Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
শিক্ষিত বেকারদের সহায় সুজন
বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কলাম

বিশ্বকাপের বৈচিত্র্য আসলে কার সাফল্য?

শরৎ চৌধুরী
agamir somoy
প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৩
বিশ্বকাপের বৈচিত্র্য আসলে কার সাফল্য?

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

কানাডার জাতীয় সংগীত বাজছে। সারিতে দাঁড়িয়ে আছেন আলফোনসো ডেভিস। আজ তিনি কানাডার জাতীয় ফুটবলের অন্যতম প্রধান প্রতীক; অথচ তার জীবনের শুরু কানাডায় নয়। লাইবেরিয়ার গৃহযুদ্ধ থেকে পালিয়ে তার মা-বাবা আশ্রয় নিয়েছিলেন ঘানার একটি শরণার্থীশিবিরে। সেখানেই ডেভিসের জন্ম। পাঁচ বছর বয়সে পরিবারটি কানাডায় পুনর্বাসিত হয়। নিরাপত্তা, শিক্ষা, ক্লাব ও প্রশিক্ষণের সুযোগ পাওয়া সেই শরণার্থী শিশুই পরে কানাডার জাতীয় প্রতীকে পরিণত হন।

ডেভিসের গল্প শুনলে প্রশ্নটি আর শুধু ‘তিনি কোন দেশের?’ থাকে না। প্রশ্ন হয়— একজন খেলোয়াড়কে আসলে কতগুলো পরিবার, রাষ্ট্র, প্রতিষ্ঠান ও ইতিহাস মিলে তৈরি করে?

২০২৬ বিশ্বকাপের ১,২৪৮ খেলোয়াড়ের প্রায় এক-চতুর্থাংশ এমন দেশে জন্মেছেন, যে দেশের হয়ে তারা খেলছেন না। কুরাসাও, ডিআর কঙ্গো ও মরক্কোর মতো কয়েকটি দলে বিদেশে জন্ম নেওয়া খেলোয়াড়ই সংখ্যাগরিষ্ঠ। অভিবাসন তাই বিশ্বকাপের ব্যতিক্রম নয়; এর কাঠামোগত বাস্তবতা।

এই বাস্তবতাকে বোঝাতে সম্প্রতি দুই গবেষক ‘leg drain’ ধারণাটি ব্যবহার করেছেন। বাংলায় একে বলা যেতে পারে— পায়ের মেধা পাচার। ৯২ হাজারের বেশি পেশাদার ফুটবলারের তথ্য বিশ্লেষণ করে তাদের প্রাথমিক গবেষণার দাবি, বহুজাতীয় যোগ্যতার ব্যবস্থায় ধনী ইউরোপীয় দেশগুলো সামগ্রিকভাবে বেশি খেলোয়াড়মূল্য লাভ করে; বিপরীতে ছোট, দরিদ্র ও সাবেক ঔপনিবেশিক দেশগুলোর ক্ষতি বেশি।

তবে মানুষ কোনো রাষ্ট্রের সম্পত্তি নয়। ডেভিসের নিজের ক্যারিয়ার ও পরিচয় নির্বাচনের অধিকার রয়েছে। কানাডা তার পরিবারকে আশ্রয়, নিরাপত্তা ও বেড়ে ওঠার সুযোগ দিয়েছে। প্রশ্ন খেলোয়াড়ের চলাচল বন্ধ করা নয়; প্রশ্ন হলো— প্রতিভা তৈরির সামাজিক ব্যয়, পেশাগত সুযোগ এবং তার শ্রম থেকে উৎপন্ন অর্থনৈতিক ও প্রতীকী সুফল কীভাবে বণ্টিত হচ্ছে?

আমাদু ওনানার জীবন এই জটিলতাকে আরও স্পষ্ট করে। সেনেগালে জন্মানো ওনানা ১১ বছর বয়সে ব্রাসেলসে যান। শুরুতে বাড়ি ভাড়া না পেলেও সামাজিক সেবার সহায়তায় নতুন জীবন শুরু করেন। বয়সভিত্তিক ফুটবলে বর্ণবাদের শিকার হয়ে তাকে দেশে ফিরে যেতে বলা হলেও বেলজিয়ামের হাসপাতাল, স্কুল ও ফুটবল একাডেমিই তার সামনে পেশার দরজা খুলে দিয়েছে। ওনানার জীবন তাই একই সঙ্গে বর্ণবাদ ও কল্যাণরাষ্ট্রের গল্প। যে সমাজ তাকে অপমান করেছে, সেই সমাজের প্রতিষ্ঠানই তাকে নাগরিক জীবনের সুযোগ দিয়েছে।

২০২৬ বিশ্বকাপের ১,২৪৮ খেলোয়াড়ের প্রায় এক-চতুর্থাংশ এমন দেশে জন্মেছেন, যে দেশের হয়ে তারা খেলছেন না

এমবাপ্পের গল্পে আমরা আরেক ধরনের পথ দেখি। তিনি শরণার্থী ছিলেন না; বড় হয়েছেন প্যারিসের বঁদিতে (Bondy)। প্যারিসের শহরতলিকে (banlieue) বাইরে থেকে অপরাধ ও বিপদের জায়গা মনে করা হলেও তার কাছে সেটি ছিল আফ্রিকান, আরব, এশীয় ও ফরাসি জীবনের মিলনভূমি। ২০১৮ বিশ্বকাপে উসমান দেম্বেলে ও নিজের কথা উল্লেখ করে তিনি ভেবেছিলেন— শহরতলির শিশুরাও ফ্রান্স।

এখানেই বৈচিত্র্যের সত্যিকারের শক্তি। যেসব অঞ্চল ও অভিবাসী পরিবারকে জাতির প্রান্তে রাখা হয়, তাদের সন্তানরাই জাতীয় জার্সি পরে কেন্দ্রীয় দৃশ্যে দাঁড়ায়। তবে প্রতিনিধিত্বের বৈচিত্র্য আর সুযোগের ন্যায়বণ্টন এক বিষয় নয়। খেলোয়াড়দের পারিবারিক ইতিহাসে বৈচিত্র্য থাকলেও উন্নত একাডেমি, স্পোর্টস সায়েন্স, চিকিৎসা, স্কাউটিং নেটওয়ার্ক ও ট্রান্সফার মার্কেট অল্প কয়েকটি ধনী দেশে কেন্দ্রীভূত। মাঠে অন্তর্ভুক্তি (inclusion) দৃশ্যমান হলেও সম্পদ ও ক্ষমতার পুনর্বণ্টন (redistribution) ঘটে না। এটি বণ্টনহীন বৈচিত্র্য।

মরক্কো এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পাল্টা উদাহরণ। তারা ইউরোপে বড় হওয়া প্রবাসী খেলোয়াড়দের জাতীয় দলে যুক্ত করেছে; কিন্তু শুধু তাদের ওপর ভরসা করেনি। নিজস্ব একাডেমি, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও ফেডারেশন সক্ষমতায় বিনিয়োগ করে প্রবাসী ও স্থানীয় খেলোয়াড়কে একই ইকোসিস্টেমের অংশ করেছে। গ্লোবাল সাউথের জন্য শিক্ষা এটাই— প্রবাসী প্রতিভা কোনো দুর্বল স্থানীয় ব্যবস্থার বিকল্প নয়; বরং তাকে শক্তিশালী করার সেতু।

একজন খেলোয়াড়কে বড় করার গল্পও একক মালিকানার নয়। পরিবার হয়তো তার জন্য প্রথম ত্যাগ স্বীকার করেছে; স্থানীয় পাড়া প্রথম মাঠ দিয়েছে; আশ্রয়দাতা রাষ্ট্র শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে; একাডেমি পেশাগত দক্ষতা তৈরি করেছে; আর খেলোয়াড় নিজে বছরের পর বছর শ্রম, অনিশ্চয়তা ও ব্যর্থতা সহ্য করেছেন। তাই তার সাফল্যের ওপর কোনো এক রাষ্ট্রের একচ্ছত্র দাবি নৈতিকভাবে দুর্বল। প্রশ্ন বরং— এই যৌথ বিনিয়োগের সুফল কতটা ন্যায়সংগতভাবে ভাগ হয় এবং সেই সাফল্য নতুন প্রজন্মের জন্য প্রতিষ্ঠান তৈরি করে কি না।

বাংলাদেশও এই গল্পের বাইরে নয়। ইংল্যান্ডের লেস্টার সিটির ফুটবল সিস্টেমে গড়ে ওঠা হামজা চৌধুরী বাংলাদেশের হয়ে নামার পর গ্যালারি ভরেছে, নতুন আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এটি ‘leg drain’-এর বিপরীত দিক। কিন্তু একজন হামজাকে পাওয়া আর বাংলাদেশে হাজারো শিশুর হামজা হয়ে ওঠার ব্যবস্থা তৈরি করা এক কথা নয়। প্রবাসী তারকা স্থানীয় একাডেমি, স্কুল লিগ বা যুব উন্নয়নের বিকল্প হতে পারেন না।

আমরা ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার জন্য কিলোমিটার দীর্ঘ পতাকা বানাই, রাত জেগে ম্যাচ দেখি। অথচ আমাদের শিশুদের ফুটবলার হওয়ার জন্য কতটি নিরাপদ মাঠ, নিয়মিত স্কুল প্রতিযোগিতা, পুষ্টি বা স্বচ্ছ নির্বাচন প্রক্রিয়া তৈরি করেছি? একটি দেশের ফুটবল সংস্কৃতি মাপা উচিত একটি শিশুকে মাঠে পৌঁছাতে কত দূর যেতে হয়— তা দিয়ে।

বিশ্বকাপের বহু রঙের দলগুলো সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ দেখায়, যেখানে জাতি এক জন্মভূমি বা গায়ের রঙে সীমাবদ্ধ নয়। কিন্তু সেই সৌন্দর্যের নিচে যদি সুযোগের পুরনো বৈষম্য অক্ষত থাকে, তবে এটি বৈচিত্র্যের পূর্ণ বিজয় নয়; বৈষম্যের সফল নান্দনিকীকরণ মাত্র। প্রশ্ন তাই খেলোয়াড়ের গায়ের রঙ নয়; প্রশ্ন হলো তাকে কে আশ্রয় দিয়েছে, কে বড় করেছে, কে তার শ্রমের মূল্য পেয়েছে আর কে শুধু দূর থেকে তার নামে পতাকা উড়িয়েছে।

লেখক: গবেষক, নৃবিজ্ঞানী

কানাডাজাতীয় সংগীতআলফোনসো ডেভিসবিশ্বকাপফুটবললাইবেরিয়াশিক্ষাএমবাপ্পে
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে আসিফ নজরুল ও সালেহউদ্দিনের নাম ছিল

    প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে আসিফ নজরুল ও সালেহউদ্দিনের নাম ছিল

    ২২ জুলাই ২০২৬, ০০:০৬

    বিসিএস ক্যাডার পরিচয়ে তরুণীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলতেন মোশাররফ

    বিসিএস ক্যাডার পরিচয়ে তরুণীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলতেন মোশাররফ

    ২২ জুলাই ২০২৬, ০০:৩২

    অস্ত্রোপচারের চ্যালেঞ্জে...

    অস্ত্রোপচারের চ্যালেঞ্জে...

    ২২ জুলাই ২০২৬, ০০:৫৫

    সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা করলেন স্বামী

    সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা করলেন স্বামী

    ২২ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৪

    বিএমইউতে অধ্যাপক ডা. আব্দুল কুদ্দুসের স্মরণসভা

    বিএমইউতে অধ্যাপক ডা. আব্দুল কুদ্দুসের স্মরণসভা

    ২২ জুলাই ২০২৬, ০২:১১

    শ্রীলঙ্কায় মশা মারতে কামান!

    শ্রীলঙ্কায় মশা মারতে কামান!

    ২২ জুলাই ২০২৬, ০১:২১

    ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় আবারও হামলার হুমকি ট্রাম্পের

    ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় আবারও হামলার হুমকি ট্রাম্পের

    ২২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৪

    থামলেন ‘যোদ্ধা’ ওতামেন্দি

    থামলেন ‘যোদ্ধা’ ওতামেন্দি

    ২২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪০

    কমছে ২১৯৫ কোটি টাকার বৈদেশিক ঋণ

    কমছে ২১৯৫ কোটি টাকার বৈদেশিক ঋণ

    ২২ জুলাই ২০২৬, ০২:৩০

    তিন জেলা পাচ্ছে দেড় হাজার কোটি

    তিন জেলা পাচ্ছে দেড় হাজার কোটি

    ২২ জুলাই ২০২৬, ০২:২৮

    লোকসানে থাকলেও হিসাবের খাতায় মুনাফা

    লোকসানে থাকলেও হিসাবের খাতায় মুনাফা

    ২২ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৪

    মোদিবিরোধী গণবিস্ফোরণের মুখে ভারত

    মোদিবিরোধী গণবিস্ফোরণের মুখে ভারত

    ২২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৪

    আন্তর্জাতিক ৫০ মেলায়  অংশ নেবে বাংলাদেশ

    আন্তর্জাতিক ৫০ মেলায় অংশ নেবে বাংলাদেশ

    ২২ জুলাই ২০২৬, ০২:২২

    হাতিয়ায় বিধ্বস্ত ১১ কিমি সড়ক ৩২ ব্রিজ-কালভার্ট

    হাতিয়ায় বিধ্বস্ত ১১ কিমি সড়ক ৩২ ব্রিজ-কালভার্ট

    ২২ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৬

    দড়ি টেনে যাই

    দড়ি টেনে যাই

    ২২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৪

    advertiseadvertise