প্রয়োজন অভিভাবকদের নজরদারি

প্রতীকী ছবি
কিশোর গ্যাংয়ে যোগদান থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করা আজ সমাজের সবচেয়ে বড় তাগিদ। পারিবারিক অবহেলা, মাদকের ছোবল, খারাপ সঙ্গ আর প্রযুক্তির অপব্যবহারে অনেক কিশোর পথ হারালেও সঠিক দিকনির্দেশনা দিয়ে তাদের আবার সুপথে ফেরানো সম্ভব।
এই সংকট নিরসনে মূল চাবিকাঠি হলো পারিবারিক সচেতনতা ও অভিভাবকদের নিবিড় নজরদারি। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুস্থ ক্রীড়া, সৃজনশীলতা ও সাংস্কৃতিক চর্চার সুযোগ বাড়িয়ে তাদের বিকাশ সহজ করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আইনি কঠোরতার পাশাপাশি অপরাধে জড়িয়ে পড়া কিশোরদের জন্য সামাজিকভাবে সংশোধন ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত জরুরি।
এটি শুধু আইনশৃঙ্খলার বিষয় নয়, গভীর সামাজিক দায়িত্বেরও অংশ। তাই শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও সচেতন সমাজকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে। অপরাধের অন্ধকার মুছে কিশোরদের হাতে অস্ত্রের বদলে বই তুলে দিতে হবে। তাদের সুন্দর স্বপ্ন দেখার সুযোগ তৈরি করে দিতে হবে আমাদের। সবার সম্মিলিত উদ্যোগই কিশোরদের নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারে।
লেখক: চাকরিজীবী, রংপুর




