয়; তাদের শঙ্কা ছিল, দুই বাংলা না আবার এক হয়ে যাওয়ার তাল তোলে। বাংলাদেশে যারা তথাকথিত বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দেয়াল খাড়া করে বাংলাদেশের সীমান্তকে আরও দুর্লঙ্ঘনীয় করতে চেয়েছে, ভারতীয় কর্তৃপক্ষের যুদ্ধকালীন দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে তাদের দৃষ্টিভঙ্গিগত বিলক্ষণ মিল রয়েছে।

লেখক : ইমেরিটাস অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

জাতীয়তাবাদউদ্বিগ্ন হৃদয়ভারতীয় উপমহাদেশ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    অস্ট্রেলিয়ার দর্প চূর্ণ ডারউইনে

    অস্ট্রেলিয়ার দর্প চূর্ণ ডারউইনে

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৩৬

    গ্যাস বিদ্যুতে রেকর্ড ঘাটতি

    গ্যাস বিদ্যুতে রেকর্ড ঘাটতি

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৪২

    বিনিয়োগ রপ্তানিতে বিপদসংকেত

    বিনিয়োগ রপ্তানিতে বিপদসংকেত

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৪২

    বঙ্গবন্ধু হত্যা রাজনৈতিক ইতিহাসের কলঙ্কিত অধ্যায়: জাসদ

    বঙ্গবন্ধু হত্যা রাজনৈতিক ইতিহাসের কলঙ্কিত অধ্যায়: জাসদ

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৩৫

    উপকূলে ভারি বর্ষণের পূর্বাভাস, ৩ নাম্বার সতর্কসংকেত

    উপকূলে ভারি বর্ষণের পূর্বাভাস, ৩ নাম্বার সতর্কসংকেত

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৪৩

    রবিবার বন্ধ রাজধানীর যেসব মার্কেট ও দোকানপাট

    রবিবার বন্ধ রাজধানীর যেসব মার্কেট ও দোকানপাট

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৩৪

    সেরা বোলার ছাড়া বাংলাদেশের জয়কে বিশেষ বললেন মার্ক ওয়াহ

    সেরা বোলার ছাড়া বাংলাদেশের জয়কে বিশেষ বললেন মার্ক ওয়াহ

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১২:৫৫

    শেখ হাসিনাকে ফেরতের সিদ্ধান্ত হবে ‘ভারতের আদালতে’

    শেখ হাসিনাকে ফেরতের সিদ্ধান্ত হবে ‘ভারতের আদালতে’

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১৪:১০

    তিন মাসে ৭১ যৌন হয়রানি নালিশ স্কুলছাত্রীদের

    তিন মাসে ৭১ যৌন হয়রানি নালিশ স্কুলছাত্রীদের

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২০

    বাশার আল-আসাদের মৃত্যুদণ্ড সিরিয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে কী বার্তা দিচ্ছে

    বাশার আল-আসাদের মৃত্যুদণ্ড সিরিয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে কী বার্তা দিচ্ছে

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১৩:০২

    নতুন পে-স্কেল চূড়ান্ত, যেকোনো সময় ঘোষণা : প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব

    নতুন পে-স্কেল চূড়ান্ত, যেকোনো সময় ঘোষণা : প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১৬:২৮

    বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় ১০ বছরের পরিকল্পনা সংসদে তুলে ধরা হবে

    বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় ১০ বছরের পরিকল্পনা সংসদে তুলে ধরা হবে

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১৬:২৪

    বিশ্বাস হারাননি মিরাজ

    বিশ্বাস হারাননি মিরাজ

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪৬

    নারীদের জন্য সড়কে গোলাপি বাস নামছে মঙ্গলবার

    নারীদের জন্য সড়কে গোলাপি বাস নামছে মঙ্গলবার

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১৯:২৯

    খুবি থেকে সুদূর চীনে

    খুবি থেকে সুদূর চীনে

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৩৬

    advertiseadvertise